২১ জানুয়ারি ২০১৮ ২০:৪০:৩৩
logo
logo banner
HeadLine
অ্যাজমা বা হাঁপানি : কেন হয়? লক্ষন ও চিকিৎসা * শেষ হল ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা * নব্য সুশীলদের অযাচিত বিরোধিতা বনাম উন্নয়নের রাজনীতি * স্বপ্ন পূরণ করেন শেখ হাসিনা * সক্ষমতা অনুযায়ী প্রবৃদ্ধি অর্জিত হচ্ছে না, বর্তমান প্রবৃদ্ধি ৭.২৮ শতাংশ * অনিয়ম, প্রতারণা, জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তে ৭ হজ এজেন্সীকে মন্ত্রাণালয়ে তলব * গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে উচ্চশব্দে গান বাজানোর প্রতিবাদ করায় প্রতিবেশী বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা * পণ্যের গুণগতমান নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপতির আহবান * জেনে-বুঝে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করুন : অর্থমন্ত্রী * মার্কিন সিনেটে বাজেট বিল ব্যর্থ হওয়ায় সরকার কার্যক্রম অচল * পদ্মা সেতুর মূল কাজের অগ্রগতি ৫৬ শতাংশ * একবার রক্ত পরীক্ষায় শনাক্ত হবে সব ধরনের ক্যান্সার * চট্টগ্রামেও সক্রিয় একাধিক কিশোর গ্যাং * বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থা * ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা লড়াই আজ * বিশ্ব এজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু * রেলের টিকিটে যাত্রীর নাম লিখার সুপারিশ * আমার সাহস ও কাজ বিএনপির কাছে বড় সমস্যা * বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল * ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচন স্থগিত * আওয়ামী লীগ: ২০১৮'র বাস্তবতা বুঝতে পারছে কি? * সংসদীয় আসনপ্রতি ১০ মাধ্যমিক স্কুলের উন্নয়নসহ ১৮ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকার ১৪ প্রকপ্ল একনেকে অনুমোদন * রাষ্ট্রায়ত্ত ৮ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল * জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জননেত্রী শেখ হাসিনা * শেখ হাসিনা সরকারের প্রতি আস্থা কেন? * ২০১৮ সাল ॥ নির্বাচনের বছর * কাদের জন্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড? * ২৩ জানুয়ারী থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু * বিএনপি কেন বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচনে আসবে? * জয় দিয়ে বছর শুরু করল টাইগাররা *
     27,2017 Wednesday at 19:53:03 Share

ভার্চুয়াল মুদ্রা বিটকয়েন, লেনদেন না করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতা জারি

ভার্চুয়াল মুদ্রা বিটকয়েন, লেনদেন না করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতা জারি

বিটকয়েনের ব্যবহার নিয়ে অর্থনীতিবিদ ও গবেষকদের তীব্র শঙ্কার মধ্যেই আজ বুধবার দেশে এর লেনদেন অবৈধ ঘোষণা করে এর কেনাবেচা নিয়ে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গবেষক ও বিশ্লেষকরা বলছেন, বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশে বিট কয়েন বৈধ করাটা যত না লাভজনক তারচেয়েও শঙ্কার। নজরদারি না থাকলে মাদক, জুয়া, অস্ত্র কেনা কিংবা জঙ্গি অর্থায়নের মতো কার্যকলাপেও এর ব্যবহার বিপজ্জনক করে তুলবে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে। এদিকে, কী কারণে বিটকয়েন নিয়ে এত আশঙ্কা আর এর কাজই বা কী তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে নানা কৌতূহল।


