১৭ নভেম্বর ২০১৮ ৯:২:৩১
logo
logo banner
HeadLine
সোমবারের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত, এক সপ্তাহের মধ্যে জোটের আসন ভাগাভাগি * অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছে ঐক্যফ্রন্ট * নভেম্বরের শেষে ঝেঁকে বসতে পারে শীত * কাল ১৪ দলের সভা * মনোনয়ন চূড়ান্ত করার মূল আলোচনা এখনো শুরু হয়নি, চলছে জরিপ রিপোর্ট বিশ্লেষন - ওবায়দুল কাদের * মুক্তি পেল 'হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল' ডকু চলচিত্র * সন্দ্বীপে জাতীয় গ্রীডের বিদ্যুৎ সঞ্চালন শুরু * দলীয় নেতা-কর্মীদের জন্য নির্বাচন উৎসব নয়, পরীক্ষা * সফরকারী জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ২য় টেস্ট জয়ে সিরিজে সমতা * 'ষড়যন্ত্র চলছে সবাই সতর্ক থাকুন, বিদ্রোহী হলে আজীবন বহিষ্কার' - মনোনয়ন প্রত্যাশীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী * বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় 'গাজা', ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত * এক আসনেই ৫২ মনোনয়ন,৭টিতে ১টি করে, আওয়ামীলীগের মোট ফরম বিক্রি ৪০২৩ * বংগবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে সন্দ্বীপের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা একত্র হয়ে ফরম জমা দিলেন * আওয়ামী লীগ মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাতকার কাল * ৭ দিন পেছালো নির্বাচন, ৩০ ডিসেম্বর ভোট * অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা সরকারের উদ্দেশ্য - প্রধানমন্ত্রী * আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম নেয়া ও জমা শেষ হচ্ছে আজ , ১৪ নভেম্বার সকালে সাক্ষাতকার * শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচনে সব দল ও জোট, স্বাগত জানালেন তিনি * সাকিবকে খেলা চালিয়ে যেতে বললেন প্রধানমন্ত্রী * ৬৮ শতাংশ তরুণ ভোটার শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট * মনোনয়ন না পেলে করণীয় নিয়ে অঙ্গীকার নিচ্ছে আওয়ামীলীগ,চলছে ফরম উৎসব, দুইদিনে ফরম কিনলেন ৩২০০ জন * ভোটে যাচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট : বিএনপিসহ বৈঠকে সিদ্ধান্ত, আজ দুপুরে প্রেসক্লাবে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা * আওয়ামী লীগ সংসদীয় বোর্ডের সভা আজ * নির্বাচনে যাচ্ছে বিএনপি, ঘোষণা আজকালের মধ্যেই * বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু * আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু আজ, সরগরম সভানেত্রীর কার্যালয় * নির্বাচন সামনে রেখে হার্ডলাইনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী , অস্থিতিশীল পরিস্থিতি মোকাবেলায় কঠোর ব্যবস্থা * সরকার শুধু রুটিনওয়ার্ক করতে পারবে , আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে ব্যবস্থা নেবে কমিশন * ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহন * চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগরের সাড়ে ৩ হাজার সন্ত্রাসী : বাঁশখালি ও সন্দ্বীপে রয়েছে অস্ত্র তৈরির একাধিক কারখানা , শীঘ্রই বিশেষ অভিযান *
     10,2018 Thursday at 19:20:40 Share

ভ্যাটের চালান না দিলে যা করবেন

ভ্যাটের চালান না দিলে যা করবেন

ক্রেতারা ঠিকই ভ্যাট দিয়ে দোকান থেকে পণ্য কিনছেন। কিন্তু রাষ্ট্রের কোষাগারে এর একটা বড় অংশই জমা পড়ছে না। ক্রেতাদের ভ্যাটের চালান জমা না দিয়ে কিছু অসৎ ব্যবসায়ী নানা কৌশলে ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছে। ফলে সরকারের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রাও পূরণ হচ্ছে না। এ কারণে নাগরিকদের ভ্যাট দেওয়ার পর আগে ভ্যাটের চালান সংগ্রহ করতে পরামর্শ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।


এ প্রসঙ্গে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট ঢাকা দক্ষিণের কমিশনার কাজী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভ্যাটযুক্ত পণ্য কেনার পর কোনও দোকানদার যদি ভ্যাটের চালান না দেয়, তাহলে ক্রেতা ইচ্ছে করলে ওই পণ্যের দাম না দিয়েও চলে আসতে পারেন। কারণ, আইন অনুযায়ী দোকানদার ক্রেতাকে চালান দিতে বাধ্য।’


