২৩ এপ্রিল ২০২১ ১৩:৩০:৪৩
logo
logo banner
HeadLine
২২ এপ্রিল ২০২১ : গেল ২৪ ঘন্টায় ১৪ দশমিক ৬৩ হারে শনাক্ত ৪২৮০, মৃত ৯৮, সুস্থ ৭২৬৬ * কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে উন্নত দেশগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান * ২১ এপ্রিল ২০২১ : কমেছে সংক্রমণ , বেড়েছে সুস্থতা * দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন সোয়া ১৮ লাখ, প্রথম ডোজ সাড়ে ৫৭ লাখ এবং নিবন্ধন করেছেন সাড়ে ৭১ লাখের অধিক * এ বছর ফিতরা জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২,১৩০ ও সর্বনিম্ন ৭০ টাকা * সুরক্ষায় মিলছে করোনা সার্টিফিকেট * ২০ এপ্রিল ২০২১ : ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত ৪৫৫৯, মৃত ৯১, সুস্থ ৬৮১১ জন * ভ্যাকসিনের চাহিদা মেটাতে আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্তৃত্বের ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর * ১৯ এপ্রিল ২০২১ : দেশে করোনায় একদিনে মৃত ১১২, যা দৈনিক সর্বোচ্চ * মামুনুল হকের ৭ দিনের রিমান্ড * মধ্যপ্রাচ্যের কিছু ফ্লাইট ছাড়া ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ * চলমান চলাচল বিধিনিষেধ ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত * হেফাজত নেতা মামুনুল হক গ্রেফতার * দেশের সবচেয়ে বড় কোভিড হাসপাতাল উদ্বোধন * ৫১ আলেম-ওলামার বিবৃতি,'হেফাজতে ইসলাম দেশে ফেতনা সৃষ্টিকারী ফাসেকের দল' *
     18,2021 Sunday at 05:01:03 Share

ইসলামিক মিসরের প্রতীক আল-আজহার মসজিদ

ইসলামিক মিসরের প্রতীক আল-আজহার মসজিদ

খেপুপাড়ানিউজ২৪.কম, ঢাকা : হাজারো মিনারের নগরী বলে পরিচিত মিসরের রাজধানী কায়রো। এই কায়রোর প্রথম মসজিদ আল-আজহার। আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যে প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছে বেশি পরিচিত সেই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই মসজিদকে কেন্দ্র করেই। মহান আল্লাহর দীপ্তিময় ঘর আল-আজহার মসজিদ। একে বলা হয় মস্ক অব দ্য রিসপ্লেনড্যানট। অত্যন্ত উজ্জ্বল ও চমৎকার বলেই এই উপাধি। 'আজ-জাহারা' অর্থ এক উজ্জল নক্ষত্র। হযরত মুহাম্মদ স.-এর আদরের কন্যা হযরত ফাতিমা রা.-এর উপাধি ছিল এটি। এই উপাধির সাথে মিল রেখে তাঁকে উদ্দেশ করেই মসজিদটির নাম দেয়া হয়েছে আল-আযহার মসজিদ। মাথা তুলে আছে সেই ৯৭০ খ্রিস্টাব্দ থেকে। কায়রোর তৎকালীন ফাতেমীয় খিলাফত প্রধান আল মুইজ্জলি-দীনআল্লাহ মসজিদটি তৈরির আদেশ দেন। ৯৮৯ খ্রিস্টাব্দের দিকে মসজিদ কর্তৃপক্ষ এখানে ৩৫ জন শিক্ষাবিদকে নিয়োগ দেন। শুরুতে মসজিদের অংশহিসেবে যাত্রা শুরু হয় একটি স্কুলের। সেই স্কুলই আজ প্রখ্যাত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়। মসজিদটি কখনো উপেক্ষিত হয়েছে, আবার কখনো বা হয়েছে অতি নন্দিত।আইয়ুবীয় সুলতানদের আমালে মসজিদটির মর্যাদা খর্ব করা হয়েছিল। মসজিদের স্কুলের ছাত্র আর তাদের শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। ১২৬৬ খ্রিস্টাব্দে মামলুক সুলতান আবুল আল ফুতুহ মিসর বিজয়ের পর আল-আজহার মসজিদের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনেন। তার শাসনামলে মসজিদটি সংস্কার করা হয়। আয়তনে বড় করে আরো মোহনীয় করা হয়। আগে মসজিদের তিনদিক ঘিরে ছিল সারি সারি খিলান। পরে চারদিকে খিলানের সারি গড়ে তোলা হয়। যা একটি সৃষ্টি করে দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যের। ১৭৫৩ খৃস্টাব্দে অটোমান শাসক আমীর আবেদ আল রহমান এই মসজিদের ব্যাপক এবং দীর্ঘস্থায়ী সংস্কারে হাত দেন। মসজিদটির বর্তমান কারুকার্যময় সামনের অংশটি তিনিই সংস্কার করেন। এছাড়া তিনি এখানে তিনটি মিনার নির্মাণ করেন। যার দুটি আজও টিকে আছে। তিনি মসজিদের পুর্ব-দক্ষিণ কোনে তার জন্য সমাধিসৌধও নির্মাণ করেছিলেন। পরবর্তীকালে মিসরীয় শাসকরা মসজিদটিতে সহযোগিতা অব্যহত রাখেন। আজ এই আল-আজহার মসজিদ মিসরীয় সমাজে একটি শক্তিশালী প্রভাব বিস্তারকারী প্রতিষ্ঠান। ইসলামিক মিসরের প্রতীক হিসেবে মাথা তুলে আছে মসজিদটি। খেপুপাড়া নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/০৭/০৭/২০১৪

User Comments

  • আরো