২১ আগস্ট ২০১৮ ১৪:৫:৪৪
logo
logo banner
HeadLine
কাল পবিত্র ইদ উল আযহা * কুরবানি কি ? কুরবানির গুরত্বপূর্ণ মাসয়ালা মাসায়েল * ২১ আগস্ট, রক্তাত্ত ২১ আগস্ট * তাকবীরে তাশরীক কি এবং কখন পড়তে হয় * বিমান বহরে যুক্ত হল বোয়িং ৭৮৭ 'আকাশবীণা' * কুরবানির জন্য সুস্থ ও ভালো পশু চেনার উপায় * আজ হজ, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত হবে আরাফাত ময়দান * সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সায়মা ওয়াজেদের কোনো আইডি নেই * চক্রান্ত চলছে, গোপন বৈঠক হচ্ছে, আমরাও প্রস্তুত আছি - কাদের * হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু : মিনায় যাচ্ছেন হাজিরা * খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফের সমাবেশ প্রাক্কালে সন্ত্রাসীদের গুলি, নিহত ৬ * কফি আনান আর নেই * মোটা তাজা কোরবানির পশু ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি * গুজবই ভরসা , সরকার হটাতে বিরোধীদের অপচেষ্টা * নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বেশ কিছু নির্দেশনা * ডাক্তাররা রোগীকে মেরে ফেলতে চান না, তারা অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন:প্রধানমন্ত্রী * জিলহজ মাসের আমলসমূহ * ডিসেম্বারের শেষ সপ্তাহে সংসদ নির্বাচন, তফসিল নবেম্বরের প্রথমে * সৌদি আরবে সড়ক দূর্ঘটনায় সন্দ্বীপের এক পিতা ৩ কন্যাসহ নিহত, মাতা ও ১ পুত্র আহত * বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহতের সঙ্গে জিয়া জড়িত ছিল : শেখ হাসিনা * বাংলাদেশে আর কোনদিন খুনীদের রাজত্ব আসবে না : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা * হেলিকপ্টারে পদ্মা সেতুর অগ্রগতি দেখছেন প্রধানমন্ত্রী * ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ির মৃত্যু * দেশীয় গরুতে কোরবানি * বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য * সাগরে মৌসুমী নিম্নচাপ, ৩ নং সতর্ক সংকেত * সৌদি আরবে আরও ৫ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু * বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা * জিয়াই ছিলেন বঙ্গবন্ধু হত্যার মূল হোতা * মৃত্যুর মুখেও পিছু হটিনি - প্রধানমন্ত্রী *
     23,2018 Monday at 09:05:41 Share

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যুগান্তকারী অগ্রগতি, ৩৫ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যুগান্তকারী অগ্রগতি, ৩৫ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের যুগান্তকারী অগ্রগতি ঘটেছে। ই-গবর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট ক্ষেত্রে দেশ উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে গেছে। দেশ এখন বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে অনেক ওপরে উঠে এসেছে। ১৯৩ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১১৫তম। এই হিসেবে দেশ এখন র‌্যাঙ্কিংয়ের দিক থেকে ৩৫ ধাপ এগিয়ে রয়েছে। এই অগ্রগতির অংশীদার বর্তমান সরকার ও দেশের জনগণ। রবিবার এক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের সহযোগিতায় তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত ‘জাতিসংঘের ই-গবর্নমেন্ট জরিপ-২০১৮’ উপলক্ষে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।


