১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ৪:৩৭:০৩
logo
logo banner
HeadLine
এরশাদের অবর্তমানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের * সাভারে ধর্ষণ মামলার মুল আসামির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার * 'সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে, এখন দুর্নীতি করলে ছাড় দেওয়া হবে না' * প্রধানমন্ত্রীর নামে ৬টি ভুয়া ফেসবুক পেইজসহ ৩৬টি পেইজ চালাতেন ফারুক * কোচিং বাণিজ্য বন্ধসহ ৫ নির্দেশনা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী * নির্বাচন নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত - তথ্যমন্ত্রী * টিআইবির প্রতিবেদন ভিত্তিহীন - সিইসি * সরকারের শুরুতেই সুশাসন প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম শুরু * বিশ্বের বৃহত্তম দোসা বানালেন চেন্নাইয়ের একদল রাঁধুনি * কমোডের চেয়েও বেশি জীবাণু স্মার্টফোনে! * সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু * অস্থির বাজারেও চালের দাম কমছে খাতুনগঞ্জে * ২৮ জানুয়ারির মধ্যে নবম ওয়েজবোর্ডের প্রজ্ঞাপন জারি: তথ্যমন্ত্রী * মালিক-শ্রমিক-সরকার ত্রিপক্ষীয় বৈঠক, ৬ গ্রেডে বেতন বাড়ল পোশাকশ্রমিকদের * দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে: প্রধানমন্ত্রী * সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা, কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে এলাকা আটকানোর পরিকল্পনা * গণতন্ত্রের স্বার্থে সংসদে আসা উচিত : প্রধানমন্ত্রী * নতুন সরকার ও দল শক্তিশালী করতে করণীয় নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আজ প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক * আগামী ৫ দিন দেশব্যাপী বইবে মৃদু থেকে মাঝারী শৈত্যপ্রবাহ থাকবে কুয়াশাও * ওরা যেন আর ফিরে না আসে - নির্বাচনে অগ্নিসন্ত্রাসীদের প্রত্যাখ্যান প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী * জাতির পিতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা সদস্যদের শ্রদ্ধা * আজ জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস * পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত, অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ, বিজিবি মোতায়েন * একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে ৩০ জানুয়ারি * সন্দ্বীপে গুলিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী কালা মনির নিহত * নতুন বাংলাদেশ গড়তে দৃঢ় প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী * ৮৭ হাজার গ্রামকে উন্নয়নের মূল ধারায় আনার লক্ষ্যেই সোয়া ৫ লাখ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনার প্রস্তুতি * শপথ নিলেন মন্ত্রিপরিষদের ৪৭ সদস্য * চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হলেন শেখ হাসিনা * বাংলাদেশ পুরো বিশ্বে সফল দেশ হিসেবে পরিচিত - হর্ষবর্ধন শ্রিংলা *
     09,2018 Thursday at 08:43:49 Share

