১৫ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৫০:২৫
logo
logo banner
HeadLine
এক বাঙালিসহ অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন ৩ জন * বাংলাদেশ এখন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনারও রোল মডেল : প্রধানমন্ত্রী * ছাত্র রাজনীতি কিংবা ছাত্রলীগ নয়, টার্গেট সরকার * হঠাৎ চারদিকে কেমন যেন অস্বস্তি * ইউনিয়ন পর্যন্ত নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী * রসায়নে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী * দেশের স্বার্থ শেখ হাসিনা বিক্রি করবে, এটা হতে পারে না * পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী * অসাম্প্রদায়িক পরিবেশ অটুট থাকবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর * হাসিনা-মোদী বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত ৭ চুক্তি, ৩ প্রকল্প উদ্বোধন * পারস্পরিক স্বার্থে কাজ করতে ভারত-বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহবান * আঞ্চলিক অর্থনীতির কেন্দ্র হতে পারে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী * উন্নয়নের উইপোকা দমনে প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত * কোনো অন্যায় হলে তার ব্যবস্থা আমিই নেবো, সেটা যে-ই হোক - প্রধানমন্ত্রী * রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেনাবাহিনীকে * রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্ব সম্প্রদায়কে ব্যবস্থা নিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী * 'রাজহংস' উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা * মানুষের সেবা করার ব্রত নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি - প্রধানমন্ত্রী * জনগণের আস্থায় যেন ফাটল না ধরে, সজাগ থাকতে হবে * কাল রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী * এসএমই খাতে ঋণ ও অন্যান্য সুবিধা বাড়ছে * আওয়ামীলীগে শুদ্ধি অভিযান, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী দুই শতাধিক নেতাকে পাঠানো হচ্ছে শোকজ * আমরা কৃষিকেও গুরুত্ব দেই, আবার শিল্পকেও গুরুত্ব দেই - শেখ হাসিনা * বেপরোয়া রোহিঙ্গারা, প্রশাসনিক এ্যাকশন শুরু * স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারী কোষাগারে জমা দিতে হবে * সরকারের মানবিকতাকে দুর্বলতা ভাবা উচিত নয় * 'বাকশাল হলে বাংলাদেশ আগেই বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে থাকতো' - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা * আসামে চূড়ান্ত নাগরিকত্ব তালিকা থেকে বাদ পড়ল ১৯ লাখ * অপকর্মে লিপ্ত থাকায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ৪১ এনজিও প্রত্যাহার * জটিল হয়ে উঠছে রোহিঙ্গা সমস্যা *
     05,2019 Friday at 09:39:03 Share

সংঘাত নয় আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে - প্রধানমন্ত্রী

