২৬ জুন ২০২২ ১১:১৩:৩২
logo
logo banner
HeadLine
পদ্মা সেতুতে যান চলাচল শুরু * ২৫ জুন,২০২২ :১৫.৭ শতাংশ হারে আজ শনাক্ত ১২৮০, মৃত ৩ * পদ্মা সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী * পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী * সেতুর চেয়েও বড় * চ্যালেঞ্জ জয়ে স্বপ্ন পূরণ, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আজ * দেশের অগ্রযাত্রা আর কেউ থামাতে পারবে না - প্রধানমন্ত্রী * আগামী নির্বাচনে জনগণ নৌকাই বেছে নেবে - আওয়ামী লীগ সভানেত্রী * শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাস্ক পরার নির্দেশ * ২৩ জুন, ২০২২ : ১৪.৩২ হারে আজ শনাক্ত ১৩১৯ * বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা * পদ্মা সেতু বাংলাদেশের অহংকার - প্রধানমন্ত্রী * ২১ জুন, ২০২২:১১.৩ শতাংশ হারে আজ শনাক্ত ৮৭৪, মৃত ১ * বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়া হবে - প্রধানমন্ত্রী * দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বুধবার *
     20,2022 Monday at 18:29:14 Share

স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে সিলেট

স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কবলে সিলেট

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় পড়েছে সিলেট। মাত্র দুইদিনের ব্যবধানেই সিলেটের ১১টি উপজেলা বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে।

দিনে এবং রাতে সমান তালে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় অজানা আতঙ্কে সিলেটের বিস্তীর্ণ এলাকার লোকজন। অনেকে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন বন্যা আতঙ্কে।

স্থানীয়দের মতে, গত বন্যা ২০০৪ সালের সালের বন্যাকে অতিক্রম করেছে। আর এবারের বন্যা ১৯৮৮ সালের বন্যাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

স্থানীয়রা বলছেন, ভারি বর্ষণ আর উজানের ঢলে সুরমা-কুশিয়ারার পানি অনবরত ‍বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে বেশি প্লাবিত হয়েছে সিলেটের সীমান্তবর্তী অঞ্চল কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাট এলাকার বিস্তীর্ণ জনপদ। বানের জলে ভেসে যাচ্ছে কাঁচা ও টিনশেড বাড়িঘর। অনেক জায়গায় নদী ভাঙনও দেখা দিয়েছে। এরইমধ্যে কয়েক লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এমন অবস্থায় সরকারি সহায়তাও পোঁছাচ্ছে না মানুষের কাছে।

গত বন্যায় উপদ্রুত এলাকায় ত্রাণ সহযোগিতা নিয়ে প্রশাসন তৎপর থাকলেও এবার তা অপ্রতুল মনে করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও।

তারা বলেন, আগে বন্যা কবলিত মানুষকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন।

জানা গেছে, দ্বিতীয় দফা বন্যার পানিতে নিচু এলাকার অনেকের বসতবাড়িতে পানি প্রবেশ করে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

গত কয়েক দিনের অবিরাম বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে জেলা ও মহানগরীর অধিকাংশ জনপদ ডুবে গেছে। এরমধ্যে চরম দুর্ভোগ ও সবচেয়ে অসহায় অবস্থায় পড়েছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দারা। রাস্তাঘাট পানিতে সম্পূর্ণ তলিয়ে যাওয়ায় লাখো বানভাসী মানুষকে উদ্ধারের জন্য সেখানে পৌঁছাতে পারছেন না কেউ। এছাড়াও এসব গ্রামীণ এলাকায় পৌঁছাতে নৌকাও মিলছে না। ফলে অবস্থা আরও ভয়াবহের দিকে যাচ্ছে।

সিলেটের কানাইঘাটের লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম, লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব, ৫ নম্বর বড়চতুল, পৌরসভা ও সদর ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সিলেট শহরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

 

আবহাওয়া অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, পুরো জুন মাসে ৮১৮ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হওয়ার কথা। কিন্তু ১৬ তারিখ পর্যন্ত  ৯৪ দশমিক ৮১ শতাংশ অর্থাৎ ৭৭৪ দশমিক ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়ে গেছে। আগামী ২৬ জুন পর্যন্ত সিলেটে ভারি বর্ষণ হতে পারে। তাতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।     

User Comments

  • সারাদেশ