বিষের ছোঁয়ায় একটি সামাজিক আন্দোলনের মৃত্যু

বিষের ছোঁয়ায় একটি সামাজিক আন্দোলনের মৃত্যু

স্বদেশ রায় ::
ফুলের মতো ছিল
মনে হয়েছিল রাস্তায় হাজার হাজার ফুল ফুটেছে। ফুলের যেমন নিজের কোন স্বার্থ নেই কেবল অন্যের জন্য গন্ধ বিলায়- এরাও ছিল ঠিক তেমনি। স্কুল কলেজের ছেলেমেয়েরা রাস্তায় নেমে এসেছিল বেদনার্ত মুখ নিয়ে, চোখে কান্নার টলমল জল। না, নিজের জন্য নয় বেদনা, জল ছিল তাদের সহপাঠীর জন্য। তাদের সহপাঠী রাজপথে মারা গেছে। না, কোন আন্দোলনে, কোন দাবিতে এসে তারা মারা যায়নি। তারা মারা গেছে একটি সুখী সমৃদ্ধ হওয়ার পথে এগিয়ে যাওয়া সুন্দর দেশে। যারা মারা গেছে তাদের পিতা-মাতা কোন বড় চাকুরে নয়, তারপরে তারা ভাল কলেজে পড়ছে। কারণ, রাষ্ট্র তাদের পিতা-মাতাকে সেই আয় করার পরিবেশ দিয়েছে। তাদেরও করে দিয়েছে পড়ার সুযোগ। তাই খুশি মনে কলেজে যাওয়ার পথেই হয় তাদের খুশির অবসান। দুটি বাসের উন্মাদ প্রতিযোগিতায় তারা মারা যায়। এই কষ্ট তাদের সহপাঠীদের সহ্যের নয়। সহপাঠীরা তীব্র বেদনা নিয়ে রাজপথে নেমে পড়ে। ২৯ জুলাই তারা যখন রাজপথে নামে তখন তারা কয়েকটি রাস্তায় ছিল। ৩০ ৩১ জুলাই তারা রাজধানীর নানান স্থানে। কয়েকটি স্থানে ঘুরে ঘুরে তাদের মুখ দেখেছি। তাদের মুখের ভাষা বোঝার চেষ্টা করেছি। না, বাস চাপায় মারা গেলে তাদের কোন ক্রোধ নেই আমার ছোট যানবাহনটির ওপর। বার বার চেয়ে চেয়ে দেখেছি সন্তানদের মুখগুলো। ভাল লেগেছে এই ভেবে, এই লোভ যুদ্ধ উন্মাদনা পশ্চাৎপদ চিন্তার পৃথিবীতে তাদের মুখে ভালবাসার বেদনা। তাদের এই বেদনার ভেতর একটা সুন্দর বাংলাদেশের ভবিষ্যত দেখা যায়


কেন তুমি পারবে না


মনে মনে ভাবি কী হতে পারে তাদের মুখের ভাষা। আমরা যখন রাজপথে ছিলাম, তখন তো আমাদের মুখের ভাষা, শরীরের ভাষা ছিল একটাইÑ ‘সামরিক সরকারের পতন চাই না, এখানে সে ভাষা নয়। নতুন ভাষা। গণতান্ত্রিক, সুখী সমৃদ্ধ দেশের সন্তানদের ভাষা। বড় নতুন লাগল ভাষা দেখে। আন্দোলনে ভাষা এর আগে কখনও ভূখ- দেখিনি। যেমন করে মায়ের কাছে সন্তান দাবি জানায় তেমনি করেই যেন ওই বেদনার্ত মুখগুলো দাবি জানাচ্ছে, তুমি নিজের টাকায় পদ্মা সেতু করতে পার, তুমি ফ্লাইওভার করতে পার একের পর এক- তুমি এলিভেটেড এক্সপ্রেসের কাজ শুরু করেছ, মেট্রোরেলের কাজ শুরু করেছ, তুমি আমার বাবা-মায়ের আয় বাড়িয়ে দিয়েছ, আমি বিদেশী চকলেট খাচ্ছি- অথচ তুমি আমাকে রাস্তায় নিরাপত্তা দিতে পার না? আমি রাস্তায় নিরাপত্তা চাই, আমি নিরাপদ সড়ক চাই। নিরাপদ সড়ক যে কতটা দরকার তা প্রতিটি পিতা-মাতার বুক বুঝতে পারে। যতক্ষণ সন্তান রাস্তায় থাকে বা দূরে কোথাও যায় ততক্ষণ কি যেন একটা অজানা আশঙ্কায় বুক দপ দপ করে। এক কঠিন বেদনা বুকের। এখানে সবাই সমান, এখানে বিশ্বাসী, অবিশ্বাসী সকলে একই রকম কাতর থাকে


ওরা বনপুষ্প


এই যে রাজপথে মৃত্যু এর জন্য সব দায় দরিদ্র ড্রাইভারদের ওপর চাপানো যায় না। কারণ, দেশ সমৃদ্ধির পথে- তবে এখনও তো শতভাগ

User Comments

  • আরো