তিনি বলেন, ‘কোনও হোটেল যদি চালান না দেয়, তাহলে খাবার খেয়ে আসবেন, কিন্তু টাকা দেবেন না। তবে কোনও প্রতিষ্ঠান যদি পণ্য বিক্রি করে গ্রাহককে ভ্যাট চালান না দেয়, তাহলে যেকোনও ভ্যাট অফিসে অভিযোগ দেওয়ার সুযোগ আছে।’


তিনি আরও বলেন, ‘এনবিআরের মেইল এড্রেসের মাধ্যমেও অভিযোগ দেওয়া যায়। আবার ফোন করেও অভিযোগ দেওয়া যায়। কেউ অভিযোগ দিলে আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিই। এছাড়া এনবিআরের মেইল এড্রেসের মাধ্যমেও অভিযোগ দেওয়ার সুযোগ আছে। চালান না দেওয়ার বিষয়ে ভ্যাট অফিসগুলোতে প্রতিদিনই অভিযোগ আসে। আমরা প্রত্যেকটি অভিযোগ আমলে নিয়ে ব্যবস্থা নিই।’


কাস্টমস এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাট কমিশনার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণ এই চার বিভাগ মিলে নিবন্ধনকৃত হোটেলের সংখ্যা ১০০০ ও রেস্টুরেন্টের সংখ্যা ৪ হাজার ১৮৭টি। নিবন্ধনের বাইরে রয়েছে আরও হাজারো হোটেল-রেস্টুরেন্ট।


সরেজমিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কিছু বড় হোটেল-রেস্টুরেন্ট বাদে অধিকাংশগুলোয় ইসিআর (ইলেকট্রনিক ক্যাশ রিডার)ব্যবহার করা হয় না। যদিও ইসিআর এ বিল নেওয়া বাধ্যতামূলক। ভ্যাট ফাঁকি দিতেই ইসিআর ব্যবহারে অনুৎসাহী ব্যবসায়ীরা।


ছোট ও মাঝারি রেস্তোরাঁগুলোয়ও ইসিআরে বিল নেওয়া হয় না। অধিকাংশ দোকানে তাদের নিজস্ব প্যাডে বিল কাটা হচ্ছে। যেখানে কোনও ভ্যাট নেওয়া হয় না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী জানান, বছরের কিছু নির্দিষ্ট সময়ে তাদের বিক্রিতে মন্দাভাব থাকে। এছাড়া, রাজনৈতিক হয়রানি, চাঁদাবাজিসহ নানা সমস্যার মধ্য দিয়ে ব্যবসা করতে হয়। পুলিশকে খুশি করা, দলীয় নেতাকর্মী, রাজস্ব কর্মকর্তা, এমনকি ক্রেতার গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের চাঁদা দিতে হয়। আর দোকানে আসা ক্রেতারা সবসময় ভ্যাট দিতে রাজিও হন না। আবার যেসব প্রতিষ্ঠানে ভ্যাট নেওয়া হয় তারা জানান, ব্যবসায় বিনিয়োগের সব খরচ মিটিয়ে ভ্যাটের পুরো টাকা জোগাড় করা সম্ভব হয় না।


রাজধানীর বেশক’জন হোটেল, রেস্তোরাঁ মালিক জানান, যদি হয়রানি, চাঁদাবাজি বন্ধ করা যায় তবে ভ্যাটের পুরো টাকাই সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া সম্ভব।


এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘সারাদেশে ২৫ লাখ দোকান আছে। এরমধ্যে ঢাকায় রয়েছে সাড়ে ৩ লাখেরও বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ইসিআর মেশিন ব্যবহার করে এক হাজার দোকান।’


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে ভ্যাট দেন মাত্র ৬০ হাজার দোকান মালিক। বাকি  দোকানিরা কৌশলে ভ্যাট ফাঁকি দেন। এই ভ্যাট ফাঁকি বন্ধে সারাদেশের সব দোকানে ইসিআর ও পিওএস মেশিন স্থাপনের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। দোকান মালিকদের, তাদের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে ইসিআর মেশিন স্থাপন নিশ্চিত করতে বলেছে এনবিআর।


