১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ ৩:৫৫:০৬
logo
logo banner
HeadLine
দ্রুতগতিতে চলছে ১০ মেগা প্রকল্প ও ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণকাজ * ভবিষ্যতে তরুণদের সুযোগ করে দিতে চাই - শেখ হাসিনা * একদিন আগেই শুরু হল বিশ্ব এজতেমা * ছয় দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী আজ জার্মানি যাচ্ছেন * ২৮ দিনে জমির নামজারি , সর্বোচ্চ ৫৩ দিনে নক্সা অনুমোদন, ভবন নির্মাণে বীমা বাধ্যতামুলক * ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য উন্নত দেশ গড়তে চাই - প্রধানমন্ত্রী * ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবি গ্রামবাসী সংঘর্ষ, নিহত চার * কর্ণফুলী টানেল : চট্টগ্রাম হবে ওয়ান সিটি টু টাউন * ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচন * 'জয় বাংলা' মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান, বীর বাঙালীর স্লোগান * সব হজযাত্রায় খরচ বেড়েছে * ডাকসু'র তফসিল আজ * অল্প জমি ও মাটি ছাড়া সবজি, ফুল, ফল উৎপাদনের প্রযুক্তিকে চাষী পর্যায়ে নিয়ে যান - কৃষিমন্ত্রী * আরও ১২২ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর নাম ঘোষণা * রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ বাসস্থান চায় ঢাকা * হিন্দুকুশের বরফ দ্রুত গলছে : ভেসে যাবে দশ নদীর অববাহিকা , বিপন্ন হবে ২শ' কোটি লোক * উপজেলা নির্বাচনে ৮৭ চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল আওয়ামীলীগ, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীতা থাকবে উন্মুক্ত * জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের ঘোষনা * শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে আজ * দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবে রূপ দিতে হবে * সব ধরনের কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকারের নীতিমালা বৈধ: হাইকোর্ট * সন্দ্বীপ-চট্টগ্রাম ব্রিজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই ও সন্দ্বীপে একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের আহবান জানালেন প্রধানমন্ত্রী * ২১ গুণীজনের ২১শে পদক লাভ * দুদকের ৩৩ মামলায় ৩৮৪ বছর কারাদণ্ড হয়েছিল নির্দোষ জাহালমের! * প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হবে - প্রধানমন্ত্রী * সব ধরনের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করার তাগিদ দিলেন প্রধানমন্ত্রী * এবারের বিশ্ব ইজতেমা ৪ দিনে অনুষ্ঠিত হবে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী * উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু * উপজেলা নির্বাচনের প্রথম দফা তফসিল আজ * আসছে ৫ লাখ কোটির বাজেট : নির্বাচনী ইশতেহার হচ্ছে মূল ভিত্তি , উদ্দেশ্য দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা এবং বিনিয়োগে আকৃষ্ট করা *
     21,2018 Tuesday at 09:33:04 Share

কাল পবিত্র ইদ উল আযহা

কাল পবিত্র ইদ উল আযহা

আজ রাত পোহালেই আগামী কাল  আমাদের দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। ত্যাগের মহিমা ও উৎসব আমেজে সমৃদ্ধ এ ঈদ পালনে প্রস্তুত সারাদেশের মুসলমানরা। পশু কোরবানিই এ ঈদের ইবাদত। এর আগে ঈদের নামাজে ধনী গরিব নির্বিশেষে একই কাতারে শামিল হয়ে মহান স্রষ্টার সান্নিধ্য কামনা করবেন। নামাজ আদায়ের পরপরই পশু কোরবানির জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠবেন মুসলমানরা। এরপর গরিবের মাঝে মাংস বিতরণের মধ্যদিয়ে কোরবানির মহান আদর্শ সবার মাঝে সমানভাবে ছড়িয়ে দেয়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন বরাবরের মতো।


ঈদুল আজহা একদিকে যেমন সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজেকে সমর্পণ, অন্যদিকে কোরবানির মাংস বণ্টনের মাধ্যমে ধনী গরিবের আত্মিক মিলনও।


ঈদুল আজহাকে ঘিরে চারদিকে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা এবং উৎসবের আমেজ। ঈদের দিন সকালে পশু কোরবানি দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে অধিকাংশ কোরবানিদাতা নিজেদের পছন্দের পশু কিনে ফেলেছেন। অনেকে আজ মঙ্গলবার শেষমুহূর্তে পশু ক্রয় করবেন। কারণ বাসায় রাখার ঝামেলা থেকে বাঁচতে অনেকে একেবারে শেষ মুহূর্তে কোরবানির পশু কিনেন। পাশাপাশি গরু জবাই সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কসাই ঠিক করা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সবমিলে গরু কেনাকাটা সাঙ্গ করা, কোরবানিদাতারা মাংস কাটার সময় ব্যবহৃত গুঁড়ি, দা, ছুরিসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহে রয়েছেন। শহর গ্রাম সবখানেই ঈদের আমেজ। শহরে বসবাস করা অধিকাংশ মানুষ গ্রামে ছুটে গেছেন ঈদ করার জন্য। গ্রামে যারা ঈদ করবেন পশু কেনাকাটার কাজটি তারা সেখানেই সম্পন্ন করার জন্য ছুটছেন।


প্রতি জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ত্যাগ ও আনন্দের বার্তা নিয়ে মুসলমানদের দুয়ারে হাজির হয় ঈদুল আজহা। আল্লাহর বিধান অনুযায়ী তার নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট পশু কোরবানি করবেন সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলমান। প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বছর আগে হজরত ইবরাহিম (আ.) মহান আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে নিজের সবচেয়ে প্রিয় পাত্র পুত্র হজরত ইসমাঈলকে (আ.) কোরবানি করার উদ্যোগী হন। গলায় ছুরিও চালানো হয়। কিন্তু আল্লাহর কুদরতে হজরত ইসমাঈল (আ.) এর পরিবর্তে দুম্বা কোরবানি হয়ে যায়। সেই থেকেই চালু হয় কোরবানিতে পশু জবাই করার বিধান। ইবরাহিম (আ.) এর সেই ত্যাগের মহিমা স্মরণ করে মুসলমানরা প্রতিবছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে আল্লাহর অনুগ্রহ কামনায় পশু কোরবানি করেন। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলমানের জন্য কোরবানি করা ওয়াজিব। ১১ ও ১২ জিলহজও পশু কোরবানি করার সুযোগ রয়েছে। কোরবানির মধ্য দিয়ে নিজের ভেতরের পশুত্বকে পরিহার করা এবং হজরত ইবরাহিম (আ.) এর মহান আত্মত্যাগের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে কোরবানির দিনের শুরুতেই সবাই ঈদগাহে যাবেন ঈদুল আজহার দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায় করতে। নামাজ শেষে খুতবার পর আনন্দের দিনে অশ্রুসিক্ত হয়ে চিরকালের জন্য চলে যাওয়া স্বজনদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় আল্লাহর দরবারে কড়জোরে মোনাজাত করবেন। ধনী–গরিবের ভেদাভেদ ভুলে এক সঙ্গে নামাজ আদায়ের পর শুরু হবে ঈদের দিনের সবচেয়ে মনোরম পর্ব কোলাকুলি। ঈদের নামাজ শেষে আল্লাহ তায়ালার উদ্দেশে পশু কোরবানি এ ঈদের প্রধান কর্তব্য।

User Comments

  • ধর্ম ও নৈতিকতা