২১ জানুয়ারি ২০১৮ ২০:৪২:১৬
logo
logo banner
HeadLine
অ্যাজমা বা হাঁপানি : কেন হয়? লক্ষন ও চিকিৎসা * শেষ হল ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা * নব্য সুশীলদের অযাচিত বিরোধিতা বনাম উন্নয়নের রাজনীতি * স্বপ্ন পূরণ করেন শেখ হাসিনা * সক্ষমতা অনুযায়ী প্রবৃদ্ধি অর্জিত হচ্ছে না, বর্তমান প্রবৃদ্ধি ৭.২৮ শতাংশ * অনিয়ম, প্রতারণা, জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তে ৭ হজ এজেন্সীকে মন্ত্রাণালয়ে তলব * গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে উচ্চশব্দে গান বাজানোর প্রতিবাদ করায় প্রতিবেশী বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা * পণ্যের গুণগতমান নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপতির আহবান * জেনে-বুঝে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করুন : অর্থমন্ত্রী * মার্কিন সিনেটে বাজেট বিল ব্যর্থ হওয়ায় সরকার কার্যক্রম অচল * পদ্মা সেতুর মূল কাজের অগ্রগতি ৫৬ শতাংশ * একবার রক্ত পরীক্ষায় শনাক্ত হবে সব ধরনের ক্যান্সার * চট্টগ্রামেও সক্রিয় একাধিক কিশোর গ্যাং * বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থা * ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা লড়াই আজ * বিশ্ব এজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু * রেলের টিকিটে যাত্রীর নাম লিখার সুপারিশ * আমার সাহস ও কাজ বিএনপির কাছে বড় সমস্যা * বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল * ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচন স্থগিত * আওয়ামী লীগ: ২০১৮'র বাস্তবতা বুঝতে পারছে কি? * সংসদীয় আসনপ্রতি ১০ মাধ্যমিক স্কুলের উন্নয়নসহ ১৮ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকার ১৪ প্রকপ্ল একনেকে অনুমোদন * রাষ্ট্রায়ত্ত ৮ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল * জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জননেত্রী শেখ হাসিনা * শেখ হাসিনা সরকারের প্রতি আস্থা কেন? * ২০১৮ সাল ॥ নির্বাচনের বছর * কাদের জন্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড? * ২৩ জানুয়ারী থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু * বিএনপি কেন বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচনে আসবে? * জয় দিয়ে বছর শুরু করল টাইগাররা *
     12,2018 Friday at 06:51:34 Share

বিশ্ব এজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হচ্ছে আজ

বিশ্ব এজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হচ্ছে আজ

তাবলিগ জামাতের বৃহত্তম সম্মেলন বিশ্ব এজতেমার প্রথম পর্ব গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে আজ শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে। তিন দিনব্যাপী এ ইজতেমার প্রথম পর্ব শুক্রবার বাদ ফজর আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হয়ে ১৪ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। চারদিন পর ১৯ জানুয়ারি শুরু হবে ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব এবং শেষ হবে ২১ জানুয়ারি।


ইজতেমা ময়দানে ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি মুসল্লিরা আসতে শুরু করেছেন। প্রয়োজনীয় মালপত্র সঙ্গে নিয়ে দলে দলে মুসল্লিরা ময়দানে এসে যার যার খিত্তা ও কামরায় অবস্থান নিতে শুরু করেছেন। ইজতেমায় মুসলিম জাতির সুখ, শান্তি, কল্যাণ, অগ্রগতি ও ঐক্য কামনা করে মোনাজাত করা হবে। এতে দেশ-বিদেশের প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ লোকের সমাগম ঘটবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে ইজতেমা আয়োজক কমিটি।


ইজতেমা উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘বিশ্ব ইজতেমা মুসলমান উম্মাহর ঐক্য, সংহতি, ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ়করণে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ইজতেমা ইসলামের সুমহান আদর্শ জানা, বোঝা ও আমলের পথ সুগম করে।’


