২০ এপ্রিল ২০১৯ ০:৫০:৫৭
logo
logo banner
HeadLine
শিরক এবং এর থেকে বেঁচে থাকার উপায় * দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় করণীয়গুলো ভালোভাবে প্রচারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর * সন্দ্বীপ পৌরসভায় ১২৫ সেট সেনেটারী লেট্রিন বিতরণ * সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসাবে সেবাই আমাদের ব্রত- জাফর উল্যা টিটু * আজ ১৭ এপ্রিল : বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণ দিবস * ২১ এপ্রিলেই শবে বরাত * বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল ঘোষণা * চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ১০ বাস উপহার * নুসরাতকে পোড়ানোতে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে নুর উদ্দিন ও শামীম * উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর * আজ পহেলা বৈশাখ, শুভ নববর্ষ ১৪২৬ * নুসরাত হত্যা : পরিকল্পনায় সিরাজউদ্দৌলা, জড়িত ১৩,আগুন দেয় ৪ জন * চারদিনের সফরে ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী, লালগালিচা সংবর্ধনা * ১২ এপ্রিল, ১৯৭১ : মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভার নাম ঘোষণা * মুজিববর্ষ ও বাঙালীর রাষ্ট্র দিবস * প্রথমবারের মতো কৃষ্ণগহ্বরের ছবি দেখলো মানব জাতি * তিন লাখ টাকা মুক্তিপনের জন্য ডেমরার মাদ্রাসাছাত্র শিশু মিনরকে হত্যা করে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ * গায়ে কেরোসিন দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়া সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী সেই নুসরাতকে বাঁচানো গেল না * বঙ্গবন্ধু ও সত্যবাদী আদর্শ * সবক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ গবেষণা - প্রধানমন্ত্রী * চট্টগ্রামে চালু হচ্ছে বিশ্বমানের হাসপাতাল * অগ্নিনিরাপত্তা নিয়ে শিগগিরই বৈঠক ডাকা হবে * ২২ বছর পর সেন্টমার্টিনে আবারও বিজিবি মোতায়েন * ২১ এপ্রিল পবিত্র শব-ই-বরাত * বিজিএমইএ নির্বাচনে পুরো প্যানেলসহ বিজয়ী রুবানা হক * খালেদার প্যারোলে মুক্তির আবেদন করলে ভেবে দেখা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী * সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়লেন ওবায়দুল কাদের * সংঘাত নয় আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে - প্রধানমন্ত্রী * সীতাকুন্ড, মিরসরাই ও সোনাগাজী অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের ভিত্তি স্থাপন * জহিরুল আলম দোভাষ সিডিএ'র নতুন চেয়ারম্যান *
     21,2018 Saturday at 17:47:11 Share

জনগন কতটুকু পেল সেটাই আমার কাছে বিবেচ্য বিষয়, এর বাইরে আমার আর কোনও চাওয়া-পাওয়া নেই : প্রধানমন্ত্রী

জনগন কতটুকু পেল সেটাই আমার কাছে বিবেচ্য বিষয়, এর বাইরে আমার আর কোনও চাওয়া-পাওয়া নেই : প্রধানমন্ত্রী

আজ বিকাল তিনটায় রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আয়োজিত গণসংবর্ধণায় প্রধাণমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। দেশের উন্নয়ন ও অর্জনে অনন্য সফলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এ গণসংবর্ধনা দেয়ার আয়োজন করে।


গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখাকে উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ মণিহার আমায় নাহি সাজে। তিনি বলেন,  সংবর্ধনা আমার প্রয়োজন নেই। আমি জনগণের সেবক। আমি এই সংবর্ধনা বাংলার মানুষকে উৎসর্গ করলাম। জনগণের জন্য কাজ করতে এসেছি। জনগণ কতটুকু পেল সেটাই আমার কাছে বিবেচ্য বিষয়। এর বাইরে আমার আর কোনও চাওয়া-পাওয়া নেই।


তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, বাংলার মানুষ যেন অন্ন পায়, বস্ত্র পায়, বাসস্থান ও শিক্ষা পায়- সেটাই আমার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পূরণ করাই আমার লক্ষ্য।


আমার সৌভাগ্য আমি জাতির পিতার কন্যা হিসেবে জন্ম নিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ যা কিছু অর্জন করেছে তা অর্জিত হয়েছে ত্যাগের মধ্য দিয়ে।


 


প্রধানমন্ত্রী বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পৌঁছান। তারপর তিনি মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন। মঞ্চে সেতুমন্ত্রী ও দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত আছেন। উপস্থিত রয়েছেন বিশিষ্টজনরাও।


ভারতের আসানসোলের কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি-লিট ডিগ্রি অর্জন, মহাকাশে সফলভাবে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট পাঠানো, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি থেকে গ্লোবাল উইমেন্স লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড অর্জন ও স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করায় এ গণসংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে।


নেতাকর্মীরা মিছিল ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে এসে শাহবাগ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও মৎস্য ভবন এলাকায় আসেন।অনুষ্ঠানে তিন লাখেরও বেশি লোকের সমাগম হবে বলে ধারণা করছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী।


এদিকে সকাল থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হতে থাকেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ঢাক-ঢোল পিটিয়ে, লাল-সবুজের রঙিন পোশাক পরে জনসভায় যোগ দিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। জয় বাংলা ও শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের নামে নানা স্লোগানে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে গোটা এলাকায়।


প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা প্রদান উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের পাশে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ। মূল মঞ্চের সামনে ছোট আরেকটা মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। সেখানে থাকবে সাংস্কৃতিক আয়োজন।


সমাবেশ প্যান্ডেলটি কয়েকটি অংশে ভাগ করা। প্যান্ডেলের বিভিন্ন অংশে স্থাপন করা হয়েছে বড় বড় প্রজেক্টর।


উদ্যান এলাকার পাশাপাশি রাজধানীর বিজয় স্মরণী, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, পল্টন, বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ, জাতীয় সংসদ ভবন, ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন এলাকায় নানা ধরনের সাজসজ্জা করা হয়েছে। জাঁকজমক সাজসজ্জার মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে নৌকার প্রতিকৃতি।


মৎস্য ভবন মোড় থেকে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের পাশের সড়ক দিয়ে শিশু পার্ক পর্যন্ত কয়েক ফিটের ব্যবধান রেখে স্থাপন করা হয়েছে অনেকগুলো তোরণ। কারওয়ান বাজারে স্থাপন করা হয়েছে মেট্রোরেলের প্রতিকৃতি।


মাদার অব হিউমানিটি, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, অনন্য প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন ধরনের প্রশংসাসূচক বাক্য লেখা প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন ও ব্যানার টানানো হয়েছে। বিভিন্ন সময় পাওয়া পুরস্কারের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন বাণী লেখা প্ল্যাকার্ডও রয়েছে। তুলে ধরে হয়েছে সরকারের নানা অর্জনের কথা।


 

User Comments

  • রাজনীতি