১৫ নভেম্বর ২০১৯ ১০:৪২:৪৮
logo
logo banner
HeadLine
এক বাঙালিসহ অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন ৩ জন * বাংলাদেশ এখন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনারও রোল মডেল : প্রধানমন্ত্রী * ছাত্র রাজনীতি কিংবা ছাত্রলীগ নয়, টার্গেট সরকার * হঠাৎ চারদিকে কেমন যেন অস্বস্তি * ইউনিয়ন পর্যন্ত নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী * রসায়নে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী * দেশের স্বার্থ শেখ হাসিনা বিক্রি করবে, এটা হতে পারে না * পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী * অসাম্প্রদায়িক পরিবেশ অটুট থাকবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর * হাসিনা-মোদী বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত ৭ চুক্তি, ৩ প্রকল্প উদ্বোধন * পারস্পরিক স্বার্থে কাজ করতে ভারত-বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহবান * আঞ্চলিক অর্থনীতির কেন্দ্র হতে পারে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী * উন্নয়নের উইপোকা দমনে প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত * কোনো অন্যায় হলে তার ব্যবস্থা আমিই নেবো, সেটা যে-ই হোক - প্রধানমন্ত্রী * রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেনাবাহিনীকে * রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্ব সম্প্রদায়কে ব্যবস্থা নিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী * 'রাজহংস' উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা * মানুষের সেবা করার ব্রত নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি - প্রধানমন্ত্রী * জনগণের আস্থায় যেন ফাটল না ধরে, সজাগ থাকতে হবে * কাল রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী * এসএমই খাতে ঋণ ও অন্যান্য সুবিধা বাড়ছে * আওয়ামীলীগে শুদ্ধি অভিযান, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী দুই শতাধিক নেতাকে পাঠানো হচ্ছে শোকজ * আমরা কৃষিকেও গুরুত্ব দেই, আবার শিল্পকেও গুরুত্ব দেই - শেখ হাসিনা * বেপরোয়া রোহিঙ্গারা, প্রশাসনিক এ্যাকশন শুরু * স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারী কোষাগারে জমা দিতে হবে * সরকারের মানবিকতাকে দুর্বলতা ভাবা উচিত নয় * 'বাকশাল হলে বাংলাদেশ আগেই বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে থাকতো' - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা * আসামে চূড়ান্ত নাগরিকত্ব তালিকা থেকে বাদ পড়ল ১৯ লাখ * অপকর্মে লিপ্ত থাকায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ৪১ এনজিও প্রত্যাহার * জটিল হয়ে উঠছে রোহিঙ্গা সমস্যা *
     03,2019 Wednesday at 09:54:30 Share

টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাব

টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাব

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলতে এবং ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী অথবা অপেক্ষাকৃত দুর্বল অর্থনীতির মূল উদ্বেগ নিরসনের লক্ষ্যে পাঁচ দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন।


তিনি বলেন, ‘আমরা মাঝেমধ্যে শুধু কয়েকটি বৃহৎ অর্থনীতির সক্ষমতা অথবা তাদের প্রয়োজনের আঙ্গিকেই সবকিছু দেখি। কিন্তু টেকসই বিশ্বের জন্য আমাদের অবশ্যই ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীসমূহের অথবা অপেক্ষাকৃত দুর্বল অর্থনীতিগুলোর মূল উদ্বেগ নিরসনের উপায়ও বের করতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রী ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ)-এর বার্ষিক সভায় অংশ নিতে এখন চীনের দালিয়ান শহরে অবস্থান করছেন। তিনি মঙ্গলবার বিকেলে দালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে ডব্লিউইএফ-এর সভায় ‘কো-অপারেশন ইন দ্য প্যাসিফিক রিম’ শীর্ষক একটি প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণকালে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। খবর বাসসর।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার পাঁচ দশকের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা আমাকে বলছে যে, ক্ষদ্র জনগোষ্ঠী ও দুর্বল অর্থনীতিকে মাথায় রেখেই ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যে কোন পদক্ষেপ নিতে হবে।’ এগুলো হচ্ছে- প্রথমত : দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শান্তি-সম্প্রীতি স্থিতিশীলতার পরিবেশ সৃষ্টি।


দ্বিতীয়ত : টেকসই উন্নয়নের সবদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।


