২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৩:২৩:৪৪
logo
logo banner
HeadLine
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ : পরীক্ষা ২৭১৪১, শনাক্ত ১২৩৩, শনাক্তের হার ৪.৫৪ শতাংশ , মৃত্যু ৩১, সুস্থ ১৪১৩ জন * ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১: চট্টগ্রামে ২.০২ শতাংশ হারে শনাক্ত ২৬, মৃত ৩ জন * 'অতি জরুরি' ভিত্তিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন জোরদারের দাবি প্রধানমন্ত্রীর * ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ : পরীক্ষা ২৪৮২০, শনাক্ত ১১৪৪, শনাক্তের হার ৪.৬১ শতাংশ , মৃত্যু ২৪, সুস্থ ১৬৫৩ জন * ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে টিকা দেয়া হয়েছে ৩ কোটি ৯০ লাখ ৩১ হাজার ৮৯৬ ডোজ * কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনকে সার্বজনীন গণপণ্য ঘোষণার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর * ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১: চট্টগ্রামে ৩.২৭ শতাংশ হারে শনাক্ত ৫৪, মৃত ২ জন * ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ : পরীক্ষা ২৮৭৩৬, শনাক্ত ১৩৭৬, শনাক্তের হার ৪.৭৯ শতাংশ , মৃত্যু ৩৬, সুস্থ ১৪২৭ জন * আইসিটি,নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ব্লু ইকনমিতে মার্কিন বিনিয়োগ আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর * ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১: চট্টগ্রামে ২.৭৪ শতাংশ হারে শনাক্ত ৪৮, মৃত ১ জন * ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ : পরীক্ষা ৩৩৩২৭, শনাক্ত ১৫৬২, শনাক্তের হার ৪.৬৯ শতাংশ , মৃত্যু ২৬, সুস্থ ১৬০৩ জন * প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার প্রদান * ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১: চট্টগ্রামে ৪.৩৫ শতাংশ হারে শনাক্ত ৭৬, মৃত ১ জন * ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ : পরীক্ষা ২৭৪৩১, শনাক্ত ১৫৫৫, শনাক্তের হার ৫.৬৭ শতাংশ , মৃত্যু ২৬, সুস্থ ১৫৬৫ জন * ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১: চট্টগ্রামে ১.৭৮ শতাংশ হারে শনাক্ত ২৭, মৃত ১ জন *
     20,2021 Monday at 12:05:06 Share

ইসলামিক মিসরের প্রতীক আল-আজহার মসজিদ

ইসলামিক মিসরের প্রতীক আল-আজহার মসজিদ

খেপুপাড়ানিউজ২৪.কম, ঢাকা : হাজারো মিনারের নগরী বলে পরিচিত মিসরের রাজধানী কায়রো। এই কায়রোর প্রথম মসজিদ আল-আজহার। আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যে প্রতিষ্ঠান আমাদের কাছে বেশি পরিচিত সেই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই মসজিদকে কেন্দ্র করেই। মহান আল্লাহর দীপ্তিময় ঘর আল-আজহার মসজিদ। একে বলা হয় মস্ক অব দ্য রিসপ্লেনড্যানট। অত্যন্ত উজ্জ্বল ও চমৎকার বলেই এই উপাধি। 'আজ-জাহারা' অর্থ এক উজ্জল নক্ষত্র। হযরত মুহাম্মদ স.-এর আদরের কন্যা হযরত ফাতিমা রা.-এর উপাধি ছিল এটি। এই উপাধির সাথে মিল রেখে তাঁকে উদ্দেশ করেই মসজিদটির নাম দেয়া হয়েছে আল-আযহার মসজিদ। মাথা তুলে আছে সেই ৯৭০ খ্রিস্টাব্দ থেকে। কায়রোর তৎকালীন ফাতেমীয় খিলাফত প্রধান আল মুইজ্জলি-দীনআল্লাহ মসজিদটি তৈরির আদেশ দেন। ৯৮৯ খ্রিস্টাব্দের দিকে মসজিদ কর্তৃপক্ষ এখানে ৩৫ জন শিক্ষাবিদকে নিয়োগ দেন। শুরুতে মসজিদের অংশহিসেবে যাত্রা শুরু হয় একটি স্কুলের। সেই স্কুলই আজ প্রখ্যাত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়। মসজিদটি কখনো উপেক্ষিত হয়েছে, আবার কখনো বা হয়েছে অতি নন্দিত।আইয়ুবীয় সুলতানদের আমালে মসজিদটির মর্যাদা খর্ব করা হয়েছিল। মসজিদের স্কুলের ছাত্র আর তাদের শিক্ষকদের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। ১২৬৬ খ্রিস্টাব্দে মামলুক সুলতান আবুল আল ফুতুহ মিসর বিজয়ের পর আল-আজহার মসজিদের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনেন। তার শাসনামলে মসজিদটি সংস্কার করা হয়। আয়তনে বড় করে আরো মোহনীয় করা হয়। আগে মসজিদের তিনদিক ঘিরে ছিল সারি সারি খিলান। পরে চারদিকে খিলানের সারি গড়ে তোলা হয়। যা একটি সৃষ্টি করে দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যের। ১৭৫৩ খৃস্টাব্দে অটোমান শাসক আমীর আবেদ আল রহমান এই মসজিদের ব্যাপক এবং দীর্ঘস্থায়ী সংস্কারে হাত দেন। মসজিদটির বর্তমান কারুকার্যময় সামনের অংশটি তিনিই সংস্কার করেন। এছাড়া তিনি এখানে তিনটি মিনার নির্মাণ করেন। যার দুটি আজও টিকে আছে। তিনি মসজিদের পুর্ব-দক্ষিণ কোনে তার জন্য সমাধিসৌধও নির্মাণ করেছিলেন। পরবর্তীকালে মিসরীয় শাসকরা মসজিদটিতে সহযোগিতা অব্যহত রাখেন। আজ এই আল-আজহার মসজিদ মিসরীয় সমাজে একটি শক্তিশালী প্রভাব বিস্তারকারী প্রতিষ্ঠান। ইসলামিক মিসরের প্রতীক হিসেবে মাথা তুলে আছে মসজিদটি। খেপুপাড়া নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/০৭/০৭/২০১৪

User Comments

  • আরো