সংবাদ সম্মেলনে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের সচিব জুয়েনা আজিজ, এটুআইয়ের প্রকল্প পরিচালক মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান ও এটুআইয়ের পলিসি এ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে মোস্তাফা জব্বার বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে উঠছে। ২০২১ সালের মধ্যে দেশ পুরোপুরি ডিজিটাল হবে এমন ভিশন নিয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের দোরগোড়ায় সরকারের সব ধরনের সেবা পৌঁছে দেয়া হবে। যাতে একজন নাগরিকও এই সেবা থেকে বঞ্চিত না হন তার জন্য গ্রামপর্যায় পর্যন্ত কানেক্টিভি তৈরি করা হচ্ছে। দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন অপটিক্যাল ফাইবারের সঙ্গে যুক্ত করার কাজ প্রায় শেষ। এই কাজটি শেষ হলে শহর ও গ্রামের সঙ্গে কোন পার্থক্য থাকবে না। দেশের সব মানুষ ইন্টারনেটে সমান সুযোগ ভোগ করবেন। দেশের এই অগ্রগতি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে প্রশংসা পেয়েছে। দেশের অবস্থান আন্তর্জাতিক বিশ্বে অনেক ওপরে উঠেছে। দেশের এমন অবস্থান ধরে রাখতে ই-গবর্নমেন্ট বা ডিজিটাল গবর্নমেন্টস তৈরির জন্য আমরা আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। এটুআই শুরু থেকেই ই-গবর্নমেন্টস কম্পোনেন্ট অনলাইন সার্ভিস চালু করেছে। অনলাইন সূচককে মাথায় রেখে আইসিটি টুলস ব্যবহার করে এবং জনগণের হাতের কাছে সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। এ কারণে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ ই-গবর্নমেন্ট ডেভেলপমেন্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে তিন বার এগিয়ে গেছে। এর পেছনে যারা কাজ করেছেন তারা হলেনÑ এটুআই, ব্যানবেইস, বিটিআরসি, পরিসংখ্যান ব্যুরো, আইসিটি বিভাগ, ইউএনডিপি, ইউনেক্সো, ইউআইএস, ইউএনডেসাসহ আন্তর্জাতিক মানের সব প্রতিষ্ঠানের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রা শুরু। দেশের মানুষ আজ তার সুফল পাচ্ছেন।


সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ই-গবর্নমেন্ট প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সারাবিশ্বে রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। আমরা সারাদেশকে ন্যাশনাল নেটওয়ার্কের আওতায় এনেছি। দেশের বিভিন্ন জেলায় মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ দিচ্ছি।


তবে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি আশা ব্যঞ্জক। সম্প্রতি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক বিভাগ পরিচালিত জরিপের ভিত্তিতে তৈরি ই-সরকার ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্স (ইজিডিআই) অনুযায়ী, ১৯৩ দেশের মধ্যে ৩৫ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৫তম। সরকার এ এক্ষেত্রে অগ্রগতির জন্য নানা উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানানো হয়। ফলে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ডিজিটাল সরকার ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। জাতিসংঘ পরিচালিত ই-গবর্মেন্ট ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্সের (ইজিডিআই) জরিপ ২০১৪ অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান ১৯৩ দেশের মধ্যে ১৪৮তম। ২০১০ সালে এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৪তম। তবে ২০১২ সালের জরিপ অনুযায়ী এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৫০। এই হিসেবে ২ ধাপ বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও সার্বিকভাবে গত পাঁচ বছরে ১৪ ধাপ পিছিয়ে গেছে। ২০১২ সালের জরিপ অনুযায়ী এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৫০। বর্তমানে চতুর্থ অবস্থানে উঠে আসা ভুটানের অবস্থান ছিল ১৫২। তবে এবারে ৯ ধাপ এগিয়েছে। অপরদিকে মালদ্বীপকে (৯৪) টপকে এবার ই-সরকার সূচকে ৭৪তম অবস্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। আর ই-সরকার ব্যবস্থাপনায় সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে আফগানিস্তান। আবার ১৪৪ দেশের মধ্যে পরিচালিত দ্য নেটওয়ার্কড রিডনেস ইনডেক্সের (এনআরআই) জরিপে ২০১৪ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৯ যা ২০১৩ সালে ছিল ১১৪।


অন্যদিকে, ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন আইডিআই পরিচালিত জরিপে ১৫৭ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান ১৩৫তম। ২০১১ সালে যা ছিল ১৩৯তম। তবে এই র‌্যাঙ্কিংয়ে ভুটান (১১৮), মালদ্বীপ (৭৩), মিয়ানমারের (১৩৪) অবস্থান বাংলাদেশেরও উপরে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি দেশেকে পেছনে ফেলে র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে রয়েছে। জনকণ্ঠ।


 

User Comments

  • বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি