২১ আগস্ট ২০১৮ ১৪:৬:২৪
logo
logo banner
HeadLine
কাল পবিত্র ইদ উল আযহা * কুরবানি কি ? কুরবানির গুরত্বপূর্ণ মাসয়ালা মাসায়েল * ২১ আগস্ট, রক্তাত্ত ২১ আগস্ট * তাকবীরে তাশরীক কি এবং কখন পড়তে হয় * বিমান বহরে যুক্ত হল বোয়িং ৭৮৭ 'আকাশবীণা' * কুরবানির জন্য সুস্থ ও ভালো পশু চেনার উপায় * আজ হজ, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত হবে আরাফাত ময়দান * সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সায়মা ওয়াজেদের কোনো আইডি নেই * চক্রান্ত চলছে, গোপন বৈঠক হচ্ছে, আমরাও প্রস্তুত আছি - কাদের * হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু : মিনায় যাচ্ছেন হাজিরা * খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফের সমাবেশ প্রাক্কালে সন্ত্রাসীদের গুলি, নিহত ৬ * কফি আনান আর নেই * মোটা তাজা কোরবানির পশু ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি * গুজবই ভরসা , সরকার হটাতে বিরোধীদের অপচেষ্টা * নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বেশ কিছু নির্দেশনা * ডাক্তাররা রোগীকে মেরে ফেলতে চান না, তারা অনেক ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন:প্রধানমন্ত্রী * জিলহজ মাসের আমলসমূহ * ডিসেম্বারের শেষ সপ্তাহে সংসদ নির্বাচন, তফসিল নবেম্বরের প্রথমে * সৌদি আরবে সড়ক দূর্ঘটনায় সন্দ্বীপের এক পিতা ৩ কন্যাসহ নিহত, মাতা ও ১ পুত্র আহত * বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহতের সঙ্গে জিয়া জড়িত ছিল : শেখ হাসিনা * বাংলাদেশে আর কোনদিন খুনীদের রাজত্ব আসবে না : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা * হেলিকপ্টারে পদ্মা সেতুর অগ্রগতি দেখছেন প্রধানমন্ত্রী * ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ির মৃত্যু * দেশীয় গরুতে কোরবানি * বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য * সাগরে মৌসুমী নিম্নচাপ, ৩ নং সতর্ক সংকেত * সৌদি আরবে আরও ৫ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু * বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা * জিয়াই ছিলেন বঙ্গবন্ধু হত্যার মূল হোতা * মৃত্যুর মুখেও পিছু হটিনি - প্রধানমন্ত্রী *
     09,2018 Thursday at 08:43:49 Share

বিষের ছোঁয়ায় একটি সামাজিক আন্দোলনের মৃত্যু

বিষের ছোঁয়ায় একটি সামাজিক আন্দোলনের মৃত্যু

স্বদেশ রায় ::
ফুলের মতো ছিল
মনে হয়েছিল রাস্তায় হাজার হাজার ফুল ফুটেছে। ফুলের যেমন নিজের কোন স্বার্থ নেই কেবল অন্যের জন্য গন্ধ বিলায়- এরাও ছিল ঠিক তেমনি। স্কুল কলেজের ছেলেমেয়েরা রাস্তায় নেমে এসেছিল বেদনার্ত মুখ নিয়ে, চোখে কান্নার টলমল জল। না, নিজের জন্য নয় বেদনা, জল ছিল তাদের সহপাঠীর জন্য। তাদের সহপাঠী রাজপথে মারা গেছে। না, কোন আন্দোলনে, কোন দাবিতে এসে তারা মারা যায়নি। তারা মারা গেছে একটি সুখী সমৃদ্ধ হওয়ার পথে এগিয়ে যাওয়া সুন্দর দেশে। যারা মারা গেছে তাদের পিতা-মাতা কোন বড় চাকুরে নয়, তারপরে তারা ভাল কলেজে পড়ছে। কারণ, রাষ্ট্র তাদের পিতা-মাতাকে সেই আয় করার পরিবেশ দিয়েছে। তাদেরও করে দিয়েছে পড়ার সুযোগ। তাই খুশি মনে কলেজে যাওয়ার পথেই হয় তাদের খুশির অবসান। দুটি বাসের উন্মাদ প্রতিযোগিতায় তারা মারা যায়। এই কষ্ট তাদের সহপাঠীদের সহ্যের নয়। সহপাঠীরা তীব্র বেদনা নিয়ে রাজপথে নেমে পড়ে। ২৯ জুলাই তারা যখন রাজপথে নামে তখন তারা কয়েকটি রাস্তায় ছিল। ৩০ ৩১ জুলাই তারা রাজধানীর নানান স্থানে। কয়েকটি স্থানে ঘুরে ঘুরে তাদের মুখ দেখেছি। তাদের মুখের ভাষা বোঝার চেষ্টা করেছি। না, বাস চাপায় মারা গেলে তাদের কোন ক্রোধ নেই আমার ছোট যানবাহনটির ওপর। বার বার চেয়ে চেয়ে দেখেছি সন্তানদের মুখগুলো। ভাল লেগেছে এই ভেবে, এই লোভ যুদ্ধ উন্মাদনা পশ্চাৎপদ চিন্তার পৃথিবীতে তাদের মুখে ভালবাসার বেদনা। তাদের এই বেদনার ভেতর একটা সুন্দর বাংলাদেশের ভবিষ্যত দেখা যায়


কেন তুমি পারবে না


মনে মনে ভাবি কী হতে পারে তাদের মুখের ভাষা। আমরা যখন রাজপথে ছিলাম, তখন তো আমাদের মুখের ভাষা, শরীরের ভাষা ছিল একটাইÑ ‘সামরিক সরকারের পতন চাই না, এখানে সে ভাষা নয়। নতুন ভাষা। গণতান্ত্রিক, সুখী সমৃদ্ধ দেশের সন্তানদের ভাষা। বড় নতুন লাগল ভাষা দেখে। আন্দোলনে ভাষা এর আগে কখনও ভূখ- দেখিনি। যেমন করে মায়ের কাছে সন্তান দাবি জানায় তেমনি করেই যেন ওই বেদনার্ত মুখগুলো দাবি জানাচ্ছে, তুমি নিজের টাকায় পদ্মা সেতু করতে পার, তুমি ফ্লাইওভার করতে পার একের পর এক- তুমি এলিভেটেড এক্সপ্রেসের কাজ শুরু করেছ, মেট্রোরেলের কাজ শুরু করেছ, তুমি আমার বাবা-মায়ের আয় বাড়িয়ে দিয়েছ, আমি বিদেশী চকলেট খাচ্ছি- অথচ তুমি আমাকে রাস্তায় নিরাপত্তা দিতে পার না? আমি রাস্তায় নিরাপত্তা চাই, আমি নিরাপদ সড়ক চাই। নিরাপদ সড়ক যে কতটা দরকার তা প্রতিটি পিতা-মাতার বুক বুঝতে পারে। যতক্ষণ সন্তান রাস্তায় থাকে বা দূরে কোথাও যায় ততক্ষণ কি যেন একটা অজানা আশঙ্কায় বুক দপ দপ করে। এক কঠিন বেদনা বুকের। এখানে সবাই সমান, এখানে বিশ্বাসী, অবিশ্বাসী সকলে একই রকম কাতর থাকে


ওরা বনপুষ্প


এই যে রাজপথে মৃত্যু এর জন্য সব দায় দরিদ্র ড্রাইভারদের ওপর চাপানো যায় না। কারণ, দেশ সমৃদ্ধির পথে- তবে এখনও তো শতভাগ

User Comments

  • কলাম