৫ জুন ২০২০ ০:৩৮:২১
logo
logo banner
HeadLine
করোনা ভাইরাস থেকে জনগণকে সুরক্ষা দিতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী * ৪ জুন :দেশে আজ শনাক্ত ২৪২৩, মৃত ৩৫ * স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আব্দুল মান্নানসহ ৫ মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব * বাংলাদেশ দুর্যোগ মোকাবেলার ক্ষেত্রে অন্যদের শিক্ষা দিতে পারে : প্রধানমন্ত্রী * সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর তিন দফা প্রস্তাব পেশ * ৩ জুন : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ১৪০ * ১১৩৪ জন মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল , অন্তরভুক্ত হলেন আরও ১২৫৬ * ৩ জুন :দেশে আজ শনাক্ত ২৬৯৫, মৃত ৩৭ * ২ জুন : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ২০৬ * জনগণের কল্যাণের কথাই সরকার সবচেয়ে বেশি চিন্তা করছে : প্রধানমন্ত্রী * ২ জুন :দেশে আজ শনাক্ত ২৯১১, মৃত ৩৭ * ১ জুন : চট্টগ্রামে আজ শনাক্ত আরও ২০৮ * আক্রান্ত ও মৃত্যু অনুযায়ী সারা দেশকে বিভিন্ন জোনে ভাগ করে ব্যবস্থা নেয়ার পরিকল্পনা * সচিবালয়ে ২৫ শতাংশের বেশি কর্মকর্তার অফিস নয় * ১ জুন :দেশে আজ শনাক্ত ২৩৮১, মৃত ২২ * করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ২ হাজার কোটি টাকা সুদ মওকুফের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর * ৩১ মে :দেশে সর্বোচ্চ শনাক্তের সাথে আজ মৃতও সর্বোচ্চ, শনাক্ত ২৫৪৫ মৃত ৪০ * এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৮২.৮৭ * এখনই খুলছে না শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : প্রধানমন্ত্রী * ভাড়া বাড়ছে না রেলের, সব টিকিট অনলাইনে * ৩০ মে: চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ২৭৯ * বসলো ৩০তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো পদ্মাসেতুর সাড়ে ৪ কিলোমিটার * স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মাঠে থাকছে ভ্রাম্যমান আদালত * করোনা প্রতিরোধে জনপ্রতিনিধিদের আরও সম্পৃক্তির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর * ৩০ মে : দেশে আজ শনাক্ত আরও ১৭৬৪, মৃত ২৮ * স্বাস্থ্যবিধি মতো পরিস্থিতি মানিয়ে চলার ওপর গুরুত্ব সরকারের * সব হাসপাতালে করোনা রোগীর চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ * ২৯ মে : পরীক্ষার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সংক্রমন, দেশে আজ শনাক্ত আরও ২৫২৩ * করোনা পরীক্ষার অনুমতি পেল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় * ২৮ মে: চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ২২৯ *
     05,2019 Friday at 09:39:03 Share

সংঘাত নয় আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে - প্রধানমন্ত্রী

