২২ জানুয়ারি ২০১৮ ৮:৩:২৪
logo
logo banner
HeadLine
অ্যাজমা বা হাঁপানি : কেন হয়? লক্ষন ও চিকিৎসা * শেষ হল ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা * নব্য সুশীলদের অযাচিত বিরোধিতা বনাম উন্নয়নের রাজনীতি * স্বপ্ন পূরণ করেন শেখ হাসিনা * সক্ষমতা অনুযায়ী প্রবৃদ্ধি অর্জিত হচ্ছে না, বর্তমান প্রবৃদ্ধি ৭.২৮ শতাংশ * অনিয়ম, প্রতারণা, জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তে ৭ হজ এজেন্সীকে মন্ত্রাণালয়ে তলব * গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে উচ্চশব্দে গান বাজানোর প্রতিবাদ করায় প্রতিবেশী বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা * পণ্যের গুণগতমান নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপতির আহবান * জেনে-বুঝে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করুন : অর্থমন্ত্রী * মার্কিন সিনেটে বাজেট বিল ব্যর্থ হওয়ায় সরকার কার্যক্রম অচল * পদ্মা সেতুর মূল কাজের অগ্রগতি ৫৬ শতাংশ * একবার রক্ত পরীক্ষায় শনাক্ত হবে সব ধরনের ক্যান্সার * চট্টগ্রামেও সক্রিয় একাধিক কিশোর গ্যাং * বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থা * ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা লড়াই আজ * বিশ্ব এজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু * রেলের টিকিটে যাত্রীর নাম লিখার সুপারিশ * আমার সাহস ও কাজ বিএনপির কাছে বড় সমস্যা * বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল * ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচন স্থগিত * আওয়ামী লীগ: ২০১৮'র বাস্তবতা বুঝতে পারছে কি? * সংসদীয় আসনপ্রতি ১০ মাধ্যমিক স্কুলের উন্নয়নসহ ১৮ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকার ১৪ প্রকপ্ল একনেকে অনুমোদন * রাষ্ট্রায়ত্ত ৮ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল * জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জননেত্রী শেখ হাসিনা * শেখ হাসিনা সরকারের প্রতি আস্থা কেন? * ২০১৮ সাল ॥ নির্বাচনের বছর * কাদের জন্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড? * ২৩ জানুয়ারী থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু * বিএনপি কেন বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচনে আসবে? * জয় দিয়ে বছর শুরু করল টাইগাররা *
     12,2017 Tuesday at 10:08:06 Share

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাশে থাকছে চীন ও ভারত

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাশে থাকছে চীন ও ভারত

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন ও ভারত। রাখাইনে গণহত্যা দ্রুত বন্ধ ও সংকট সমাধানে কোফি আনান কমিশন বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বিদেশী কূটনীতিকদের ব্রিফিং এই সহযোগিতা চাওয়া হয়। এদিকে আগামীকাল বুধবার রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখতে কক্সবাজার যাচ্ছেন বিদেশী কূটনীতিকরা।


রোহিঙ্গা পরিস্থিতি তুলে ধরতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণ এশিয়া ও আসিয়ান দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে ব্রিফিং করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী তাদের ব্রিফিং করেন। এসময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক উপস্থিত ছিলেন।


ব্রিফিং শেষে সচিব এম শহীদুল হক সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, চীন ও ভারত আমাদের ভাতৃপ্রতিম দেশ। এই দুঃখকালীন, কষ্টকালীন সময়েও তারা আমাদের পাশে থাকবে, আগে যেভাবে থেকেছে।


বিদেশী কূটনীতিকদের ব্রিফিংয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব জানান, মিয়ানমারের রাখাইন থেকে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। এরপর থেকে যে মানবিক বিপর্যয়ের উদ্ভব হয়েছে, সে বিষয়ে তাদের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী। আমরা রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কোফি আনান কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চেয়েছি। আমরা তাদেরকে পূর্ণাঙ্গভাবে এই কমিশনের প্রতিবেদন দ্রুত ও শর্তহীন বাস্তবায়নে সহযোগিতা চেয়েছি।


এক প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বিদেশী কূটনীতিকদের আমরা বলেছি, ওখানে যে কনফ্লিক্ট হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার চলছে, এটা দ্রুত বন্ধ করতে হবে। যেন রোহিঙ্গাদের আসা বন্ধ হয়। কোফি আনান কমিশনে যেটা আছে, সে অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের ভেরিকেশন করে তাদের জাতীয় পরিচিয় নিশ্চিত করার কথাও আমরা বলেছি।


বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের পক্ষ থেকে কি ধরণের সাড়া পাওয়া গেছে, জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এখানে যারা এসেছেন, তারা সকলেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সকলেই বাংলাদেশের পাশে থাকবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এছাড়া রোহিঙ্গারা যারা এখানে আছেন, তাদের সহযোগিতা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।


মিয়ানমারের পক্ষ থেকে কি ধরণের সাড়া পাওয়া গেছে জানতে চাইলে, পররাষ্ট্র সচিব বলেন, মিয়ানমার থেকে এখনো কোনো সাড়া মেলেনি।


ব্রিফিংয়ে ঢাকার মিয়ানমার মিশনের কোনো প্রতিনিধি ছিলেন কি-না জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব জানান, ঢাকার মিয়ানমার মিশনকে ব্রিফিংয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। সে কারণে দেশটির কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না।


কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশ ৪ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার ভার বহন করে চলেছে সম্প্রতি আরও তিন লাখের মতো রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগের রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে আহ্বান জানিয়ে আসা হলেও তাতে কোনো সাড়া দেয়নি মিয়ানমার।


নতুন করে রোহিঙ্গা স্রোত আসার পর বাংলাদেশ মিয়ানমারের মধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি ‘সেফ জোন’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাস দমনে সীমান্তে যৌথ অভিযান চালাতেও মিয়ানমারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।


এদিকে বাংলাদেশে আসা রোহঙ্গাদের ত্রাণ সহায়তার জন্য বেশ কয়েকটি দেশ ত্রাণসামগ্রী পাঠাচ্ছে। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, আজারবাইজান, তুরস্ক, মালয়েশিয়া ইত্যাদি।

User Comments

  • জাতীয়