১৭ জুলাই ২০১৮ ১১:৪১:৪৮
logo
logo banner
HeadLine
মুক্তিযুদ্ধপন্থী জোটকে কেন ভোট দিতে হবে? * 'জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা, ২০১৮' এর খসড়া মন্ত্রীসভায় অনুমোদন * জেল ও জরিমানার বিধান রেখে 'মানসিক স্বাস্থ্য আইন'- ২০১৮ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা * ১২.৬ বিলিয়ন ডলারের ৪৭ প্রকল্প পিপিপি'তে অনুমোদন * সমুদ্রবন্দরসমূহে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত * সন্দ্বীপে অগ্নিকান্ডে দোকান পুড়ে ছাই * রাশিয়া বিশ্বকাপ : পুরস্কার জিতলেন যারা * ক্রোয়েশিয়ার স্বপ্ন ভেংগে বিশ্বকাপ জিতে নিল ফ্রান্স * মহা টুর্ণামেন্টের মহা ফাইনাল আজ * টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের নারীরা * হজ ফ্লাইট শুরু * রাশিয়া বিশ্বকাপে বেলজিয়াম তৃতীয় * 'বিদ্যুৎ উৎপাদনে মহাপরিকল্পনার অংশই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ' - প্রধাণমন্ত্রী * বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে নৌযানগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ থাকবে * তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ইংল্যান্ড-বেলজিয়াম ম্যাচ আজ * ভারতীয় ভিসায় ই-টোকেন থাকছে না * মাদক ব্যবসায়ী ও অর্থ লগ্নিকারীর মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন হচ্ছে - সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী * আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশির প্রথম স্বর্ণপদক জয় * সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ * শেষ হলো ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন * কেবল ভিসির বাসভবনে হামলাকারীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, হাইকোর্টের রায়ের কারণে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল সম্ভব নয়: সংসদে প্রধানমন্ত্রী * স্বাধীনতা : নানান বিভাজনে * মুক্তিযোদ্ধাদের ৩০ ভাগ কোটায় হাত দিতে হলে সরকারকে আগে রিভিউ করে আদালতের রায় পক্ষে নিতে হবে - আকম মোজাম্মেল হক * আমরা চাই দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকুক : সংসদে প্রধানমন্ত্রী * ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া * ইসলাম পবিত্র ধর্ম, শান্তির ধর্ম, এই ধর্মকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অধিকার কারও নেই- শেখ হাসিনা * কাকে রেখে কাকে বাঁচাবে বিএনপি? * রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে জুভেন্টাসে যোগ দিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো * ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ এর ফাইনালে ফ্রান্স * অক্টোবরের শেষ দিকে সংসদ নির্বাচনের তফসিল *
     11,2018 Thursday at 10:13:51 Share

কাল থেকে টঙ্গীতে শুরু হচ্ছে বিশ্ব এজতেমার প্রথম পর্ব

কাল থেকে টঙ্গীতে শুরু হচ্ছে বিশ্ব এজতেমার প্রথম পর্ব

কাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে তাবলীগ জামাতের প্রথম পর্বের ৩ দিনব্যাপী বিশ্ব এজতেমা। আ’ম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হবে তবলীগ জামাতের এ এজতেমা। বিশ্ব এজতেমা ময়দানে বুধবার থেকে মুসল্লীরা দলে দলে আসতে শুরু করেছেন। রবিবার আখেরী মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে প্রথম পর্বের বিশ্ব এজতেমা। চারদিন বিরতি দিয়ে দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে ১৯ জানুয়ারি শুক্রবার থেকে। ২১ জানুয়ারি রবিবার আখেরী মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে দ্বিতীয় পর্বের সমাপ্তির মাধ্যমে ২০১৮ সালের বিশ্ব এজতেমা শেষ হবে। টঙ্গীর এই বিশ্ব এজতেমা ময়দানে এটি হবে ৫৩তম বিশ্ব এজতেমা। মুসল্লীরা চাপ কমাতে ২০১১ সাল থেকে দুই পর্বে বিশ্ব এজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ৪ভাগে ভাগ করে প্রথম পর্বে ১৬ জেলা, দ্বিতীয় পর্বে ১৬ জেলার মুসল্লীরা অংশগ্রহণ করবেন।


দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ দেশ বিদেশের লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ তবলীগ অনুসারী মুসল্লী বিশ্ব এজতেমায় অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এজতেমার মুসল্লীদের নিরাপত্তায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে র্যাব, পুলিশ, আনসার ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা সংস্থার সদসদের নিয়ে।


স্বাধীনতার পর মহান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টঙ্গীর বিভিন্ন মৌজায় বিশ্ব এজতেমার জন্য ১৬০ একর ভূমি এজতেমার জন্য বরাদ্দ দেন। বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এজতেমাস্থলের ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশে এজতেমাস্থলের ব্যাপক উন্নয়নে রাস্তা-ঘাট, অসমতল ভূমি সমতল করা, পাকা পায়খানা, পাকা গোসলখানা, ওযুখানা, বিদেশী মুসল্লীদের জন্য প্রয়:প্রণালী, রান্না-বান্না, থাকার জন্য স্থায়ী পাকা টিনসেড ঘর নির্মাণ, এজতেমা সড়ক নির্মাণ, ড্রেন-কালভার্ট নির্মাণ ও অন্যান্য উন্নয়নের কাজ সমাপ্ত করান। গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব এড. আ.ক.ম মোজাম্মেল হক এমপি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান বিশ্ব এজতেমার দেখভালোর সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করছেন। তারা জানান, বিশ্ব এজতেমায় আগত মুসল্লীদের সেবায় সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান নানা ধরনের সেবা প্রদানের মাধ্যমে প্রতিবছরের ন্যায় এবারো সকল ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মুসল্লীদের স্বাস্থ্যসেবার জন্য নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। মুসল্লীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বাংলাদেশ রেলওয়ে ও বিআরটিসি স্পেশাল বাস সার্ভিস চালু করেছে দ্বিতীয় পর্বের বিশ্ব এজতেমার শেষ দিন পর্যন্ত। টঙ্গী রেলস্টেশনে প্রতিটি ট্রেন ২ মিনিট করে যাত্রা বিরতি করবে। এছাড়া রাস্তায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।


ইতিমধ্যে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড এর সদস্যরা তুরাগ নদীর ওপর ৭টি স্থানে ভাসমান সেতু নির্মানের কাজ সমাপ্ত করেছে। এবছর ২০১৮ সালের ৫৩তম এবার প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে এজতেমায় অংশ নেবেন ৩২টি জেলার মুসল্লীরা। জেলাগুলো হচ্ছে-ঢাকা, শেরপুর, নারায়ণগঞ্জ, নীলফামারী, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, গাইবান্ধা, লক্ষ্মীপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম, নড়াইল, মাদারীপুর, ভোলা, মাগুরা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পঞ্চগড়, ঝিনাইদহ, জামালপুর, ফরিদপুর, নেত্রকোনা, নরসিংদী, কুমিল্লা, কুড়িগ্রাম, রাজশাহী, ফেনী, ঠাকুরগাঁও, সুনামগঞ্জ, বগুড়া, খুলনা, চুয়াডাঙ্গা এবং পিরোজপুর।


এজতেমা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচী নিয়েছে। এবারও ৮ স্তরের র্যাব-পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে পুরো এজতেমা ময়দান ও আশপাশের এলাকা। ইজতেমায় আগত মুসল্লীদের চিকিৎসা সেবায় ১৪টি অ্যাম্বুলেন্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। মুসলী­দের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক চিকিৎসক ও ওষুধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এজতেমা ময়দানের পশ্চিমে তুরাগ নদীর ওপর ৭টি পন্টুন ব্রিজ তৈরি করবে সেনাবাহিনী, ইজতেমায় আগতদের তিন স্তরে নিরাপত্তা দেবে র্যাব। এ ছাড়া মোটরসাইকেল টহল, নৌ টহল ও হেলিকপ্টারে টহলে থাকবে র্যাব সদস্যরা। বিপুল সংখ্যক র্যাব ও আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য সাদা পোশাকে পুরো ইজতেমা ময়দানে অবস্থান করবেন। র্যাবের ৯টি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে এজতেমা ময়দানকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।