তৃতীয়ত : দেশগুলোর পারস্পরিক স্বার্থে বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।


চতুর্থত : সকলের জন্য সম্পদ সৃষ্টির লক্ষ্যে সার্বিক উন্নয়ন করতে হবে।


পঞ্চমত : প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।


শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে যখন তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন ভারতের সঙ্গে গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন করা ছিল বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং ইস্যু। তিনি বলেন, ‘আমরা পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে আমাদের সমুদ্রসীমা নির্ধারিত করেছি এবং এখন বাংলাদেশ ও ভারত আন্তঃসীমান্ত নৌপথ উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করছে।’


প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি সব সময় বিশ্বাস করেন যে, আয়তনের দিক দিয়ে ভারতের চেয়ে অনেক ছোট হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন ও যোগাযোগের মাধ্যমে এর ভূখ- ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমরা একটি নীতিভিত্তিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই। হা, ভূ-রাজনীতি সবসময়ই জীবনের একটি অংশ। তবে আমাদের সতর্কতার সঙ্গে ইস্যুগুলোকে মূল্যায়ন করে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। আমরা স্বল্প সময়ের অর্জনের জন্য দীর্ঘদিনের স্বার্থকে বিসর্জন দিতে পারি না। শেখ হাসিনা বলেন, সকল দেশের মধ্যে অভিন্ন সমৃদ্ধি নিশ্চিতে এখনও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক বিশ্বের সবচেয়ে গতিশীল অঞ্চল বলে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। একইভাবে, বঙ্গোপসাগর একটি উদীয়মান ও সমৃদ্ধ অঞ্চল। এই অঞ্চলে ১.৫ বিলিয়ন লোকের বসবাস। তিনি বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরের আশপাশে বসবাসকারী মানুষের উন্নয়নের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলটিকে বাণিজ্য ও নিরাপত্তা ইস্যু হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়েছে।’


এরপর প্রধানমন্ত্রী প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেন।


বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে চীনের ঋণ প্রদান বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের বৈদেশিক ঋণ মোট জিডিপির ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ। এটা শক্তিশালী অর্থনীতির একটি লক্ষণ। চীন আমাদের অবকাঠামোগত কিছু প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ এবং চ্যালেঞ্জিং কাজ নদীর ওপর ৬ দশমিক ৯ কিলোমিটার সেতু নির্মাণে চীনা কোম্পানি নিয়োগ করা হয়েছে।


এবং এর সম্পূর্ণ তহবিল জোগান দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। অনেক মানুষ ‘ঋণের ফাঁদ’ নিয়ে কথা বলেন। আমার সোজা কথা। যতক্ষণ পর্যন্ত এই মেগা প্রকল্পগুলোয় জনগণের স্বার্থ রয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ঋণ পরিশোধ এবং সঠিকভাবে এতদসংক্রান্ত আলোচনার অধিকার রয়েছে এবং এ নিয়ে আমাদের দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই।


অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের সরকারের গত ১০ বছরে আমি চেষ্টা করেছি, আমাদের অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন আকাক্সক্ষাকে বিশ্বময় আমাদের বন্ধুদের কাছে এক ভারসাম্যময় ও লক্ষ্যভিত্তিক উপায়ে বাংলাদেশকে তুলে ধরার জন্য। আমি সবসময় এটা পরিষ্কার করে রেখেছি যে, বাংলাদেশ সামরিক কোন উচ্চাকাক্সক্ষার প্রশ্রয় দেয় না। এটি আমাদের মূল্যবোধ ও নৈতিকতা বিরোধী।


এর আগে আমাদের সরকারের গত টার্মে (২০১৪-১৮) আমরা সাবলীলভাবে ভারত-চীন-জাপান-যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপ-রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করেছি।


তিনি বলেন, একটি দ্রুত বিকাশমান অর্থনৈতিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রত্যেক বন্ধু রাষ্ট্রকেই প্রয়োজন এবং অবশ্যই কাউকে বাদ দিয়ে নয়।


আমাদের প্রতিটি বন্ধুর মাঝেই দক্ষতা ও আগ্রহ রয়েছে। আমাদের সম্পর্ক পারস্পরিক বিশ্বাস ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে হওয়ায় আমরা যা কিছু অর্জন করব, সবটুকুই জনগণের কল্যাণে আসবে।