সংঘাত নয় আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে - প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমারের সঙ্গে সংঘাতে না জড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, ‘যেহেতু তারা আমাদের একবারে প্রতিবেশী, সেহেতু আমরা তাদের সঙ্গে সংঘাতে যাব না। বরং তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তাদের নাগরিকদের যেন তারা ফিরিয়ে নিয়ে যায় সেই প্রচেষ্টাই আমাদের অব্যাহত থাকতে হবে। আমি সবাইকে অনুরোধ করব যেন, সেভাবে সবাই দায়িত্ব পালন করেন।’ মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনীর দমন পীড়নের মুখে ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। আর আগে থেকেই ছিল চার লাখের মতো। বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে কক্সবাজারের কয়েকটি কেন্দ্রে রেখে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তায় জরুরী মানবিক সহায়তা দিয়ে আসছে বাংলাদেশ সরকার। আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে চুক্তি করার পর ২০১৮ সালের নবেম্বরে প্রত্যাবাসন শুরুর প্রস্তুতি নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে রোহিঙ্গাদের মনে আস্থা না ফেরায় এবং তারা কেউ ফিরে যেতে রাজি না হওয়ায় সেই পরিকল্পনা আটকে রয়েছে। মানবিক কারণেই রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের নিজেদের অভিজ্ঞতা আছে। একাত্তর সালে এক কোটি মানুষ শরণার্থী হিসেবে ছিল। তাদের (রোহিঙ্গা) পুনর্বাসন করতে হয়েছে। তবে মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা ঝগড়া দিতে যাইনি। আমরা আলোচনা করেছি। আমরা চুক্তি সম্পন্ন করেছি এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের দেশে ফেরত পাঠানোই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা এখনও কাজ করে যাচ্ছি।’ তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি শান্তিপূর্ণ হলেও কেউ আক্রমণ করলে তার জবাব দেয়ার মতো প্রস্তুতিও থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেন সরকার প্রধান। তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তি চাই, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চাই। কিন্তু কেউ যদি আমাদের আক্রমণ করে তার যেন যথাযথ জবাব আমরা দিতে পারি আর আমাদের দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব যেন রক্ষা করতে পারি, সেই প্রস্তুতিটা সব সময় আমাদের থাকতে হবে। অন্তত আমি এটুকু বলব যে, আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধ করব না বা যুদ্ধ করতে চাই না। জাতির পিতা নীতিমালা দিয়ে গিয়েছিলেন যে, সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। আমরা সেই নীতিতেই বিশ্বাস করি এবং সেই নীতিমালা নিয়েই কিন্তু চলছি।’ কারও সঙ্গে কোন সমস্যা থাকলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হয় জানিয়ে তিনি মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে সমস্যা সমাধানের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, ‘দুটি দেশই আমাদের বন্ধুপ্রতিম দেশ। বন্ধুপ্রতিম দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব রক্ষা করে তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে সেখানে আবার জয়ী হওয়া, এটা আমাদের কূটনৈতিক বা টেকনিক্যাল দিক থেকে ক্রিটিক্যাল ছিল। খুব একটা কঠিন দায়িত্ব ছিল। সেটা আমরা করতে পেরেছি।’ শান্তি রক্ষার জন্যও প্রস্তুতি থাকা দরকার বলে মনে করেন শেখ হাসিনা। বিশ্বে প্রযুক্তি ও যুদ্ধাস্ত্রের প্রতিনিয়তই পরিবর্তন হওয়ার কথা উল্লেখ করে শান্তি মিশনে যাওয়া বাংলাদেশীদের যুগোপযোগী থাকার কথাও বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের যারা সেখানে যাবে সব বিষয়ে তারা পারদর্শী থাকবে সেটাই আমি চাই। এটা একান্তভাবে দরকার, সেই ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, সরঞ্জামাদি সংগ্রহ করা এবং উপযুক্ত করে গড়ে তোলা।’ তার সরকারের সময় সশস্ত্রবাহিনীকে ঢেলে সাজানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভৌগলিক দিক থেকে আমরা ছোট। কিন্তু জনসংখ্যার দিক থেকে আমরা বিশাল। শক্তির দিক থেকে বা মানসিক শক্তির দিক থেকে আমাদের সেইভাবেই তৈরি হতে হবে। প্রশিক্ষণের দিক থেকেও তৈরি হতে হবে। যেন যে কোন অবস্থা মোকাবেলা করার মতো শক্তি আমরা অর্জন করতে পারি এবং মর্যাদার সঙ্গে যেন চলতে পারি। বিশ্বে যেন মাথা উঁচু করে চলতে পারি।’ প্রতিরক্ষা নীতিমালা, ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রণয়ন করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের একটা সুষ্ঠু পরিকল্পনা আছে। সেটা নিয়েই আমরা এগোতে চাই।’ প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন গণভবন লাগোয়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি থাকার সময় এখানেই অফিস করতেন। শেখ হাসিনা সে সময়ের কথা স্মরণ করে একে ‘অনেক স্মৃতিবিজড়িত জায়গা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। সভারপ্রাপ্ত সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ সামছুল হক, নৌবাহিনী প্রধান এ্যাডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, প্রতিরক্ষা সচিব আখতার হোসেন ভূইয়াসহ সামরিক ও বেসামরিক উর্ধতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।  জনকন্ঠ।

User Comments

  • জাতীয়