২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ১৪:২৩:২৬
logo
logo banner
HeadLine
যাত্রা শুরু করল ফোরজি, তবে... * আবাসন খাতে ঋণ বাড়াতে নীতিমালার সংস্কার * প্রধানমন্ত্রী আজ রাজশাহী যাচ্ছেন * অগ্রগতির পথে আরও একধাপ, শীঘ্রই উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাচ্ছে বাংলাদেশ * একুশের চেতনায় দেশকে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য * ভাষার রাজনীতি বনাম ক্ষমতার রাজনীতি * সমৃদ্ধ বাংলা ভাষা * সাজা স্থগিত চেয়ে খালেদা জিয়ার আপিল, গ্রহণ শুনানি কাল * ২১শে ফেব্রুয়ারী- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস : কিছু ধারাবাহিক ইতিহাস * আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস: গৌরবের একুশে আজ * বাঙালীর স্বকীয়তা যেন হারিয়ে না যায়-'একুশে পদক' প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী * একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা * সন্দ্বীপে দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে ছাই হল ৪০ বছরের পুরানো কালাপানিয়া ইউপি'র অস্থায়ী কার্যালয় * সন্দ্বীপ পৌরসভায় বিশুদ্ধ পানি সরবারাহের লক্ষ্যে পাইপ লাইন বসানো কাজের উদ্ভোধন * সারাদেশে মসজিদের সংখ্যা আড়াই লাখ: ধর্মমন্ত্রী * ফোর জি যুগে বাংলাদেশ, লাইসেন্স পেল চার অপারেটর * বিএনপি নির্বাচনে না এলে কিছুই করার নেই: শেখ হাসিনা * রায়ের কপি পেলেন খালেদার আইনজীবীরা * জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সজাগ থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী * ফোরজি চালু হচ্ছে আজ থেকে * সুদের হার বাড়াতে উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা, আমানত তুলে নিচ্ছে গ্রাহকরা * সারাদেশে এক লাখের বেশি উচ্চমাত্রার ফ্রি ওয়াই- ফাই জোন হচ্ছে * সন্দ্বীপ পৌরসভা ০৮নং ওয়ার্ড চডাইপাড়া সড়ক পাকাকরণ কাজের উদ্ভোধন * সাবেক এমপি ও মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউসুফ মারা গেলেন * খালেদা জিয়ার দুঃসময় ও অমোঘ নিয়তি * ডিসেম্বরে অবসরে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী * বাংলাদেশ-মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক ,এক হাজার ৬৭৩ পরিবারের তালিকা হস্তান্তর * সরকারি চাকরিতে ঢুকতে হলে দিতে হবে মাদক পরীক্ষা * জাগদল থেকে বিএনপি: রাজনীতিতে জিয়ার উত্থান * প্রধানমন্ত্রী আজ দেশে ফিরছেন *
     12,2017 Tuesday at 10:08:06 Share

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাশে থাকছে চীন ও ভারত

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাশে থাকছে চীন ও ভারত

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন ও ভারত। রাখাইনে গণহত্যা দ্রুত বন্ধ ও সংকট সমাধানে কোফি আনান কমিশন বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বিদেশী কূটনীতিকদের ব্রিফিং এই সহযোগিতা চাওয়া হয়। এদিকে আগামীকাল বুধবার রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখতে কক্সবাজার যাচ্ছেন বিদেশী কূটনীতিকরা।


রোহিঙ্গা পরিস্থিতি তুলে ধরতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণ এশিয়া ও আসিয়ান দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে ব্রিফিং করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী তাদের ব্রিফিং করেন। এসময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক উপস্থিত ছিলেন।


ব্রিফিং শেষে সচিব এম শহীদুল হক সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, চীন ও ভারত আমাদের ভাতৃপ্রতিম দেশ। এই দুঃখকালীন, কষ্টকালীন সময়েও তারা আমাদের পাশে থাকবে, আগে যেভাবে থেকেছে।


বিদেশী কূটনীতিকদের ব্রিফিংয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব জানান, মিয়ানমারের রাখাইন থেকে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। এরপর থেকে যে মানবিক বিপর্যয়ের উদ্ভব হয়েছে, সে বিষয়ে তাদের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী। আমরা রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কোফি আনান কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চেয়েছি। আমরা তাদেরকে পূর্ণাঙ্গভাবে এই কমিশনের প্রতিবেদন দ্রুত ও শর্তহীন বাস্তবায়নে সহযোগিতা চেয়েছি।


এক প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বিদেশী কূটনীতিকদের আমরা বলেছি, ওখানে যে কনফ্লিক্ট হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার চলছে, এটা দ্রুত বন্ধ করতে হবে। যেন রোহিঙ্গাদের আসা বন্ধ হয়। কোফি আনান কমিশনে যেটা আছে, সে অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের ভেরিকেশন করে তাদের জাতীয় পরিচিয় নিশ্চিত করার কথাও আমরা বলেছি।


বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের পক্ষ থেকে কি ধরণের সাড়া পাওয়া গেছে, জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এখানে যারা এসেছেন, তারা সকলেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সকলেই বাংলাদেশের পাশে থাকবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এছাড়া রোহিঙ্গারা যারা এখানে আছেন, তাদের সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।


মিয়ানমারের পক্ষ থেকে কি ধরণের সাড়া পাওয়া গেছে জানতে চাইলে, পররাষ্ট্র সচিব বলেন, মিয়ানমার থেকে এখনো কোনো সাড়া মেলেনি।


ব্রিফিংয়ে ঢাকার মিয়ানমার মিশনের কোনো প্রতিনিধি ছিলেন কি-না জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব জানান, ঢাকার মিয়ানমার মিশনকে ব্রিফিংয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। সে কারণে দেশটির কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না।


কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশ ৪ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার ভার বহন করে চলেছে সম্প্রতি আরও তিন লাখের মতো রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগের রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে আহ্বান জানিয়ে আসা হলেও তাতে কোনো সাড়া দেয়নি মিয়ানমার।


নতুন করে রোহিঙ্গা স্রোত আসার পর বাংলাদেশ মিয়ানমারের মধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি ‘সেফ জোন’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাস দমনে সীমান্তে যৌথ অভিযান চালাতেও মিয়ানমারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।


এদিকে বাংলাদেশে আসা রোহঙ্গাদের ত্রাণ সহায়তার জন্য বেশ কয়েকটি দেশ ত্রাণসামগ্রী পাঠাচ্ছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, আজারবাইজান, তুরস্ক, মালয়েশিয়া ইত্যাদি।

User Comments

  • আরো