বিটকয়েন আসলে কী? সাধারণ মানুষের কাছে অস্পষ্ট হলেও লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্রমেই বাড়ছে এর ব্যবহার। প্রকৃতপক্ষে বিটকয়েন হচ্ছে একটি ভার্চুয়াল সাংকেতিক মুদ্রা। এটি লেনদেন হয় ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটোকলের মাধ্যমে। এর লেনদেনের জন্য কোনও আর্থিক প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যাংকের প্রয়োজন হয় না। যার ফলে একে নিয়ন্ত্রণ করার কোনও সংস্থাও পৃথিবীতে নেই। এটিকে যেমন অনেকেই সুবিধা বলে বিবেচনা করে থাকেন, তেমনই এটিই এই মুদ্রা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সংশয়।
ইন্টারনেট ঘেঁটে জানা গেছে, বিটকয়েনের চাহিদা এবং মূল্য লাগামহীনভাবে বাড়ছে। ২০১৬ সালের মার্চ মাসে ডলারের বিপরীতে ১টি কয়েনের বিনিময় মূল্য ৪১৯.৭৫ ডলার থাকলেও এ সপ্তাহে এর বিনিময় মূল্য ছিল ১৪৩১৭.৮৬ ডলার। প্রায় প্রতিদিনই এর দাম বাড়ছে। দেড় বছরে দাম বেড়েছে প্রায় চারগুণ। বাংলাদেশি টাকায় একটি বিটকয়েনের দাম এখন প্রায় ১২ লাখ টাকা। অস্বাভাবিক হারে এই বিনিময় মূল্য বাড়ার কোনও কারণ জানা নেই খোদ ব্যবহারকারীদেরও। তারপরও একটি গোষ্ঠী দিন দিন ঝুঁকছে এই ভার্চুয়াল মুদ্রা বিনিময়ের পেছনে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মুদ্রা ব্যবস্থার সবচেয়ে খারাপ দিক হলো পরিচয় গোপন রেখে লেনদেন করার সুবিধা। এক জায়গা থেকে বিটকয়েনের মাধ্যমে হিসাব কোথায় যাচ্ছে এবং কার কাছে যাচ্ছে সেটা তদারকি কিংবা সন্ধান করার কোনও সুযোগ নেই। তবে ব্যবহারকারীর টাকা হারিয়েও যায় না। বিট কয়েনে লেনদেন করে নগদ উত্তোলনের জন্য এটিএম বুথও রয়েছে।
বিটকয়েন নিয়ে এখনই আরও গবেষণা ও আলোচনা শুরু করা দরকার বলে মনে করেন সরকারি প্রতিষ্ঠান বিআইডিএসের রিসার্চ ফেলো এবং অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ। তিনি বলেন, সত্যি বলতে কী বিটকয়েন সম্পর্কে ধারণা অনেকেরই নেই বললেই চলে। ক্রিপ্টোকারেন্সির বিষয়টি জটিল। আমরা যারা অর্থনীতি বিষয়ে কাজ করি তাদেরও এ বিষয়ে ধারণা খুব অল্প। এমনকি ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে অন্য দেশের পলিসিগুলো কী তাও সঠিক আমাদের জানা নেই।
তিনি মনে করেন, বিট কয়েনকে বৈধ করা হলে নিজেদেরই ক্ষতি হবে বেশি। কারণ রেমিটেন্সের যে বিশাল অংকটা কেন্দ্রীয় ব্যাংক হয়ে আসে তা হাতছাড়া হয়ে যাবে।
অন্যদিকে,সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক এবং তথ্য প্রযুক্তিবিদ তানভির হাসান জোহা মনে করেন,বাংলাদেশে বিট কয়েন নিয়ে উৎকণ্ঠা হওয়ার কিছু এই মুহূর্তে নেই। কারণ,এই মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ করার কোনও প্রতিষ্ঠান নেই। এটার দাম এক সময় পড়ে যাবে। তবে ডিপ ওয়েবে আর ডার্ক ওয়েবে অনেক কিছু হয় উল্লেখ করে তিনিও বলেন, জঙ্গি অর্থায়ন থেকে শুরু করে, মাদক ব্যবসা, অস্ত্র কেনা বেচা সবকিছুই হয়। জঙ্গি অর্থায়নের মধ্যে কিছু ভাগ আছে যেমন আন্ডারগ্রাউন্ডে বিট কয়েন দিয়ে লেনদেন হতে পারে। ধর্মভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠীর যে ফান্ডিং হয় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তা সম্পূর্ণ মোবাইল ব্যাংকিং এবং ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন মানি ট্রান্সফার নির্ভর। তবে বিট কয়েন নজরদারি প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। শুধু বাংলাদেশে নয় আন্তর্জাতিকভাবে এটা পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রায় সবগুলোই এটি নিয়ে কাজ করছেন। ইতিমধ্যে একটা নীতিমালা প্রণয়নের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। তবে এটি কার্যকর করাটাই চ্যালেঞ্জ।

User Comments

  • বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি