১৫ নভেম্বর ২০১৯ ১০:২৭:১১
logo
logo banner
HeadLine
এক বাঙালিসহ অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন ৩ জন * বাংলাদেশ এখন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনারও রোল মডেল : প্রধানমন্ত্রী * ছাত্র রাজনীতি কিংবা ছাত্রলীগ নয়, টার্গেট সরকার * হঠাৎ চারদিকে কেমন যেন অস্বস্তি * ইউনিয়ন পর্যন্ত নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী * রসায়নে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী * দেশের স্বার্থ শেখ হাসিনা বিক্রি করবে, এটা হতে পারে না * পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী * অসাম্প্রদায়িক পরিবেশ অটুট থাকবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর * হাসিনা-মোদী বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত ৭ চুক্তি, ৩ প্রকল্প উদ্বোধন * পারস্পরিক স্বার্থে কাজ করতে ভারত-বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহবান * আঞ্চলিক অর্থনীতির কেন্দ্র হতে পারে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী * উন্নয়নের উইপোকা দমনে প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত * কোনো অন্যায় হলে তার ব্যবস্থা আমিই নেবো, সেটা যে-ই হোক - প্রধানমন্ত্রী * রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেনাবাহিনীকে * রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্ব সম্প্রদায়কে ব্যবস্থা নিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী * 'রাজহংস' উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা * মানুষের সেবা করার ব্রত নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি - প্রধানমন্ত্রী * জনগণের আস্থায় যেন ফাটল না ধরে, সজাগ থাকতে হবে * কাল রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী * এসএমই খাতে ঋণ ও অন্যান্য সুবিধা বাড়ছে * আওয়ামীলীগে শুদ্ধি অভিযান, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী দুই শতাধিক নেতাকে পাঠানো হচ্ছে শোকজ * আমরা কৃষিকেও গুরুত্ব দেই, আবার শিল্পকেও গুরুত্ব দেই - শেখ হাসিনা * বেপরোয়া রোহিঙ্গারা, প্রশাসনিক এ্যাকশন শুরু * স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারী কোষাগারে জমা দিতে হবে * সরকারের মানবিকতাকে দুর্বলতা ভাবা উচিত নয় * 'বাকশাল হলে বাংলাদেশ আগেই বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে থাকতো' - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা * আসামে চূড়ান্ত নাগরিকত্ব তালিকা থেকে বাদ পড়ল ১৯ লাখ * অপকর্মে লিপ্ত থাকায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ৪১ এনজিও প্রত্যাহার * জটিল হয়ে উঠছে রোহিঙ্গা সমস্যা *
     11,2018 Friday at 10:07:30 Share

ধানের নতুন জাত, ৪শ' টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে এই ফাতেমা ধান

ধানের নতুন জাত,  ৪শ' টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে এই ফাতেমা ধান

বাগেরহাটের ফকিরহাটে ফাতেমা জাতের প্রতি কেজি ধান বিক্রি হচ্ছে ৪শ’ টাকায়। তারপরও কৃষকরা ছুটে আসছেন এ ধান সংগ্রহে। শুধু ফকিরহাট নয় দেশব্যাপী এ ধানের চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে।


জেলার ফকিরহাট উপজেলার মাশকাটা গ্রামের নারী ফাতেমা বেগমের ক্ষেত থেকে সংগ্রহ করা ৩টি ধানের ছড়া থেকে উৎপাদিত হচ্ছে এই ধান। এ কারণেই এ ধানের জাত ফাতেমা নামে কৃষকের মুখে মুখে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। এ ধান ক্রয় করতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন কৃষকরা। কৃষি বিভাগও এ নিয়ে গবেষণায় রয়েছে।


এ ধান সম্পর্কে ফাতেমা বেগম বলেন, ২০১৫ সালে বাড়ির পাশের ধান ক্ষেতে আমার ছেলে লেবুয়াত হাইব্রিড আফতাব-৫ ধান চাষ করে। সেখানে ওই ধানের মধ্যে ব্যতিক্রম ৩টি ধানের ছড়া (শীষ) দেখতে পাই। ওই ছড়াগুলো সংগ্রহ করে আমার ছেলেকে বলি এ ধানগুলো বীজ হিসেবে ব্যবহার কর। সে প্রথমে অস্বীকৃতি জানালেও মায়ের কথা রেখে পরের বছর জমিতে বীজ হিসেবে রোপণ করে। ওই বছর ৩ ছড়া ধানের বীজে প্রায় আড়াই কেজি ধান উৎপাদন হয়।