সংঘাত নয় আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে - প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমারের সঙ্গে সংঘাতে না জড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, ‘যেহেতু তারা আমাদের একবারে প্রতিবেশী, সেহেতু আমরা তাদের সঙ্গে সংঘাতে যাব না। বরং তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তাদের নাগরিকদের যেন তারা ফিরিয়ে নিয়ে যায় সেই প্রচেষ্টাই আমাদের অব্যাহত থাকতে হবে। আমি সবাইকে অনুরোধ করব যেন, সেভাবে সবাই দায়িত্ব পালন করেন।’ মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনীর দমন পীড়নের মুখে ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। আর আগে থেকেই ছিল চার লাখের মতো। বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে কক্সবাজারের কয়েকটি কেন্দ্রে রেখে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তায় জরুরী মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে বাংলাদেশ সরকার। আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে চুক্তি করার পর ২০১৮ সালের নবেম্বরে প্রত্যাবাসন শুরুর প্রস্তুতি নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে রোহিঙ্গাদের মনে আস্থা না ফেরায় এবং তারা কেউ ফিরে যেতে রাজি না হওয়ায় সেই পরিকল্পনা আটকে রয়েছে। মানবিক কারণেই রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের নিজেদের অভিজ্ঞতা আছে। একাত্তর সালে এক কোটি মানুষ শরণার্থী হিসেবে ছিল। তাদের (রোহিঙ্গা) পুনর্বাসন করতে হয়েছে। তবে মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা ঝগড়া দিতে যাইনি। আমরা আলোচনা করেছি। আমরা চুক্তি সম্পন্ন করেছি এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের দেশে ফেরত পাঠানোই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা এখনও কাজ করে যাচ্ছি।’ তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি শান্তিপূর্ণ হলেও কেউ আক্রমণ করলে তার জবাব দেয়ার মতো প্রস্তুতিও থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেন সরকার প্রধান। তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তি চাই, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চাই। কিন্তু কেউ যদি আমাদের আক্রমণ করে তার যেন যথাযথ জবাব আমরা দিতে পারি আর আমাদের দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব যেন রক্ষা করতে পারি, সেই প্রস্তুতিটা সব সময় আমাদের থাকতে হবে। অন্তত আমি এটুকু বলব যে, আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধ করব না বা যুদ্ধ করতে চাই না। জাতির পিতা নীতিমালা দিয়ে গিয়েছিলেন যে, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। আমরা সেই নীতিতেই বিশ্বাস করি এবং সেই নীতিমালা নিয়েই কিন্তু চলছি।’ কারও সঙ্গে কোন সমস্যা থাকলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হয় জানিয়ে তিনি মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে সমস্যা সমাধানের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, ‘দুটি দেশই আমাদের বন্ধুপ্রতিম দেশ। বন্ধুপ্রতিম দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব রক্ষা করে তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে সেখানে আবার জয়ী হওয়া, এটা আমাদের কূটনৈতিক বা টেকনিক্যাল দিক থেকে ক্রিটিক্যাল ছিল। খুব একটা কঠিন দায়িত্ব ছিল। সেটা আমরা করতে পেরেছি।’ শান্তি রক্ষার জন্যও প্রস্তুতি থাকা দরকার বলে মনে করেন শেখ হাসিনা। বিশ্বে প্রযুক্তি ও যুদ্ধাস্ত্রের প্রতিনিয়তই পরিবর্তন হওয়ার কথা উল্লেখ করে শান্তি মিশনে যাওয়া বাংলাদেশীদের যুগোপযোগী থাকার কথাও বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের যারা সেখানে যাবে সব বিষয়ে তারা পারদর্শী থাকবে সেটাই আমি চাই। এটা একান্তভাবে দরকার, সেই ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, সরঞ্জামাদি সংগ্রহ করা এবং উপযুক্ত করে গড়ে তোলা।’ তার সরকারের সময় সশস্ত্রবাহিনীকে ঢেলে সাজানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভৌগলিক দিক থেকে আমরা ছোট। কিন্তু জনসংখ্যার দিক থেকে আমরা বিশাল। শক্তির দিক থেকে বা মানসিক শক্তির দিক থেকে আমাদের সেইভাবেই তৈরি হতে হবে। প্রশিক্ষণের দিক থেকেও তৈরি হতে হবে। যেন যে কোন অবস্থা মোকাবেলা করার মতো শক্তি আমরা অর্জন করতে পারি এবং মর্যাদার সঙ্গে যেন চলতে পারি। বিশ্বে যেন মাথা উঁচু করে চলতে পারি।’ প্রতিরক্ষা নীতিমালা, ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের একটা সুষ্ঠু পরিকল্পনা আছে। সেটা নিয়েই আমরা এগোতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন গণভবন লাগোয়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি থাকার সময় এখানেই অফিস করতেন। শেখ হাসিনা সে সময়ের কথা স্মরণ করে একে ‘অনেক স্মৃতিবিজড়িত জায়গা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। সভারপ্রাপ্ত সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ সামছুল হক, নৌবাহিনী প্রধান এ্যাডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, প্রতিরক্ষা সচিব আখতার হোসেন ভূইয়াসহ সামরিক ও বেসামরিক উর্ধতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।  জনকন্ঠ।

User Comments

  • জাতীয়