১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২১:১০:৩৩
logo
logo banner
HeadLine
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা ত্যাগ * ১৪ বছর পর শেষ হল বিচার কাজ, একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ১০ অক্টোবর * জিডিপি ৭.৮৬, মাথাপিছু আয় ১৭৫১ ডলার * শেষ পর্যন্ত দফারফার কর্মসূচি * চাই দলীয় সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের নতুন ইতিহাস * বিএনপির ১৭৩ প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত, জোটের খসড়া তালিকা প্রকাশ * ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষনার দিন নির্ধারণ আজ * দলীয় সরকারের অধীনেও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব - টিআইবি * নবম থেকে ত্রয়োদশ গ্রেডের সরকারী চাকুরীতে কোটা থাকছে না * সময়মতো এবং সুষ্ঠুভাবেই নির্বাচন হবে: ড. গওহর * ড্রাইভারের লাইসেন্স না থাকলে স্টার্ট নেবে না গাড়ি, হেলমেট ছাড়া মোটরবাইক * যাকে খুশি তাকে ভোট নয়: শাহরিয়ার কবির * লঘু অপরাধে আটকরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে মুক্তি পাচ্ছে * সংসদ ভেঙে নির্দলীয় সরকার গঠন অসাংবিধানিক: ওবায়দুল কাদের * আসনভিত্তিক নির্বাচন পরিচালনা কমিটি করবে আওয়ামীলীগ * জনগণ আবারও নৌকায় ভোট দেবে: শেখ হাসিনা * চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগে অসন্তোষ, হাইব্রিড ও নব্যদের কারণে অবহেলিত পরীক্ষিত নেতারা * এশিয়া কাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী ম্যাচ, প্রতিশোধ নয় লংকানদের বিপক্ষে জয় চান টাইগাররা * 'প্রবৃদ্ধি ছাড়াবে ৮ শতাংশ' * মানব উন্নয়ন সূচকে তিন ধাপ অগ্রগতি বাংলাদেশের * মুক্তিযোদ্ধারা বছরে পাঁচটি উৎসব ভাতা পাবেন * এমপিকে দেখে উপজেলা পরিষদের সভা বর্জন করলেন ইউপি চেয়ারম্যানরা * ভোটারের চোখে শেখ হাসিনাই বিশ্বস্ত * দেশকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিয়ে যাওয়াই সরকারের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী * সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনকে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিবে : শেখ হাসিনা * শেয়ার বাজারের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর ৭ দফা সুপারিশ * পৃথিবীর সব দেশের রাজধানীতে যানজটের সমস্যা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী * একনেকের সভায় ১৭ হাজার ৭৮৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকার মোট ১৮ প্রকল্প অনুমোদন, অল্প সময়ের মধ্যে সন্দীপের সব জনগণ বিদ্যুত পাবে * বর্তমান ঋণখেলাপী ২ লাখ ৩০ হাজার ৬৫৮, ১০০ জনের তালিকা দিলেন অর্থমন্ত্রী * আমার ছোট আপা *
     03,2018 Sunday at 08:38:19 Share

সব রোহিঙ্গা ফেরত নিতে চায় মিয়ানমার

সব রোহিঙ্গা ফেরত নিতে চায় মিয়ানমার

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা সকল রোহিঙ্গা শরণার্থীকে মিয়ানমার ফিরিয়ে নিতে রাজি। শনিবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ক সাংগ্রিলা সংলাপে যোগ দিয়ে মিয়ানমারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থাউং তুন এ কথা বলেন।


তিনি বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীরা স্বেচ্ছায় ফিরতে চাইলে আমরা তাদের গ্রহণ করতে চাই। খবর ফার্স্ট পোস্ট, স্ক্রল ইন ও ওয়েবসাইটের।


জাতিসংঘ কাঠামোর আওতায় রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে দায়িত্বশীলতা বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে থাউং তুন বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ৭ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আমরা ফিরিয়ে নিতে আগ্রহী।


২০০৫ সালে জাতিসংঘে তথাকথিত আরটুপি ফ্রেমওয়ার্ক গ্রহণ করা হয়। ওই বিশ্ব সম্মেলনে গণগত্যা, মানবতা বিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ও জাতিগত নিধন থেকে নিজ নিজ দেশের জনগণকে সুরক্ষা দিতে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি প্রদান করা হয়।


রাখাইন রাজ্যে জাতিগত নিধন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে থাউং তুন বলেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ৭ লাখ রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় ফিরলে আমরা তাদের গ্রহণ করব। তিনি বলেন, রাখাইনে কোন প্রকার যুদ্ধ হচ্ছে না। ওই রাজ্যে (রাখাইনে) যুদ্ধাপরাধের ঘটনাও ঘটেনি। তাই রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়টি গ্রহণযোগ্য নয়। এ ক্ষেত্রে আমরা সুস্পষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ দেখতে চাই। রাখাইনে রোহিঙ্গা নিধন বিষয়ে তিনি বলেন, রাখাইনে রোহিঙ্গা নিধন বিষয়ে যে সকল খবর পাওয়া যাচ্ছে তা অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর। রাখাইনে মানবিক সঙ্কটের বিষয়ে থাউং তুন বলেন, রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে মানবিক সঙ্কটের বিষয়টি মিয়ানমার অস্বীকার করছে না। তিনি বলেন, এটি অস্বীকার করার উপায় নেই যে রাখাইনে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। তবে রাখাইনে বসবাসরত বৌদ্ধ, হিন্দু ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীও দুর্ভোগে রয়েছে বলে তিনি জানান।


তিনি আরও বলেন, দেশকে রক্ষা করা সেনা সদস্যদের কর্তব্য। তবে তদন্তে সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে কোন অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে থাউং তুন উল্লেখ করেন।


২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশি চৌকিতে হামলার পর সেখানকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমার। এ অভিযানে সেনাবাহিনীর সহিংসতায় বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা। এসব রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দফায় দফায় মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছে। উভয় দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে প্রত্যাবাসন চুক্তিও। তবে রোহিঙ্গারা কবে ফিরতে পারবে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


এতদিন মিয়ানমার বলে আসছিল, যেসব রোহিঙ্গা নিজেদের দেশটির বাসিন্দা হিসেবে প্রমাণ দিতে পারবে কেবল তাদেরই ফিরিয়ে নেয়া হবে। জনকন্ঠ।

User Comments

  • আন্তর্জাতিক