২৭ মার্চ ২০১৯ ৯:৩০:৩৪
logo
logo banner
HeadLine
স্বাধীনতার ঘোষণা , বঙ্গবন্ধুর স্বকণ্ঠে * মুজিব কান্ট্রি হতে বাংলাদেশ * সেই কালরাত আজ, আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনে জোর কূটনৈতিক তৎপরতা বাংলাদেশের * কিছু ফ্রাঙ্কেনস্টাইন শেখ হাসিনার অর্জনকে ধ্বংস করে দেবে, এদের রুখতে হবে - নাসিম * দৃষ্টির সীমা ছাড়িয়ে চলে গেলেন শাহ্‌নাজ রহমত উল্লাহ * বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ * বিশ্ব আবহাওয়া দিবস আজ * ওবায়দুল কাদের সম্পূর্ণ সুস্থ * উন্নয়নের কাজে মানুষের যেন ক্ষতি না হয় - প্রধাণমন্ত্রী * ভাসানচরে রোহিঙ্গা পুনর্বাসনকে স্বাগত জানালো ইউএনএইচসিআর * ওটি থেকে আইসিইউতে ওবায়দুল কাদের * মাথাপিছু আয় বেড়ে ১৯০৯ ডলার * আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত সকল পরীক্ষা তুলে দেওয়ার নির্দেশ * পদ্মাসেতুর রোডওয়েতে স্ল্যাব বসানোর কাজ শুরু, ২১ মার্চ বসছে নবম স্প্যান * ওবায়দুল কাদেরের বাইপাস সার্জারি শুরু, দোয়া প্রার্থনা * নিউজিল্যান্ডের পর অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণেও সতর্কতা জারি করল বাংলাদেশ * বাকশাল ছিলো সর্বোত্তম পন্থা, বাকশাল থাকলে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠতো না - প্রধানমন্ত্রী * নিউ জিল্যান্ডে ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ * নির্বাচন শেষে ফেরার পথে বাঘাইছড়িতে গুলিতে প্রিজাইডিং অফিসারসহ নিহত ৬ * '৩০ সেকেন্ড এদিক-ওদিক হলেই আমাদের লাশ দেশে ফিরতো' * বাংলাদেশের বিপ্লব, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং জাতির পিতার নেতৃত্ব * যেখানে জনক তুমি মৃত্যুঞ্জয়ী * বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা * বাঙালির একমাত্র মহানায়ক * ক্রাইস্টচার্চে হামলায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক এবং নিন্দা, সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার * ক্রাইস্টচার্চে হামলায় ৩ বাংলাদেশীসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ * বিশ্বজুড়ে ফেইসবুক ব্যবহারে সমস্যা হচ্ছে * একদিনে চার রকম কথা বললেন নুর * রোহিঙ্গাদের কোথায় রাখা হবে তা বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয় * শিক্ষার জন্য শিশুদের অতিরিক্ত চাপ দেওয়া উচিত নয়: প্রধানমন্ত্রী *
     07,2018 Wednesday at 18:44:22 Share

সংলাপ শেষ তবে আলোচনা হতে পারে, নির্বাচন পেছানো ও উপদেস্টা নিয়োগের প্রস্তাব নাকচ - কাদের

সংলাপ শেষ তবে আলোচনা হতে পারে, নির্বাচন পেছানো ও উপদেস্টা নিয়োগের প্রস্তাব নাকচ - কাদের

জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় হয়ে যাওয়ায় আর সংলাপ করার সুযোগ নেই জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তাদের সঙ্গে ‘আলোচনা হতে পারে তবে ডায়ালগ (সংলাপ) শেষ।’  
বুধবার (৭ অক্টোবর) জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১১ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের দ্বিতীয় দফা সংলাপ শেষে সরকারি দলের মুখপাত্র হিসেবে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।


প্রেস ব্রিফিংয়ের শুরুতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সংলাপ এখনও শেষ হয়নি, রাতে আরেকটা সংলাপ আছে। ২৫টি দল এখনও বাকি আছে। অনেক নতুন অ্যাপ্লিকেন্ট আছে। আমরা আর অ্যাকমোডেট করতে পারছি না। বাকি ২৫ দলের সঙ্গে রাতে সংলাপ হবে। আজ ১১ থেকে প্রায় ৩ ঘণ্টা সংলাপ হলো। এই সংলাপ দ্বিতীয় দফার সংলাপ। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে তারা এসেছেন এবং আলোচনা হয়েছে। মন খুলে কথা বলেছেন তারা। আমরাও বলেছি। তাদের সঙ্গে এটা দ্বিতীয় দফার সংলাপ।’