এজতেমার মোনাজাতের দিন ১১৫টি ট্রেন যাত্রাবিরতি করবে টঙ্গী স্টেশনে। মুসল্লীর জন্য ওজু, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, অতিরিক্ত টিকিট কাউন্টার ও ভ্রাম্যমাণ টিকিট বিক্রি করা হবে। বিআরটিসির ৩৫০টি বাস মুসলী­দের যাতায়াতের জন্য প্রস্তুত থাকবে। এ ছাড়া বিদেশি মেহমানদের কাকরাইল মসজিদ এবং বিমানবন্দর থেকে ইজতেমা ময়দানে আনার জন্য পর্যাপ্ত এসি বাস বরাদ্দ থাকবে। ইজতেমা ময়দানের বিদেশি নিবাসে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এবার নতুন একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হবে।


এজতেমার আগের দিন থেকে ইজতেমা শেষ হওয়ার পর দিন পর্যন্ত পুলিশ মুসল্লিদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে। ৫ স্তরের নিরাপত্তা পার হয়ে ইজতেমা ময়দানে প্রবেশ করতে হবে সবাইকে। এ ছাড়া এজতেমা শুরুর আগে ২০টি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এজতেমা ময়দানের আশপাশে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ, বিলবোর্ড ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা হবে। যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশ সার্বক্ষণিক কাজ করবে। এছাড়াও বিশুদ্ধ খাবার নিশ্চিত, বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস, চিকিৎসাসেবা বাস্তবায়ন এবং সার্বিক আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও পুলিশসহ বিভিন্ন দপ্তরের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।


গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা যায়, এজতেমা মাঠে স্থাপিত ১২টি উৎপাদন নলকুপের মাধ্যমে প্রতিদিন সাড়ে তিন কোটি লিটারেরও বেশি বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের সকল পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ওযু-গোসলের হাউজ ও টয়লেটসহ প্রয়োজনী স্থানে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। এ ছাড়াও পাকা দালানে প্রায় ৬ হাজারের মতো টয়লেট ইউনিট রয়েছে। এদের মধ্যে নষ্ট ও ক্ষতিগ্রস্ত ওযু গোসলখানা এবং টয়লেটগুলো ইতোমধ্যে সংস্কার করা হয়েছে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসন, র্যাব, পুলিশ, আনসার ভিডিপিসহ আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য ৫টি কন্টোল রুম এবং র্যাব ও পুলিশের জন্য ১৪টি ওয়াচ টাওয়ার নির্মান, ২০টি ফগার মেশিন দিয়ে এজতেমা ময়দানে মশক নিধন, এজতেমা চলাকালিন সময়ে ২০টি ট্রাকের মাধ্যমে রাত দিন বর্জ্য অপসারন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা, এজতেমা চলাকালিন রাতদিন ২৪ঘন্টা সিটিকর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ সেবা কার্যক্রম, এজতেমা ময়দানে বিনা মূলে ৫৪টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র মুসল্লীদের চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত থাকবে।


ডেসকো’ কর্তৃপক্ষ জানান, এজতেমা এলাকায় সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহের সকল প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। উত্তরা, টঙ্গী সুপার গ্রীড ও টঙ্গী নিউ গ্রীডকে মূল ১৩২ কেভি সোর্স হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। যে কোন একটি গ্রীড নষ্ট হলেও সামগ্রিক বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হবে না। ইজতেমা এলাকায় ৪টি ষ্ট্যান্ডবাই জেনারেটর এবং ৫টি ট্রলি-মাউন্টেড ট্রান্সফরমারও সংরক্ষণ করা হয়েছে।


ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানান, এজতেমাস্থলে তাদের একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে সার্বক্ষণিক কর্মকর্তাসহ ফায়ারম্যানরা অবস্থান করবেন। ময়দানের প্রতি খিত্তায় ফায়ার ডিস্টিংগুইসারসহ ফায়ারম্যান, গুদাম ঘর ও বিদেশি মেহমান খানা এলাকায় ৩টি পানিবাহী গাড়ি, ৩সদস্যের ডুবুরী ইউনিট, ১টি স্ট্যান্ডবাই লাইটিং ইউনিট এবং ৫টি অ্যাম্বুলেন্স থাকবে। সূত্র আরো জানায়, এজতেমা মাঠ ও আশপাশের রাস্তা-ঘাট ধূলামুক্ত করতে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন সার্বক্ষণিক পানি ছিটানোর ব্যবস্থা হাতে নিয়েছে।


টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার জানান, নিয়মিত শয্যা ছাড়াও অতিরিক্ত শয্যা বাড়িয়ে মুসল্লীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ মেডিক্যাল অফিসারদের তালিকা ও ডিউটি রোস্টার করে চিকিৎসকদের সার্বক্ষনিক স্বাস্থ্য সেবা করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মুসল¬ীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিতে মন্নু গেইট, এটলাস গেইট, বাটা কারাখানার গেইট ও টঙ্গী হাসপাতালমাঠসহ ৬টি অস্থায়ী মেডিক্যাল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এখানে হৃদরোগ, অ্যাজমা, ট্রমা, বার্ণ, চক্ষু এবং ওআরটি কর্ণারসহ বিভিন্ন ইউনিটে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ চিকিৎসা দেবেন। রোগীদের হাসপাতালে নেয়ার জন্য সার্বক্ষণিক ১৪টি অ্যাম্বুলেন্স এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। টঙ্গী ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি এম এ লতিফ জানান, তাদের সমিতির মাধ্যমে মুসল্লীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণের কর্মসূচী হাতে নিয়েছে।


এজতেমা মাঠের দায়িত্বে নিয়োজিত মুরব্বী গিয়াসউদ্দিন জানান,তাবলীগ জামাতের উদ্যোগে প্রতিবছর এ ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। এজতেমায় দেশি মুসল্লী ছাড়াও ইউরোপ, আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের প্রায় সব মুসলিম দেশ থেকেই তাবলীগ জামাতের মুসল্লীরা অংশ নিয়ে থাকেন। প্রতিবারের মতো এজতেমা মাঠের উত্তর-পশ্চিমাংশে বিদেশি মেহমানদের জন্য বিশেষ ভাবে টিনের ছাউনির মাধ্যমে পৃথক কামরা তৈরি করা হয়েছে।


গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, এজতেমা ময়দানে মুসল্লীদের নিরাপত্তায় সার্বিক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। বুধবার থেকে ৭ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য ২৪ঘন্টা মুসল্লীদের নিরাপত্তাদানে নিয়োজিত থাকবে। এছাড়াও সাদা পোষাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার পর্যাপ্ত সদস্য নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত থাকবে।


এদিকে পন্টুন ব্রিজ নির্মাণ ও মুসুলি¬দের চলাচলের সুবিধার্থে কামারপাড়া ব্রিজ থেকে টঙ্গী ব্রিজ পর্যন্ত তুরাগ নদীর সকল ধরনের নৌ-যান চলাচল নোঙ্গর করা ১১ জানুয়ারি শুক্রবার থেকে এজতেমা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। প্রয়োজনে নৌ-যানগুলো টঙ্গী ব্রিজের পূর্ব পাশে এবং কামারপাড়া সেতুর উত্তর পাশে নোঙ্গর করতে পারবে। এজতেমা চলাকালে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন স্থানে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। চান্দনা চৌরাস্তা হয়ে আগত মুসল্লীদের বহনকারী যানবাহন পার্কিংয়ের জন্য মহাসড়ক পরিহার করে টঙ্গীর কাদেরিয়া টেক্সটাইল মিল কম্পাউন্ড, মেঘনা টেক্সটাইল মিলের পাশে রাস্তার উভয় পাশে শফিউদ্দিন সরকার একাডেমি মাঠ প্রাঙ্গন, ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজ মাঠ, চান্দনা চৌরাস্তা হাইস্কুল মাঠ, তেলিপাড়া ট্রাকস্ট্যান্ড এবং নরসিংদী-কালীগঞ্জ হয়ে আগত মুসল্লীদের বহনকারী যানবাহন টঙ্গীর কে-টু ও নেভী সিগারেট ফ্যাক্টরি সংলগ্ন খোলা স্থান ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। উল্লেখিত সড়ক পরিহার করার নির্দেশ দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। সুত্রঃ জনকন্ঠ।


 

User Comments

  • জাতীয়