১৩ আগস্ট ২০২০ ২৩:৪১:১৬
logo
logo banner
HeadLine
১৩ আগস্ট : দেশে আজ শনাক্ত ২৬১৭ , মৃত ৪৪ * ১২ অগাস্ট : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ৬৬ * ১২ আগস্ট : দেশে আজ শনাক্ত ২৯৯৫ , মৃত ৪২ * ১১ অগাস্ট : সন্দ্বীপের ৪ জনসহ চট্টগ্রামে করোনা শনাক্ত আরও ১৪৯ * বিশ্বে প্রথম করোনা ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিল রাশিয়া * ১১ আগস্ট : দেশে আজ শনাক্ত ২৯৯৬ , মৃত ৩৩ * মাস্ক পরতে বাধ্য করতে মাঠে নামছে মোবাইল কোর্ট * ১০ অগাস্ট : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ১১৮ * ১৫ আগস্ট এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলী * ১০ আগস্ট : দেশে আজ শনাক্ত ২৯০৭ , মৃত ৩৯ * ৯ অগাস্ট : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ১৬০ * ভবিষ্যতে বঙ্গবন্ধু 'মহাকালের মহামানব' বলে অভিহিত হবেন : একজন বিদেশী শিক্ষাবিদের অভিমত * ৯ আগস্ট : দেশে আজ শনাক্ত ২৪৮৭ , মৃত ৩৪ * ৮ অগাস্ট : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ৭৩ * বঙ্গবন্ধুর প্যারোলে মুক্তি প্রত্যাখ্যান করে বঙ্গমাতা রাজনৈতিক ইতিহাস বদলে দিয়েছেন : প্রধানমন্ত্রী * ৮ আগস্ট : দেশে আজ শনাক্ত ২৬১১ , মৃত ৩২ * আজ বঙ্গমাতার ৯০তম জন্মবার্ষিকী * ৭ অগাস্ট : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ১১৭ * ৭ আগস্ট : দেশে আজ শনাক্ত ২৮৫১ , মৃত ২৭ * ৬ অগাস্ট : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ১২৮ * সিনহা হত্যা মামলায় প্রদীপসহ ৩ আসামির ৭ দিন রিমান্ড * বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর * সিনহা হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপসহ ৭ আসামি কারাগারে * ২৫% নয়, অফিস করতে হবে সবাইকে * বন্দরসমূহে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত * ৬ আগস্ট : দেশে আজ শনাক্ত ২৯৭৭ , মৃত ৩৯ * স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া হাসপাতালে অভিযান নয় * সিনহা হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপ গ্রেফতার * সিনহার মৃত্যুর ঘটনায় ওসি প্রদীপসহ ৯ পুলিশের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা * ৫ অগাস্ট : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ১২১ *
     01,2019 Friday at 21:16:54 Share

নামাযে মনে মনে কেরাত পড়াসহ কয়েকটি ভুল

নামাযে মনে মনে কেরাত পড়াসহ কয়েকটি ভুল

মনে মনে কেরাত নয়, পড়তে হবে নিচুস্বরে


যে সমস্ত নামাযে আস্তে কেরাত পড়া হয়, সে সকল নামাযে অনেককে দেখা যায়, মুখ-ঠোঁট না নেড়ে মনে মনে সূরা কেরাত পড়েন। হয়তো তারা এই ভুল ধারণা করে আছেন যে, আস্তে আস্তে কেরাত পড়া মানে মনে মনে পড়া।


এটি ঠিক নয়। কারণ যে সকল নামাযে কেরাত আস্তে পড়তে বলা হয়েছে, তার অর্থ হল, নিচু স্বরে তিলাওয়াত করা। আর এতো খুবই সহজ কথা যে, মনে মনে পড়া কোনোক্রমেই নিচু স্বরে পড়া নয়।


ফিকহ-ফাতাওয়ার কিতাবাদি থেকেও বোঝা যায় যে, আস্তে কেরাত পড়ার সর্বোত্তম পদ্ধতি হল এমনভাবে পড়া, যেন সে নিজে শুনতে পায়। আর সর্বনিম্ন এতটুকু তো অবশ্যই জরুরি যে, সহীহ-শুদ্ধভাবে হরফ উচ্চারণ করা হবে এবং ঠোঁট-জিহবার নড়াচড়া  দেখা যাবে। একটি হাদীসে আছে যে, যোহর ও আসর নামাযে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কুরআন পড়তেন, তখন কোনো কোনো আয়াত সাহাবায়ে কেরামও কখনো কখনো শুনতে পেতেন। হযরত আবু মামার বলেন, আমরা হযরত খাববাব রা.কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি যোহর ও আসর নামাযে কুরআন পড়তেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমরা প্রশ্ন করলাম, আপনারা কীভাবে বুঝতেন? তিনি বললেন, ‘বিজতিরাবি লিহয়াতিহী’-তাঁর দাঁড়ি মোবারক নড়াচড়া দ্বারা। (সহীহ বুখারী-ফাতহুল বারী ২/২৮৪-২৮৭)