মূসক নিরীক্ষা গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক এএফএম আবদুল্লাহ খান বলেন, ‘যদি কোনও পণ্য কেনেন, তাহলে তারা চালান দিতে বাধ্য। কোনও প্রতিষ্ঠান চালান দিতে না চাইলে জোর করে নেবেন। তারপরও কেউ না দিলে এনবিআরে অভিযোগ করতে পারেন। রাজধানীর চারটি কমিশনারেট অফিস আছে। যে দোকান যে এলাকার মধ্যে পড়বে, সে ওই এলাকার অফিসে অভিযোগ দিতে পারবে। মূসক গোয়েন্দা অফিসেও অভিযোগ দেওয়া যাবে। এনবিআরকে জানাতে পারেন।’


তিনি বলেন, ‘ভ্যাটযুক্ত পণ্য বিক্রি করলে অবশ্যই ক্রেতাকে চালান দিতে হবে। শুধু তাই নয়, প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে। চালানে ওই রেজিস্ট্রেশন নম্বর থাকতে হবে। ক্রেতার দেওয়া ভ্যাট সরকারের কোষাগারে পৌঁছালো কিনা তা জানারও সুযোগ আছে। ক্রেতা কতটাকা টাকা ভ্যাট দিলেন আর সরকারের কোষাগারে কতটাকা গেল সেটাও জানার সুযোগ আছে। যে কোনও ভ্যাট অফিসে গিয়ে অনলাইনেই ভ্যারিফাই করা যায়।’


জানা গেছে, এনবিআরের ওয়েবসাইটের পাশাপাশি এনবিআরের অধীনে সারাদেশের ভ্যাট কমিশনারেটের ওয়েবসাইট, মেইলে অভিযোগ জানানোর সুযোগ আছে।


কোনও এলাকার আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে দেখতে যেমন পুলিশ বিভাগের জন্য থানা আছে, তেমনি কোনও এলাকার ভ্যাট আদায়ের জন্যও একটি লোকাল সার্কেল অফিস আছে। সার্কেল অফিস ডিভিশন অফিসের অধীনে কাজ করে। সার্কেল ও ডিভিশন অফিসের নিয়ন্ত্রক হলো কাস্টমস এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাট কমিশনারেট। সেখানে জানালেও দ্রুত ফল পাওয়া যায়। পুলিশের যেমন বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা আছে, তেমনি ভ্যাটের বিশেষ ও ব্যতিক্রমী কাজ করতে মূসক গোয়েন্দা রয়েছে।


বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে সবাইকে গুরুত্ব দেয়। কেউ চাইলে এনবিআর, ভ্যাট কমিশনারেটসমূহ ও মূসক গোয়েন্দার ফেসবুক পেজে ছবিসহ অভিযোগ দিতে পারেন। প্রত্যেক এলাকার ভ্যাট ইউনিটের পৃথক নিবন্ধন নম্বর রয়েছে।


প্রসঙ্গত, ২০০৯ থেকে নির্দিষ্ট ১১টি ব্যবসায় ইসিআর চালান প্রদান বাধ্যতামূলক। ১১টি ব্যবসা হলো- হোটেল, রেস্তোরাঁ, মিষ্টির দোকান, ফার্নিচারের শোরুম, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমলের দোকান, সুপারশপ, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, জেনারেল স্টোর, জুয়েলার্স। একটি যথার্থ ইসিআর চালানের প্রিন্ট কপিতে যা উল্লেখ থাকতে হবে:


 ১।প্রতিষ্ঠানের মূসক নিবন্ধন নম্বর, নাম, ঠিকানা


 ২।চালান ইস্যুর তারিখ, সময়


 ৩।চালানের সিরিয়াল নম্বর


 ৪।সার্ভিস চার্জসহ যোগফলের ওপর ১৫% ভ্যাটের পরিমাণ


 ৫।ভ্যাটসহ মূল্য হলে ‘ভ্যাট ইনক্লুসিভ’


 ৬।ফিসক্যাল শব্দের উদ্ধৃতি


 ৭।‘মূসক ১১ক’ লেখা থাকতে হবে।


করণীয়:।


ইসিআর জেনারেটেড চালানে ওপরের তথ্যগুলো না দেখতে পেলে,.


১।ভ্যাট নিবন্ধনপত্র দেখতে চান,


২।ভ্যাট কমিশনারেট থেকে প্রদত্ত ইসিআর মেশিন ব্যবহারের অনুমতিপত্র দেখতে চান,.৪


৩।ইসিআর মেশিনে পূর্ববতী দিনগুলোর বিক্রয়ের হিসাব আছে কিনা দেখতে চান!


।বাংলা ট্রিবিউন।

User Comments

  • ব্যবসা ওঅর্থনীতি