ফাতেমা আরও বলেন, পরে কৃষি বিভাগের লোকেরা খবর পেয়ে আমাদের ধান দেখতে আসেন। ধানের আকার ও ছড়ায় ধানের পরিমাণ বেশি দেখে তারা আমাকে এ ধান সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেন। পরে আমি এই আড়াই কেজি ধানও বীজ হিসেবে ব্যবহার করি। এরপর এ বছর ৭৫ শতাংশ জমিতে ওই ধান রোপণ করি এতে প্রায় ১১০ মণ ধান হয়।


এ খবর স্থানীয় কৃষকরা জানার পরে ধান সংগ্রহের জন্য সবাই আমার বাড়িতে আসতে থাকে। আমার ছেলে এ ধান বর্তমানে প্রতি কেজি ৪শ’ টাকায় বিক্রি করছে। তারপরও আমরা চাহিদামত ধান দিতে পারছি না।


ফাতেমার ছেলে লেবুয়াত জানান, মায়ের কথা শুনে ধান লাগাই। পরে ধানগুলো বড় হলে একটু আলাদা রকম দেখতে পাই। ধানের পাতাগুলো বেশি চ্যাপটা এবং ধানের মোচাগুলো বের হচ্ছিল কলার মোচার মত। পরে খুশি লাগলে ধানগুলোর একটু বেশি যত্ন শুরু করি। এরপর থেকেই আমাদের এ সফলতা। আমি চাই এ ধানের জাত সমগ্র বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ুক। আশপাশের কৃষকরা আমাদের কাছ থেকে বীজ হিসেবে এ ধান সংগ্রহ করছে।


উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সোলায়মান আলী বলেন, যখন ব্যতিক্রম এ ধানগুলি দেখতে পাই তখন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করি। তারা এ ধান সংগ্রহ করে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে পাঠান। এ ধান নিয়ে এখন গবেষণা চলছে। আমি মনে করি এ ধানই হবে বাংলাদেশের সেরা জাতের ধান। যা আমাদের দেশের খাদ্য ঘাটতি পূরণ করে বিদেশেও রপ্তানি হবে।



ফকিরহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোতাহার হোসেন জানান, উপ-সহকারী কর্মকর্তার মাধ্যমে এ ধানের সম্পর্কে জানতে পেরে গবেষণা শুরু করা হয়। ধানগুলো দেখতে সাধারণ ধানের চেয়ে কিছুটা বড়। ধানের একটি পাতা প্রায় দেড় ইঞ্চি চওড়া, গাছগুলো ১৩৫ সেন্টিমিটার লম্বা। প্রতিটি ছড়ায় গড়ে ৯৪০টি ধানের দানা উৎপাদন হয়েছে। যা সাধারণ ধানের ছড়ার থেকে ৫ গুণ বেশি। আমরা এ বছর নমুনা সংগ্রহের জন্য ধান কেটেছিলাম। সে অনুযায়ী একরে ১৩০ মণ ফলন হয়েছে। ওই এলাকার মাটি লবণাক্ত এবং ঘেরের মধ্যে ধানটি চাষ করা হয়েছে।  এ কারণে ধানটি প্রাথমিক পর্যায়ে লবণ সহিষ্ণু হিসেবে বিবেচনা করছি।


তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত এ ধানের জাত সম্পর্কে জানা যায়নি। যেহেতু ধানটি ফাতেমা পেয়েছে এবং ফাতেমার ছেলে চাষ করেছে। সে কারণে আমরা এ ধানকে ফাতেমা ধান নাম দিতে চাচ্ছি। বর্তমানে এ ধানের চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পাচ্ছে। সিলেট ও রাজশাহী থেকে আমাদের কাছে এ ধান বীজ হিসেবে সংগ্রহ করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।বাংলানিউজ। 


 

User Comments

  • আরো