২১ জানুয়ারি ২০১৮ ২০:৪১:৫২
logo
logo banner
HeadLine
অ্যাজমা বা হাঁপানি : কেন হয়? লক্ষন ও চিকিৎসা * শেষ হল ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা * নব্য সুশীলদের অযাচিত বিরোধিতা বনাম উন্নয়নের রাজনীতি * স্বপ্ন পূরণ করেন শেখ হাসিনা * সক্ষমতা অনুযায়ী প্রবৃদ্ধি অর্জিত হচ্ছে না, বর্তমান প্রবৃদ্ধি ৭.২৮ শতাংশ * অনিয়ম, প্রতারণা, জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তে ৭ হজ এজেন্সীকে মন্ত্রাণালয়ে তলব * গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে উচ্চশব্দে গান বাজানোর প্রতিবাদ করায় প্রতিবেশী বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা * পণ্যের গুণগতমান নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপতির আহবান * জেনে-বুঝে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করুন : অর্থমন্ত্রী * মার্কিন সিনেটে বাজেট বিল ব্যর্থ হওয়ায় সরকার কার্যক্রম অচল * পদ্মা সেতুর মূল কাজের অগ্রগতি ৫৬ শতাংশ * একবার রক্ত পরীক্ষায় শনাক্ত হবে সব ধরনের ক্যান্সার * চট্টগ্রামেও সক্রিয় একাধিক কিশোর গ্যাং * বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থা * ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা লড়াই আজ * বিশ্ব এজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু * রেলের টিকিটে যাত্রীর নাম লিখার সুপারিশ * আমার সাহস ও কাজ বিএনপির কাছে বড় সমস্যা * বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল * ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচন স্থগিত * আওয়ামী লীগ: ২০১৮'র বাস্তবতা বুঝতে পারছে কি? * সংসদীয় আসনপ্রতি ১০ মাধ্যমিক স্কুলের উন্নয়নসহ ১৮ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকার ১৪ প্রকপ্ল একনেকে অনুমোদন * রাষ্ট্রায়ত্ত ৮ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল * জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জননেত্রী শেখ হাসিনা * শেখ হাসিনা সরকারের প্রতি আস্থা কেন? * ২০১৮ সাল ॥ নির্বাচনের বছর * কাদের জন্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড? * ২৩ জানুয়ারী থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু * বিএনপি কেন বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচনে আসবে? * জয় দিয়ে বছর শুরু করল টাইগাররা *
     09,2018 Tuesday at 20:53:04 Share

আরসার হামলা সাজানো নাটক!

আরসার হামলা সাজানো নাটক!

মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর গাড়িতে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) হামলাকে সাজানো ঘটনা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, যখনই রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের বিষয়টি সামনে আসে, তখনই  মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।


মিয়ানমার সরকারের দাবি, গত শুক্রবার হাতে তৈরি বোমা ও অস্ত্র নিয়ে ২০ জন ‘চরমপন্থী বাঙালি সন্ত্রাসী’ সামরিক বাহিনীর একটি গাড়ির ওপরে হামলা চালিয়েছে। ওই গাড়িতে করে একব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। হামলায় তিন জন আহত হয়।


এদিকে, মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দ্য আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)। রবিবার (৭ জানুয়ারি) এক টুইট বার্তায় রাখাইনে একটি সামরিক ট্রাকে চালানো হামলার দায়ও স্বীকার করে সংগঠনটি। রোহিঙ্গাদের রক্ষায় মিয়ানমার সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় অব্যাহত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বিকল্প নেই বলেও এই বার্তায় উল্লেখ করা হয়। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিয়ানমারে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত অনুপ কুমার চাকমা বলেন, ‘‘রোহিঙ্গাদের রাখাইনে প্রত্যাবাসনের জন্য আগামী ১৫ জানুয়ারি ‘ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ চূড়ান্ত হওয়ার কথা। এর ঠিক ১০ দিন আগে আরসা এই হামলা কেন চালালো। ’’


অনুপ কুমার চাকমা  বলেন, ‘গত ২৪ আগস্ট কফি আনান কমিশন তাদের রিপোর্ট প্রদান করে, যেখানে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের বিষয়টি উল্লেখ ছিল। এর ঠিক একদিন পরে আরসা মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর ওপরে হামলার করলে, এই অজুহাতে রোহিঙ্গা জাতির ওপর নিপীড়ন শুরু হয়।’


তিনি বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্নে আরসার কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। তারা যেটাই করে, সেটি মুসলিম রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের স্বার্থের বিরুদ্ধে যাচ্ছে এবং রোহিঙ্গারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এটি খুঁজে বের করা দরকার যে, আরসা কাদের হয়ে কাজ করছে। কারণ, বেশির ভাগ রোহিঙ্গাই তাদের সমর্থন  করে না।’


এ বিষয়ে মিয়ানমারে বাংলাদেশের সাবেক ডিফেন্স অ্যাটাশে মোহাম্মাদ শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘মিয়ানমার বাহিনী দাবি করছে যে, তাদের ওপরে আরসা আক্রমণ করেছে। কিন্তু এটি নিরপেক্ষভাবে যাচাই-বাছাই করার কোনও উপায় নেই।’


তিনি বলেন, ‘এই আক্রমণ আরসা করেছে কিনা সেটি বিবেচনায় না নিয়েও বলা যায়, তাদের কার্যক্রম রোহিঙ্গাদের সহায়তা না করে বরং মিয়ানমার সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করছে।’


শহীদুল ইসলাম আরও বলেন,‘রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর অভিযান শুরু হবার আগে, তারা দুই ডিভিশন সৈন্য রাখাইনে মোতায়েন করেছিল। আগে থেকে পরিকল্পনা ছাড়া বর্ষাকালে যেভাবে রোহিঙ্গাদের গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, সেটি করা প্রায় অসম্ভব। কারণ, রাখাইনে পেট্রোল বা ডিজেল সহজলভ্য নয়।’


আরসা হামলা করেছে বলে মিয়ানমার সরকারের দাবিকে সাজানো নাটক অভিহিত করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন সাবেক কূটনীতিক বলেন, ‘যখনই রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের বিষয়টি সামনে আসে, তখনই মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।’


উল্লেখ্য, ২৫ আগস্ট মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর আক্রমণ শুরু হলে সাড়ে ছয় লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এর আগে থেকে আরও  চার লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছে। খবরঃ বাংলাট্রিবিউন।

User Comments

  • আন্তর্জাতিক