১৭ জুলাই ২০১৮ ১১:২৩:৩৮
logo
logo banner
HeadLine
মুক্তিযুদ্ধপন্থী জোটকে কেন ভোট দিতে হবে? * 'জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা, ২০১৮' এর খসড়া মন্ত্রীসভায় অনুমোদন * জেল ও জরিমানার বিধান রেখে 'মানসিক স্বাস্থ্য আইন'- ২০১৮ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা * ১২.৬ বিলিয়ন ডলারের ৪৭ প্রকল্প পিপিপি'তে অনুমোদন * সমুদ্রবন্দরসমূহে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত * সন্দ্বীপে অগ্নিকান্ডে দোকান পুড়ে ছাই * রাশিয়া বিশ্বকাপ : পুরস্কার জিতলেন যারা * ক্রোয়েশিয়ার স্বপ্ন ভেংগে বিশ্বকাপ জিতে নিল ফ্রান্স * মহা টুর্ণামেন্টের মহা ফাইনাল আজ * টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের নারীরা * হজ ফ্লাইট শুরু * রাশিয়া বিশ্বকাপে বেলজিয়াম তৃতীয় * 'বিদ্যুৎ উৎপাদনে মহাপরিকল্পনার অংশই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ' - প্রধাণমন্ত্রী * বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে নৌযানগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ থাকবে * তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ইংল্যান্ড-বেলজিয়াম ম্যাচ আজ * ভারতীয় ভিসায় ই-টোকেন থাকছে না * মাদক ব্যবসায়ী ও অর্থ লগ্নিকারীর মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন হচ্ছে - সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী * আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশির প্রথম স্বর্ণপদক জয় * সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ * শেষ হলো ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন * কেবল ভিসির বাসভবনে হামলাকারীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, হাইকোর্টের রায়ের কারণে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল সম্ভব নয়: সংসদে প্রধানমন্ত্রী * স্বাধীনতা : নানান বিভাজনে * মুক্তিযোদ্ধাদের ৩০ ভাগ কোটায় হাত দিতে হলে সরকারকে আগে রিভিউ করে আদালতের রায় পক্ষে নিতে হবে - আকম মোজাম্মেল হক * আমরা চাই দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকুক : সংসদে প্রধানমন্ত্রী * ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া * ইসলাম পবিত্র ধর্ম, শান্তির ধর্ম, এই ধর্মকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অধিকার কারও নেই- শেখ হাসিনা * কাকে রেখে কাকে বাঁচাবে বিএনপি? * রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে জুভেন্টাসে যোগ দিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো * ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ এর ফাইনালে ফ্রান্স * অক্টোবরের শেষ দিকে সংসদ নির্বাচনের তফসিল *
     16,2018 Monday at 20:01:57 Share

সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশবাসীকে জাতির পিতার অসাম্প্রদায়িক, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।’ ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস (১৭ এপ্রিল, মঙ্গলবার) উপলক্ষে সোমবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত ৯ বছরে দেশের কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান, দারিদ্র্যমোচন, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বৈদেশিক সম্পর্ক, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে।’তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ২০২১ সালের আগেই আমরা মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে।’


আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে ‘রোল মডেল’।  উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতোমধ্যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করেছে। এ স্বীকৃতি বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।’


মুজিবনগর দিবসের বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৭ এপ্রিল একটি অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দিন আহমেদকে প্রধানমন্ত্রী করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়।’ তিনি বলেন, ‘‘মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার শপথ গ্রহণ করে। পাশাপাশি এদিন স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুমোদন করা হয়। সেদিন থেকে এ স্থানটি ‘মুজিবনগর’ নামে পরিচিতি লাভ করে।’’


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের প্রচলিত আদালতে বিচার ও রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি দায়মুক্ত হয়েছে। জেলখানায় নিহত চার জাতীয় নেতা হত্যা মামলার বিচার সম্পন্ন করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘‘৭১-এর মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করা হচ্ছে। আমরা পাকিস্তানি বাহিনী ও তার দোসরদের নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ শুরুর দিন ২৫ মার্চকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করছি।’’


শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতাকে হত্যার পর দীর্ঘ ২১ বছর বাংলাদেশে কোনও গণতন্ত্র ছিল না। আইনের শাসন ও জনগণের অধিকার সামরিক স্বৈরাচারের বুটের তলায় পিষ্ট হয়। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা হয়। স্বাধীনতাবিরোধীদের রাষ্ট্রক্ষমতার অংশীদার করা হয়।’ তিনি বলেন, ‘জনগণের ভোটে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর দেশে আবারও গণতন্ত্র ফিরে আসে। মানুষ ফিরে পায় তাদের অধিকার। ১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শাসনকাল ছিল বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ।’


১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জাতির পিতা স্বাধীনতার ঘোষণা দেন উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা বলেন, ‘তার নির্দেশ অনুযায়ী মুক্তিকামী বাঙালি জাতি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ১৭ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও সরকার পরিচালনা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।’ তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পক্ষের রাজনৈতিক দলগুলো, সশস্ত্রবাহিনী, পুলিশ ও তদানীন্তন ইপিআরসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এই সরকার দীর্ঘ ৯ মাস দক্ষতার সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মিত্রশক্তির সহায়তায় চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। বিশ্বের বুকে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ ।’’


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার সাড়ে তিন বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করে। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বকে সমূলে ধ্বংস করার লক্ষ্যে আড়াই মাসের ব্যবধানে ৩ নভেম্বর জেলখানায় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী চার জাতীয় নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।’


ঐতিহাসিক এ দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ চার জাতীয় নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ নির্যাতিত মা-বোনকে। পাশপাশি সব মুক্তিযোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। সূত্র: বাসস


 

User Comments

  • আরো