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেছেন, ‘আমি আশা করি, এ মহান ধর্মীয় সমাবেশ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা রাখবে। দেশ ও বিশ্বের সর্বস্তরের মানুষ ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে।’ তিনি বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে দেশবাসী এবং বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।


ইজতেমার মুরুব্বি মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, টঙ্গীর তুরাগ তীরে এবারের বিশ্ব ইজতেমার দুই ধাপে অংশ নেবেন দেশের ৩২ জেলার মুসল্লি। প্রথম ধাপে অংশ নিচ্ছেন বিদেশি মুসল্লিসহ ১৬ জেলার মুসল্লিরা। তিনি জানান, ইতোমধ্যে প্যান্ডেল, মঞ্চ, মুসল্লিদের পারাপারে তুরাগ নদের ওপর ভাসমান সেতু, টয়লেট, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির সংযোগসহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।


গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র এম এ মান্নান বলেন, বিশ্ব ইজতেমার সার্বিক কার্যক্রম মনিটরিংয়ের জন্য গাজীপুর সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, র‌্যাব, আনসার ও ভিডিপি পাঁচটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করেছে। তিনি বলেন, বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের ওযু ও সুপেয় পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ইজতেমা মাঠে স্থাপিত ১৩টি গভীর নলকূপ দিয়ে ১৮ দশমিক ৫০ কিলোমিটার পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন তিন কোটি ৫৪ লাখ গ্যালন সুপেয় পানি সরববরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। ইজতেমা চলাকালে ২১টি গার্বেজ ট্রাক বর্জ্য অপসারণ করবে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেনেন্স) মেজর এ.কে.এম শাকিল নেওয়াজ বলেন, বিশ্ব ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, উদ্ধার, রোগী পরিবহন (অ্যাম্বুলেন্স), তুরাগ নদে দমকল বাহিনীর ডুবুরি টহলসহ বিভিন্ন ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।


মুসল্লিদের নিরাপত্তায় পুলিশের সাত হাজার সদস্য ও র‌্যাবের ২৫০ থেকে ৩০০ সদস্য মাঠে মোতায়েন থাকবে। এ বছর গতবারের চেয়ে প্রায় দেড় হাজার পুলিশ সদস্য ও পাঁচটি ওয়াচ টাওয়ার বেশি রয়েছে হয়েছে। এছাড়া, ৪১টি সিসি ক্যামেরা ইজতেমা মাঠের চারপাশে স্থাপন করা হয়েছে। ময়দানের প্রতিটি খিত্তায় ৬ জন করে সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। ওয়াচ টাওয়ার, সিসি ক্যামেরা, চেকপোস্ট, মেটাল ডিটেক্টর, নৌ টহল ও ভিডিও ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মনিটরিং করা হবে। ময়দানে পুলিশের পক্ষে থেকে ১৫টি ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে। মাঠজুড়ে থাকবে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশের কড়া নজরদারি।


প্রথম পর্বের ১৬ জেলা হচ্ছে ঢাকার একাংশসহ নারায়ণগঞ্জ, শেরপুর, নীলফামারী, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, গাইবান্ধা, লক্ষীপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম, নড়াইল, মাদারীপুর, ভোলা, মাগুরা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পঞ্চগড়, নেত্রকোনা, নরসিংদী ও বগুড়া। এ বছর ১৬০ একর এলাকা জুড়ে তৈরি করা হয়েছে চটের প্যান্ডেল। বিদেশি মেহমানদের জন্য তৈরি করা হয়েছে চার কামরা বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক নিবাস।


ইজতেমায় যাতায়াতের সুবিধার্থে সেনাবাহিনী তুরাগের ওপর সাতটি ভাসমান পল্টুন ব্রিজ তৈরি করেছে। ইজতেমায় মুসল্লিদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ৫০টি মেডিক্যাল টিম ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেবে। প্রস্তুত থাকবে ১৪টি অ্যাম্বুল্যান্স।

User Comments

  • জাতীয়