২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০:৫৮:৪৯
logo
logo banner
HeadLine
ষড়যন্ত্রের 'ক' পরিকল্পনা ব্যর্থ 'খ' পরিকল্পনাটি কী হবে? * এখনও বালুতে মাথা গুঁজে রেখেছেন সু চি: অ্যামনেস্টি * আন্তরজাতিক চাপে ভীত নন, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার আগ্রহ সুচির * সামরিক নয়, কূটনৈতিক পথেই রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান * কমে এসেছে রোহিঙ্গা স্রোত, তৈরী হচ্ছে ১৪ হাজার তাঁবু, * দক্ষিণ আফ্রিকা পৌঁছাল টাইগাররা * আরও ১২ স্কুল ও কলেজ সরকারি হলো * রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বন্য হাতির আক্রমণে নিহত ২ * শরণার্থী আশ্রয় নীতিমালা চেয়ে হাইকোর্টে রিট * ৩০ টাকা দরে ওএমএসের চাল বিক্রি শুরু * অবৈধ চাল মজুদকারীকে গ্রেফতারের নির্দেশ * সংকট নিরসনে সু চির সামনে 'শেষ সুযোগ': জাতিসংঘ * ভারী বৃষ্টি হতে পারে, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা * বেড়েই চলেছে চালের বাজার * ১০ জিবি র্যাাম, ২৫৬ জিবি রম, ৩২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ও ৬ ইঞ্চি ডিসপ্লে নিয়ে আসছে নকিয়া * রোহিঙ্গা সংকট থেকে দৃষ্টি সরাতেই আকাশসীমা লঙ্ঘনের সামরিক উসকানি * রোহিঙ্গা বিপর্যয় 'দ্রুততম সময়ে সৃষ্ট শরণার্থী সঙ্কট' - জাতিসংঘ * রোহিঙ্গা ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আশ্রয়, বাড়ীভাড়া, চাকুরী ইত্যাদি না দিতে পুলিশের বিশেষ নির্দেশনা * সন্দ্বীপে নেতা-কর্মিদের উপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানালো উপজেলা আওয়ামীলীগ * বিশ্ব ওজোন দিবস আজ * কাল থেকে ১৫ টাকা কেজিতে চাল পাবে স্বল্প আয়ের মানুষ * ছড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা * রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে হেফাজতের বিক্ষোভ * মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের গ্রামের পর গ্রাম পুড়িয়ে দিচ্ছে সেনাবাহিনী'-অ্যামনেস্টি * শেখ হাসিনা , মাদার অব হিউম্যানিটি * রোহিঙ্গা ইস্যুতে কী বলছে আনান কমিশন! * জাতিসংঘের ৭২তম অধিবেশনে যোগ দিতে আজ দুপুরে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী * বিকাশের ৩ হাজার এজেন্টের বিরুদ্ধে তদন্ত হচ্ছে * ২৫ অগাস্টের পর রাখাইনের ৪০ শতাংশ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে * প্রকৃতি গবেষক দ্বিজেন শর্মা আর নেই *
     12,2017 Tuesday at 10:08:06 Share

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাশে থাকছে চীন ও ভারত

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাশে থাকছে চীন ও ভারত

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন ও ভারত। রাখাইনে গণহত্যা দ্রুত বন্ধ ও সংকট সমাধানে কোফি আনান কমিশন বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বিদেশী কূটনীতিকদের ব্রিফিং এই সহযোগিতা চাওয়া হয়। এদিকে আগামীকাল বুধবার রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখতে কক্সবাজার যাচ্ছেন বিদেশী কূটনীতিকরা।


রোহিঙ্গা পরিস্থিতি তুলে ধরতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণ এশিয়া ও আসিয়ান দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে ব্রিফিং করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী তাদের ব্রিফিং করেন। এসময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক উপস্থিত ছিলেন।


ব্রিফিং শেষে সচিব এম শহীদুল হক সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, চীন ও ভারত আমাদের ভাতৃপ্রতিম দেশ। এই দুঃখকালীন, কষ্টকালীন সময়েও তারা আমাদের পাশে থাকবে, আগে যেভাবে থেকেছে।


বিদেশী কূটনীতিকদের ব্রিফিংয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব জানান, মিয়ানমারের রাখাইন থেকে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। এরপর থেকে যে মানবিক বিপর্যয়ের উদ্ভব হয়েছে, সে বিষয়ে তাদের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী। আমরা রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কোফি আনান কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চেয়েছি। আমরা তাদেরকে পূর্ণাঙ্গভাবে এই কমিশনের প্রতিবেদন দ্রুত ও শর্তহীন বাস্তবায়নে সহযোগিতা চেয়েছি।


এক প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বিদেশী কূটনীতিকদের আমরা বলেছি, ওখানে যে কনফ্লিক্ট হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার চলছে, এটা দ্রুত বন্ধ করতে হবে। যেন রোহিঙ্গাদের আসা বন্ধ হয়। কোফি আনান কমিশনে যেটা আছে, সে অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের ভেরিকেশন করে তাদের জাতীয় পরিচিয় নিশ্চিত করার কথাও আমরা বলেছি।


বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের পক্ষ থেকে কি ধরণের সাড়া পাওয়া গেছে, জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এখানে যারা এসেছেন, তারা সকলেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সকলেই বাংলাদেশের পাশে থাকবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এছাড়া রোহিঙ্গারা যারা এখানে আছেন, তাদের সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।


মিয়ানমারের পক্ষ থেকে কি ধরণের সাড়া পাওয়া গেছে জানতে চাইলে, পররাষ্ট্র সচিব বলেন, মিয়ানমার থেকে এখনো কোনো সাড়া মেলেনি।


ব্রিফিংয়ে ঢাকার মিয়ানমার মিশনের কোনো প্রতিনিধি ছিলেন কি-না জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব জানান, ঢাকার মিয়ানমার মিশনকে ব্রিফিংয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। সে কারণে দেশটির কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না।


কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশ ৪ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার ভার বহন করে চলেছে সম্প্রতি আরও তিন লাখের মতো রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগের রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে আহ্বান জানিয়ে আসা হলেও তাতে কোনো সাড়া দেয়নি মিয়ানমার।


নতুন করে রোহিঙ্গা স্রোত আসার পর বাংলাদেশ মিয়ানমারের মধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি ‘সেফ জোন’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাস দমনে সীমান্তে যৌথ অভিযান চালাতেও মিয়ানমারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।


এদিকে বাংলাদেশে আসা রোহঙ্গাদের ত্রাণ সহায়তার জন্য বেশ কয়েকটি দেশ ত্রাণসামগ্রী পাঠাচ্ছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, আজারবাইজান, তুরস্ক, মালয়েশিয়া ইত্যাদি।

User Comments

  • আরো