৬ জুন ২০২০ ২২:৪৯:১৩
logo
logo banner
HeadLine
দেড় কোটি পরিবারকে সরকারের ত্রাণ সহায়তা * দশ খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ , বাজেটে করোনা মোকাবেলা ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বিশেষ গুরুত্ব * করোনাসংকটে অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখতে এ পর্যন্ত ১ লক্ষ ২ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকার প্রণোদনা * ৬ জুন :দেশে আজ শনাক্ত ২৬৩৫, মৃত ৩৫ * ফিরে আসুন নাসিম ভাই * ৫ জুন : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ১৪০, মৃত ৪ * কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলায় দ্রুত টিকা উদ্ভাবনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর * ৫ জুন :দেশে আজ শনাক্ত ২৮২৮, মৃত ৩০ * ৪ জুন : সন্দ্বীপের ৭ জন সহ চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ১৩২, মৃত ৩ * করোনা ভাইরাস থেকে জনগণকে সুরক্ষা দিতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী * ৪ জুন :দেশে আজ শনাক্ত ২৪২৩, মৃত ৩৫ * স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আব্দুল মান্নানসহ ৫ মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব * বাংলাদেশ দুর্যোগ মোকাবেলার ক্ষেত্রে অন্যদের শিক্ষা দিতে পারে : প্রধানমন্ত্রী * সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর তিন দফা প্রস্তাব পেশ * ৩ জুন : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ১৪০ * ১১৩৪ জন মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল , অন্তরভুক্ত হলেন আরও ১২৫৬ * ৩ জুন :দেশে আজ শনাক্ত ২৬৯৫, মৃত ৩৭ * ২ জুন : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ২০৬ * জনগণের কল্যাণের কথাই সরকার সবচেয়ে বেশি চিন্তা করছে : প্রধানমন্ত্রী * ২ জুন :দেশে আজ শনাক্ত ২৯১১, মৃত ৩৭ * ১ জুন : চট্টগ্রামে আজ শনাক্ত আরও ২০৮ * আক্রান্ত ও মৃত্যু অনুযায়ী সারা দেশকে বিভিন্ন জোনে ভাগ করে ব্যবস্থা নেয়ার পরিকল্পনা * সচিবালয়ে ২৫ শতাংশের বেশি কর্মকর্তার অফিস নয় * ১ জুন :দেশে আজ শনাক্ত ২৩৮১, মৃত ২২ * করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ২ হাজার কোটি টাকা সুদ মওকুফের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর * ৩১ মে :দেশে সর্বোচ্চ শনাক্তের সাথে আজ মৃতও সর্বোচ্চ, শনাক্ত ২৫৪৫ মৃত ৪০ * এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৮২.৮৭ * এখনই খুলছে না শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : প্রধানমন্ত্রী * ভাড়া বাড়ছে না রেলের, সব টিকিট অনলাইনে * ৩০ মে: চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ২৭৯ *
     11,2019 Thursday at 11:03:09 Share

প্রথমবারের মতো কৃষ্ণগহ্বরের ছবি দেখলো মানব জাতি

প্রথমবারের মতো কৃষ্ণগহ্বরের ছবি দেখলো মানব জাতি

সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মহাশূন্যের কৃষ্ণ গহ্বরের (ব্ল্যাক হোল) প্রথম ছবি প্রকাশ করলো ন্যাশনাল সাইন্স ফাউন্ডেশনের (এনএসএফ) জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপের (ইএইচটি) গবেষণার প্রথম দফার ফলাফল হিসেবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একটি কৃষ্ণ গহ্বরের প্রথম চিত্রটি ধারণ করেছেন, যা মহাবিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় বস্তুর বিশ্লেষণে একটি বিপ্লবের সূচনা করেছে। বুধবার (১০ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কৃষ্ণ গহ্বরের প্রথম ছবি প্রকাশ করা হয়।



জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তোলা ছবিটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরের মেসিয়ার ৮৭ ছায়াপথের অবস্থানরত একটি বিশাল কৃষ্ণ গহ্বরের বাইরের আকৃতি, যা প্রধানত ধুলো ও গ্যাসের একটি স্তর। এতদিন ধরে ধারণা করা হতো, মহাশূন্যের কৃষ্ণ গহ্বরগুলো এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকালীন সময়ে তৈরি হওয়া একেকটি কালো ফাঁদের মতো, যা আলো কিংবা অন্য সবকিছুকেই গ্রাস করতে সক্ষম। তবে দীর্ঘ গবেষণার পর জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পাওয়া ফলাফল বলছে কৃষ্ণ গহ্বরের ক্ষেত্রে পদার্থবিজ্ঞানের জাগতিক কোনও সূত্রই এর বেলায় কাজ করে না।


জানা যায়, ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপের (ইএইচটি) প্রায় দুইশ'র বেশি বিজ্ঞানীর অক্লান্ত প্রচেষ্টায় অ্যান্টার্কটিকা থেকে স্পেন এবং চিলিতে অবস্থানরত আটটি রেডিও টেলিস্কোপের একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছবিটি ধারণ করা হয়েছে। এর আগে মাইকেল ব্রেমার নামে আরেক জ্যোতির্বিজ্ঞানী জানিয়েছিলেন, 'ছোট ছোট দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে এত বছর ধরে তারা পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়েছেন। কারণ একটি বিশাল দূরবীক্ষণ ব্যবহার করলে সেটা তার নিজের ওজনেই ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা ছিল'।


এ বিষয়ে ইভেন্ট হরাইজনের পরিচালক এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ গবেষক সেফার্ড ডোয়েলমেন জানান, 'নিশ্চিতভাবে কৃষ্ণ গহ্বর মহাবিশ্বের সবথেকে রহস্যজনক বস্তু। আমরা তাই দেখেছি যা আমরা কখনো দেখতে পারবো না বলে ভেবেছিলাম। অবশেষে আমরা একটি কৃষ্ণ গহ্বরের ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছি'।


কৃষ্ণ গহ্বর বিশেষজ্ঞ ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির জ্যোতির্বিজ্ঞানী পল ম্যাকনামারা বলেছেন, '৫০ বছরের আগে কয়েকজন বিজ্ঞানী আমাদের ছায়াপথের মধ্যে দেখেছিলেন অত্যন্ত উজ্জ্বল কোনো বিন্দু। সেটার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতটাই বেশি ছিল যে নক্ষত্রগুলি তাকে প্রদক্ষিণ করত অত্যন্ত দ্রুত গতিতে। ২০ বছরের মধ্যে সব কয়টি নক্ষত্র প্রদক্ষিণ করে ফেলছে সেই উজ্জ্বল নক্ষত্র। অথচ তুলনামূলক ভাবে আমাদের সৌরমণ্ডলের ছায়াপথকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ২ কোটি ৩০ লক্ষ বছর। এরপর বিজ্ঞানীরা আন্দাজ করেন যে ওই উজ্জ্বল বিন্দু আসলে কৃষ্ণ গহ্বর। যাকে ঘিরে রয়েছে সাদা গরম গ্যাস এবং প্লাজমার ঘূর্ণি। ওই বিন্দুর মধ্যবর্তী স্থানে সব কিছুই অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। আপনি এর ভিতরে ঢুকে গেলে পালাতে পারবেন না কারণ আপনার অসংখ্য শক্তির প্রয়োজন হবে। আপনি এর উল্টো দিকে থাকলেই নীতিগতভাবে তা পারবেন। কারণ আমরা আমাদের ছায়াপথের সমতল জায়গায় রয়েছি'।


প্রয়াত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং তার জীবনের অধিকাংশ সময় কৃষ্ণ গহ্বরের গবেষণাতেই কাটিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কৃষ্ণ গহ্বরের মধ্যবর্তী স্থানে সেটির ভর একটিই জিরো ডাইমেনশনাল পয়েন্টে আটকানো থাকে। এ পর্যন্ত মহাকাশের কৃষ্ণ গহ্বরের রহস্য কেউ ভেদ করতে না পারলেও এই প্রথম এর ছবি ধারণ করতে সক্ষম হয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। ইত্তেফাক।

User Comments

  • আরো