১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ ৩:৫০:৪৭
logo
logo banner
HeadLine
দ্রুতগতিতে চলছে ১০ মেগা প্রকল্প ও ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণকাজ * ভবিষ্যতে তরুণদের সুযোগ করে দিতে চাই - শেখ হাসিনা * একদিন আগেই শুরু হল বিশ্ব এজতেমা * ছয় দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী আজ জার্মানি যাচ্ছেন * ২৮ দিনে জমির নামজারি , সর্বোচ্চ ৫৩ দিনে নক্সা অনুমোদন, ভবন নির্মাণে বীমা বাধ্যতামুলক * ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য উন্নত দেশ গড়তে চাই - প্রধানমন্ত্রী * ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবি গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত চার * কর্ণফুলী টানেল : চট্টগ্রাম হবে ওয়ান সিটি টু টাউন * ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচন * 'জয় বাংলা' মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান, বীর বাঙালীর স্লোগান * সব হজযাত্রায় খরচ বেড়েছে * ডাকসু'র তফসিল আজ * অল্প জমি ও মাটি ছাড়া সবজি, ফুল, ফল উৎপাদনের প্রযুক্তিকে চাষী পর্যায়ে নিয়ে যান - কৃষিমন্ত্রী * আরও ১২২ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর নাম ঘোষণা * রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ বাসস্থান চায় ঢাকা * হিন্দুকুশের বরফ দ্রুত গলছে : ভেসে যাবে দশ নদীর অববাহিকা , বিপন্ন হবে ২শ' কোটি লোক * উপজেলা নির্বাচনে ৮৭ চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল আওয়ামীলীগ, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীতা থাকবে উন্মুক্ত * জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের ঘোষনা * শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে আজ * দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবে রূপ দিতে হবে * সব ধরনের কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকারের নীতিমালা বৈধ: হাইকোর্ট * সন্দ্বীপ-চট্টগ্রাম ব্রিজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই ও সন্দ্বীপে একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের আহবান জানালেন প্রধানমন্ত্রী * ২১ গুণীজনের ২১শে পদক লাভ * দুদকের ৩৩ মামলায় ৩৮৪ বছর কারাদণ্ড হয়েছিল নির্দোষ জাহালমের! * প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হবে - প্রধানমন্ত্রী * সব ধরনের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করার তাগিদ দিলেন প্রধানমন্ত্রী * এবারের বিশ্ব ইজতেমা ৪ দিনে অনুষ্ঠিত হবে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী * উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু * উপজেলা নির্বাচনের প্রথম দফা তফসিল আজ * আসছে ৫ লাখ কোটির বাজেট : নির্বাচনী ইশতেহার হচ্ছে মূল ভিত্তি , উদ্দেশ্য দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা এবং বিনিয়োগে আকৃষ্ট করা *
     03,2018 Sunday at 08:38:19 Share

সব রোহিঙ্গা ফেরত নিতে চায় মিয়ানমার

সব রোহিঙ্গা ফেরত নিতে চায় মিয়ানমার

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা সকল রোহিঙ্গা শরণার্থীকে মিয়ানমার ফিরিয়ে নিতে রাজি। শনিবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ক সাংগ্রিলা সংলাপে যোগ দিয়ে মিয়ানমারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থাউং তুন এ কথা বলেন।


তিনি বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীরা স্বেচ্ছায় ফিরতে চাইলে আমরা তাদের গ্রহণ করতে চাই। খবর ফার্স্ট পোস্ট, স্ক্রল ইন ও ওয়েবসাইটের।


জাতিসংঘ কাঠামোর আওতায় রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে দায়িত্বশীলতা বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে থাউং তুন বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ৭ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আমরা ফিরিয়ে নিতে আগ্রহী।


২০০৫ সালে জাতিসংঘে তথাকথিত আরটুপি ফ্রেমওয়ার্ক গ্রহণ করা হয়। ওই বিশ্ব সম্মেলনে গণগত্যা, মানবতা বিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও জাতিগত নিধন থেকে নিজ নিজ দেশের জনগণকে সুরক্ষা দিতে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি প্রদান করা হয়।


রাখাইন রাজ্যে জাতিগত নিধন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে থাউং তুন বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ৭ লাখ রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় ফিরলে আমরা তাদের গ্রহণ করব। তিনি বলেন, রাখাইনে কোন প্রকার যুদ্ধ হচ্ছে না। ওই রাজ্যে (রাখাইনে) যুদ্ধাপরাধের ঘটনাও ঘটেনি। তাই রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়টি গ্রহণযোগ্য নয়। এ ক্ষেত্রে আমরা সুস্পষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ দেখতে চাই। রাখাইনে রোহিঙ্গা নিধন বিষয়ে তিনি বলেন, রাখাইনে রোহিঙ্গা নিধন বিষয়ে যে সকল খবর পাওয়া যাচ্ছে তা অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর। রাখাইনে মানবিক সঙ্কটের বিষয়ে থাউং তুন বলেন, রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে মানবিক সঙ্কটের বিষয়টি মিয়ানমার অস্বীকার করছে না। তিনি বলেন, এটি অস্বীকার করার উপায় নেই যে রাখাইনে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। তবে রাখাইনে বসবাসরত বৌদ্ধ, হিন্দু ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীও দুর্ভোগে রয়েছে বলে তিনি জানান।


তিনি আরও বলেন, দেশকে রক্ষা করা সেনা সদস্যদের কর্তব্য। তবে তদন্তে সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে কোন অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে থাউং তুন উল্লেখ করেন।


২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশি চৌকিতে হামলার পর সেখানকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমার। এ অভিযানে সেনাবাহিনীর সহিংসতায় বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা। এসব রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দফায় দফায় মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে। উভয় দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে প্রত্যাবাসন চুক্তিও। তবে রোহিঙ্গারা কবে ফিরতে পারবে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


এতদিন মিয়ানমার বলে আসছিল, যেসব রোহিঙ্গা নিজেদের দেশটির বাসিন্দা হিসেবে প্রমাণ দিতে পারবে কেবল তাদেরই ফিরিয়ে নেয়া হবে। জনকন্ঠ।

User Comments

  • আন্তর্জাতিক