অতএব কেরাত পড়ার সময় জিহবা ও ঠোঁট ব্যবহার করে মাখরাজ থেকে সহীহ-শুদ্ধভাবে হরফ উচ্চারণ করতে হবে। অন্যথায় শুধু মনে মনে পড়ার দ্বারা কেরাত আদায় হবে না।


তাকবীরে তাহরীমা মনে মনে বলা


এটি আরেকটি ভুল। ইমামের পিছনে নামায পড়ার সময় এই ভুলটি ব্যাপকভাবে দেখা যায়। কান পর্যন্ত হাত উঠিয়ে বাঁধাকেই অনেকে যথেষ্ট মনে করে। কিন্তু মনে রাখা দরকার যে, নামাযের শুরুতে তিনটি কাজ করতে হয়। প্রথমে মনে মনে কোন নামায পড়ছি-এর সংকল্প করতে হবে। এর নাম নিয়ত, যা নামায সহীহ হওয়ার জন্য জরুরি। উল্লেখ্য, মনে মনে সংকল্প করে নিলেই নিয়ত হয়ে যাবে, মুখে উচ্চারণ করতে হবে না।


দ্বিতীয় কাজটি হল, তাকবীরে তাহরীমা। অর্থাৎ স্পষ্ট উচ্চারণে ‘আল্লাহু আকবার’ বলা। যেহেতু এই তাকবীরের মাধ্যমে নামায বহির্ভূত সকল কাজ হারাম হয়ে যায় তাই একে ‘তাকবীরে তাহরীমা’ বলে। এই তাকবীর বলা ফরয। যা স্পষ্টভাবে মুখে উচ্চারণ করতে হবে।


তৃতীয় কাজ হল, কান পর্যন্ত দুই হাত উঠিয়ে ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরে নাভির নিচে বাঁধা। এই কাজটি সুন্নত।


প্রচলিত পরিভাষায় ‘নামাযের নিয়ত বাঁধা’ এই তিন আমলের সমষ্টিকেই বোঝায়।


এখন কেউ যদি শুধু হাত উঠিয়ে তা বেঁধে নিল কিন্তু আল্লাহু আকবার বলল না বা মনে মনে বলল তাহলে নামাযের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ওয়াজিবটিই আদায় হয়নি। ফলে তার নামায আদায় হবে না।


অতএব এখানেও তাকবীর স্পষ্টভাবে মুখে উচ্চারণ করা অপরিহার্য। শুধু মনে মনে বলা যথেষ্ট নয়।


 


আমীন মনে মনে বলা


এটিও আরেকটি ভুল। নিয়ম হল, জামাতে নামায পড়ার সময় ইমাম সূরা ফাতিহা সমাপ্ত করার পর মুকতাদী ‘আমীন’ বলবে। আমীন আস্তে বলা ও জোরে বলা দুটোই শরীয়তের দলীল দ্বারা প্রমাণিত। যদিও অধিকাংশ সাহাবী ও তাবেয়ীর আমল আস্তে বলাই ছিল, তাই অনেক ফকীহ আস্তে বলাকেই উত্তম বলেছেন। কিন্তু এর অর্থ কোনোভাবেই মনে মনে বলা নয়। ‘আস্তে বলা’ কিংবা ‘অনুচ্চস্বরে’ বলা আর মনে মনে বলা এক কথা নয়।


আমীন বলার ফযীলতপূর্ণ সুন্নতটি আদায় করার সময়ও তা স্পষ্টভাবে মুখে উচ্চারণ করা উচিত।


উদাহরণস্বরূপ এই তিনটি আমলের কথা বলা হল, অন্যথায় তাকবীর, তাসবীহ, তাশাহহুদ ও দুআর ক্ষেত্রেও একই ধরনের ভুল পরিলক্ষিত হয়। অথচ এই আমলগুলিও মুখে উচ্চারণের মাধ্যমে আদায় করতে হয়। 


অতএব উদাসীনতা বা অবহেলার কারণে হোক কিংবা না-জানার কারণে, সর্বাবস্থায় উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে মনে মনে বলার ভুল পদ্ধতি সংশোধনযোগ্য।


 

User Comments

  • আরো