যেমন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক শুধু কয়েক বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি আমাদের প্রাণের সম্পর্ক। তিনি বলেন, আমাদের স্বাধীনতার জন্য আমরা একসঙ্গে রক্ত দিয়েছি।


শেখ হাসিনা বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কও ভাল। আমাদের বিভিন্ন মেগা প্রকল্প ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে চীন আমাদের সঙ্গী। শুধুমাত্র ওডিএ অংশীদার ছাড়াও, জাপানের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ঐতিহাসিক।


রাশিয়াও আমাদের সঙ্গী যারা আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল, এখন তারা আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তা খাতে সহায়তা করছে বলে তিনি জানান।


বাংলাদেশের আরসিইপি-এ (রিজিওনাল কমপ্রেহেন্সিভ ইকোনোমিক পার্টনারশিপ) অথবা সিপিটিপিপি (কমপ্রেহেন্সিভ এ্যান্ড প্রগ্রেসিভ এগ্রিমেন্ট ফর ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ) যোগদান সম্ভাব্য সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, মধ্য ৯০-এর দশকে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ছিল অন্যতম দ্রুত অর্থনীতি উদারীকরণের দেশ।


আমরা তখন এলডিসি এবং ছোট অর্থনীতি রাষ্ট্র ছিলাম। ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও আমরা উন্মুক্ত করতে সম্মত হয়েছি। আমরা উপলব্ধি করেছি যে, ভবিষ্যত বাংলাদেশের জন্য আশপাশের দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং বিশ্বের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ রক্ষাটা জরুরী।


এখন থেকে দশ বছর পর বাংলাদেশ বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত হবে। এর জন্য আমাদের দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতা আমরা সংশোধন করতে প্রস্তুত। সুতরাং উন্মুক্ত আঞ্চলিকতার পক্ষে আমরা।


তিনি বলেন, বাংলাদেশ সক্রিয়ভাবে ভারত, জাপান, চীন এবং আরও অনেকের সঙ্গে কাজ করছে। এ কারণে আমরা লক্ষ্যভিত্তিকভাবে বিসিআইএম-ইসি এর পাশাপাশি ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পথে এগোচ্ছি।


মধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি সম্পর্কে তিনি বলেন, এটির জন্য কিছু দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক এফটিএ’র লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা।


আমাদের আয়তন-অবস্থান-প্রকৃতি-কাঠামোগতভাবে বাংলাদেশ আরসিইপি এ যোগ দিতে প্রস্তুত।


তিনি আরও বলেন, আমরা আশিয়ানের অংশীদারিত্বের জন্যও যোগাযোগ করছি।


বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের নিরাপদ ঠিকানা ॥ এর আগে দালিয়ানে একটি প্যানেল আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের অর্থনীতি এখন অন্য সময়ের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের নিরাপদ ঠিকানা। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকেলে চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের একটি প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি। খবর বাসস/ওয়েবসাইটের।


এ সময় আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোটে বাংলাদেশের সম্পৃক্ত হওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়ে শেখ হাসিনা জানান, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সুন্দর আগামী নির্মাণ করতে চায় বাংলাদেশ।


চীনের দালিয়ান নগরীতে মঙ্গলবার সকালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। দালিয়ানে তিন দিনব্যাপী ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম’স এ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়ন্স ২০১৯ শীর্ষক এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সরকার প্রধান, ব্যবসায়ী, সুধী সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ এবং শিল্পীসহ প্রায় ১ হাজার ৮শ’রও বেশি প্রতিনিধি যোগদান করেছেন। এটি ডব্লিউইএফ সামার ডাভোস নামেও পরিচিত।


সম্মেলনের এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘লিডারশীপ ৪.০- সাকসিডিং ইন এ নিউ এরা অব গ্লোবালাইজেশন।’ লিয়াওডং রাজ্যের দালিয়ান উত্তর পূর্ব এশিয়ার ব্যবসা এবং অর্থনৈতিক কেন্দ্র এবং উত্তর চীনের হংকং হিসেবেও সুপরিচিত। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং দালিয়ান আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টারে সকালে এই বার্ষিক সম্মেলন উদ্বোধন করেন।  

User Comments

  • আরো