‘আজকে তারা যে দাবিগুলো নিয়ে এসেছেন তা হচ্ছে নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণার আগে তারা কিছু বিষয়ে নিশ্চয়তা চান। কিছু বিষয়ে ঐকমত্য চান। এর মধ্যে মূল কথা হচ্ছে তারা আসলে সংবিধান সম্মতভাবে ২৭-২৮ জানুয়ারি থেকে এদিকে যে ৯০ দিন সংসদ যেদিন বসছে, যে সংসদ বিদায়ী সংসদ সেদিন থেকে ৫ বছর এর আগের তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। কিন্তু তারা চাইছেন সংসদ ভেঙে দিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। এটা হচ্ছে মূল কথা। এছাড়া লেভেল প্লেইং ফিল্ড, বিদেশি পর্যবেক্ষক এসব বিষয়ে আমাদের নেত্রী বলেছেন,  এসব দাবি মেনে নিতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। শিডিউল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন এগুলোর  এসব করবে। তাদের লেভেল প্লেইং ফিল্ডের ব্যাপারেও আমরা সম্মত। আমাদের মন্ত্রীরা নিজেদের এলাকায় জাতীয় পতাকা ব্যবহার করবে না। সরকারি সুযোগ সুবিধা নেবে না। সার্কিট হাউস ব্যবহার করবে না, সরকারি গাড়ি ব্যবহার করবে না। কোনও প্রকার সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করবে না। অন্য এমপিদের কোনও ক্ষমতা থাকবে না।’


এ সংলাপে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবির বেশ কিছু দাবি মানা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তবে সংবিধানের বাইরে কোনও কিছু মানা সম্ভব নয়। কিছু কিছু প্রস্তাব আছে যেগুলো মেনে নিতে আমাদের আপত্তি নেই। তারা প্রস্তাব দিচ্ছেন সংবিধানের মধ্যেই। কিন্তু বিষয়টাতো সংবিধানের বাইরে। তাদের প্রস্তাবের মধ্যে ও সংবিধানের সঙ্গে বিশাল একটা গ্যাপ আছে। তারপরও যাওয়ার  সময় তাদের অনেকটা নমনীয় মনে হয়েছে।


এরপর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, তারা সংসদের নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের কথা বলেছেন। কিন্তু, সে দাবি মানা সম্ভব নয়। ‘একটা সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের ব্যাপারে আমাদের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তাদের পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন আপনারা আসুন আমি একটা অবাধ ও সুষ্ঠু ইলেকশন আপনাদের দেখাতে চাই। এ ব্যাপারে সহযোগিতা করুন। নির্বাচনকে পিছিয়ে দিতে গিয়ে কোন ফাঁক-ফোকর দিয়ে কোনও অপশক্তিকে অনুপ্রবেশের সুযোগ দেবেন না। এটা আপনাদের জন্য ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। আমাদের সকলের জন্য সর্বনাশ ডেকে আনতে পারে।’


তিনি বলেছেন, সংলাপ হয়েছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে সংলাপ করেছেন। দেশের ইতিহাসে এ ঘটনা আর ঘটেনি। আলোচনা হয়েছে। এবং আলোচনার পরিবেশটা ছিল সৌহার্দ্যপূর্ণ। আলোচনার পরিবেশে কোনও প্রকার অপ্রীতিকর কিছু ঘটেনি। এটাও একটা  ইতিবাচক অগ্রগতি। কিছু কিছু দাবি আমদের মেনে নিতে যে আমাদের আপত্তি নেই সেটাও তো একটা অগ্রগতি। তবে আলোচনা চলবে, নির্বাচনের প্রক্রিয়াও এগিয়ে যাবে। এর মধ্যে প্রয়োজনে আলোচনা এগিয়ে যাবে। তবে ডায়ালগ শেষ।


তিনি বলেছেন, নির্বাচন পিছিয়ে দিতে এটা তাদের বাহানা। কিন্তু আমরা সংবিধানের বাইরে যাবো না। নির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই। গত সাত দিনে যত সংলাপ হয়েছে সেসব বিষয় নিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, সংসদ যেদিন বসেছে সেদিন থেকে হিসেব করে সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু তারা সংলাপে প্রস্তাব দিয়েছেন নির্বাচন সংসদের মেয়াদ শেষে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে করার। কিন্তু এটা সংবিধানের বাইরে। তাই আমরা এতে সম্মত হইনি। আর একজন প্রধান উপদেষ্টাসহ ১০ জন উপদেষ্টা রেখে নির্বাচন করার প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয়।


বুধবার বেলা ১১টার দিকে গণভবনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সরকারের দ্বিতীয় দফার সংলাপ শুরু হয়। টানা তিন ঘণ্টার এই সংলাপে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন গণফোরাম সভাপতি এবং ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন  বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. ‌মোশাররফ হো‌সেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব, দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ‌মোস্তফা মহ‌সিন মন্টু, দলের কার্যকরী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত ‌চৌধু‌রী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, দলের উপদেষ্টা এস এম আকরাম, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নেতা ও ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর।


সংলাপে সরকারের পক্ষে নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও ছিলেন আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, ওবায়দুল কাদের, অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, ডা. দীপু মণি, ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, স ম রেজাউল করিম, রাশেদ খান মেনন ও হাসানুল হক ইনু।


প্রসঙ্গত, অক্টোবরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর তাদের আহ্বানে গত ১ নভেম্বর ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ২০ সদস্যদের একটি প্রতিনিধি দলের প্রথম দফা সংলাপে অংশ নেয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার।banglatribune.

User Comments

  • আরো