১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ ৩:৫১:৪০
logo
logo banner
HeadLine
দ্রুতগতিতে চলছে ১০ মেগা প্রকল্প ও ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণকাজ * ভবিষ্যতে তরুণদের সুযোগ করে দিতে চাই - শেখ হাসিনা * একদিন আগেই শুরু হল বিশ্ব এজতেমা * ছয় দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী আজ জার্মানি যাচ্ছেন * ২৮ দিনে জমির নামজারি , সর্বোচ্চ ৫৩ দিনে নক্সা অনুমোদন, ভবন নির্মাণে বীমা বাধ্যতামুলক * ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য উন্নত দেশ গড়তে চাই - প্রধানমন্ত্রী * ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবি গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত চার * কর্ণফুলী টানেল : চট্টগ্রাম হবে ওয়ান সিটি টু টাউন * ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচন * 'জয় বাংলা' মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান, বীর বাঙালীর স্লোগান * সব হজযাত্রায় খরচ বেড়েছে * ডাকসু'র তফসিল আজ * অল্প জমি ও মাটি ছাড়া সবজি, ফুল, ফল উৎপাদনের প্রযুক্তিকে চাষী পর্যায়ে নিয়ে যান - কৃষিমন্ত্রী * আরও ১২২ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর নাম ঘোষণা * রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ বাসস্থান চায় ঢাকা * হিন্দুকুশের বরফ দ্রুত গলছে : ভেসে যাবে দশ নদীর অববাহিকা , বিপন্ন হবে ২শ' কোটি লোক * উপজেলা নির্বাচনে ৮৭ চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল আওয়ামীলীগ, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীতা থাকবে উন্মুক্ত * জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের ঘোষনা * শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে আজ * দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবে রূপ দিতে হবে * সব ধরনের কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকারের নীতিমালা বৈধ: হাইকোর্ট * সন্দ্বীপ-চট্টগ্রাম ব্রিজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই ও সন্দ্বীপে একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের আহবান জানালেন প্রধানমন্ত্রী * ২১ গুণীজনের ২১শে পদক লাভ * দুদকের ৩৩ মামলায় ৩৮৪ বছর কারাদণ্ড হয়েছিল নির্দোষ জাহালমের! * প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হবে - প্রধানমন্ত্রী * সব ধরনের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করার তাগিদ দিলেন প্রধানমন্ত্রী * এবারের বিশ্ব ইজতেমা ৪ দিনে অনুষ্ঠিত হবে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী * উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু * উপজেলা নির্বাচনের প্রথম দফা তফসিল আজ * আসছে ৫ লাখ কোটির বাজেট : নির্বাচনী ইশতেহার হচ্ছে মূল ভিত্তি , উদ্দেশ্য দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা এবং বিনিয়োগে আকৃষ্ট করা *
     29,2018 Friday at 15:13:36 Share

এবার ঈদযাত্রায় নিহত ৪০৫ , আহত ১২৭৪

এবার ঈদযাত্রায় নিহত ৪০৫ , আহত ১২৭৪

জনকণ্ঠ অনলাইন :: ঈদুল ফিতরে সারাদেশে সড়ক, রেল ও নৌ-পথে ৩৩৫টি দুর্ঘটনায় ৪০৫ জন নিহত এবং ১২৭৪ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ২৭৭টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন ৩৩৯ জন এবং আহত হয়েছেন ১২৬৫ জন। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এসব তথ্য জানিয়েছে।


আজ শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবেদন-২০১৮তে এসব তথ্য তুলে ধরেন।


তিনি বলেন, সংগঠনটির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিবছর ঈদ কেন্দ্রীক সড়ক দুর্ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় সংগঠনটি ঈদ যাত্রায় সড়ক, রেল ও নৌ পথে দুর্ঘটনা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানীর বিষয়টি গত চার বছর যাবত পর্যবেক্ষণ করে আসছে।


এবার ঈদের আগে যাত্রাপথে সকল তদারকি সংস্থার সক্রিয় অবস্থানের কারণে ঈদযাত্রা খানিকটা স্বস্তিদায়ক হলেও ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরার পথে তদারকি না থাকায় সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে বলেও জানান তিনি।


সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ২৩ জুন দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টায় সারাদেশে ১৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫২ জন নিহত এবং ১৫০ জন আহতের খবর সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হলে তা পরদিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ঈদ যাত্রা শুরুর দিন ১১ জুন থেকে ঈদ শেষে বাড়ি থেকে কর্মস্থলে ফেরা ২৩ জুন পর্যন্ত বিগত ১৩ দিনে ২৭৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৩৯ জন নিহত এবং ১২৬৫ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে নৌ-পথে ১৮টি দুর্ঘটনায় ২৫ জন নিহত, ৫৫ জন নিখোঁজ ও ৯ জন আহত হয়েছেন। রেল পথে ট্রেনে কাটা পড়ে ৩৫ জন, ট্রেনের ধাক্কায় ৪ জন ও ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে ২ জনসহ মোট ৪১ জন নিহত হয়েছেন।


বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের সদস্যরা বহুল প্রচারিত ও জাতীয় দৈনিক, আঞ্চলিক দৈনিক ও অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ মনিটরিং করে এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে বলে জানানো হয়।


এসব দুর্ঘটনার যানবাহন পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৮.৮৯ শতাংশ বাস, ১৬.৩৯ শতাংশ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ১২.২২ শতাংশ নছিমন-করিমন, ১৩.০৬ শতাংশ ব্যাটারি চালিদ রিকশা ও ইজিবাইক, ৬.৬৭ শতাংশ অটোরিকশা, ৮.৩৩ শতাংশ কার-মাইক্রো ও ১৫.২৮ শতাংশ মোটরসাইকেল, ৯.১৬ শতাংশ অনান্য যানবাহন দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল।


মোট দুর্ঘটনার ৩৪.০২ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৩২.৭২ শতাংশ পথচারীকে গাড়ী চাপা দেয়ার ঘটনা, ১৩.২৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ার ঘটনা, ১.১০ শতাংশ চলন্ত গাড়ি থেকে পড়ে, ০.৭৩ শতাংশ চাকায় উড়না পেছিয়ে ও ১৮.২০ শতাংশ অনান্য অজ্ঞাত কারণে দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে।


যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী বহন, বিরতিহীন বা বিশ্রামহীনভাবে যানবাহন চালানো, অদক্ষ চালক ও হেলপার দ্বারা যানবাহন চালানো, মহাসড়কে অটোরিকশা, ব্যাটারি চালিত রিকশা, নসিমন-করিমন ও মোটরসাইকেল অবাধে চলাচল, মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকা, বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চালানো, সড়ক-মহাসড়কে ফুটপাত না থাকা ও সড়ক-মহাসড়কে বেহাল দশা এসব দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।


সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সুপারিশ


সংগঠনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলকে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধের কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা। প্রশিক্ষিত চালক গড়ে তোলা জন্য জাতীয় পর্যায়ে সরকারিভাবে ‘চালক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ গড়ে তোলা। নিয়মিত রাস্তার রোড সেফটি অডিট করা। ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য বন্ধ করা। ওভারলোড নিয়ন্ত্রণে মানসম্মত পর্যাপ্ত গণপরিবহনের ব্যবস্থা করা।


মহাসড়কে ধীরগতির যান ও দ্রুত গতির যানের জন্য আলাদা লেইনের ব্যবস্থা করা। মহাসড়কে নছিমন-করিমন, ব্যাটারি চালিত রিকশা, অটোরিকশা বন্ধে সরকারের গৃহিত সিদ্ধান্ত শত ভাগ বাস্তবায়ন। ভাঙাছোড়া রাস্তাঘাট মেরামত করা। ফিটনেসবিহীন লক্কড়ঝক্কড় ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন চলাচল বন্ধে উদ্যোগ নেওয়া। জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে ফুটপাত, আন্ডারপাস, ওভারপাস তৈরি করে পথচারীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করা।


সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, বিআরটিএর সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, ভাড়াটিয়া পরিষদের সভাপতি বাহারানে সুলতান বাহার, সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট জোতিৎময় বড়ুয়া, মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

User Comments

  • সারাদেশ