৬ ডিসেম্বর ২০১৯ ০:৩৩:১৫
logo
logo banner
HeadLine
মেরিটাইম উচ্চশিক্ষার প্রয়োজনীয়তা * বছরের প্রথম দিনই চার কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেয়া হবে ৩৫ কোটি বই * বাংলাদেশ-ভারত যৌথ কমান্ড : ৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১ * মুক্তিযোদ্ধাদের অসচ্ছলতা রাষ্ট্রের জন্য লজ্জার: হাইকোর্ট * স্পেন সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী * ব্যর্থ হলে শিশুরা ক্ষমা করবে না, বিশ্বনেতাদের হাসিনা * কপ-২৫ সম্মেলন ও বাংলাদেশ * মাদ্রিদে শুরু হলো জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৫, যোগ দিচ্ছেন শেখ হাসিনা * দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে - প্রধানমন্ত্রী * চলতি মাসে একাধিক শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা * অনলাইন সংবাদ মাধ্যমের নিবন্ধন শুরু আগামী সপ্তাহে: তথ্যমন্ত্রী * বাড়ি ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে হাইকোর্টের রুল * 'অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ দিয়ে বিরিয়ানি-পোলাও খাওয়ার চেয়ে সাদাসিধে জীবনযাপন করা অনেক অনেক সম্মানের - প্রধানমন্ত্রী * রোহিঙ্গা ইস্যুতে রিয়াদ সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে * বিশ্বব্যাপী উদযাপন হবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী * সিএমপি কমিশনারের কাছে ফেইসবুকেও অভিযোগ জানানো যাবে * হ‌লি আর্টিজানে হামলা মামলায় ৮ আসামীর ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড * ইতিহাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা * আওয়ামী লীগের এবারের সম্মেলন ঘিরে যে দুটি বিষয় বেশি গুরুত্ব রাখে * জলদস্যুতার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রেখে 'বাংলাদেশ মেরিটাইম অঞ্চল আইন' মন্ত্রিসভায় অনুমোদন * নীরব ঘাতক উচ্চ রক্তচাপে সারাবিশ্বে বছরে মারা যায় ৭০ লাখ ,আক্রান্ত প্রায় দেড় শ' কোটি মানুষ * অপপ্রচারে কান না দিতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান * রক্তচোষা ব্যবসায়ী ও গুজব রটনাকারী দুই-ই সমান অপরাধী * দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা * গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান * প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবুধাবির যুবরাজের সৌজন্য সাক্ষাত, আমিরাতের শ্রমবাজার খুলে দেয়ার ইঙ্গিত * শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন আতঙ্কের নাম বুলিং * ক্ষুদ্র ঋণের কাঙ্ক্ষিত সুফল মানুষ পায়নি : প্রধানমন্ত্রী * ডায়াবেটিস : সারা জনমের রোগ * শহীদ নূর হোসেনকে নিয়ে অপ্রীতিকর বক্তব্য দেওয়ার সংসদে দাঁড়িয়ে ক্ষমা চাইলেন রাঙ্গা *
     28,2019 Wednesday at 19:08:51 Share

দেশের প্রতিটি গ্রামকে পরিকল্পিতভাবে সাজাতে হবে - প্রধানমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি গ্রামকে পরিকল্পিতভাবে সাজাতে হবে - প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করে প্রতিটি গ্রামকে পরিকল্পিতভাবে সাজানোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করে দেশের প্রতিটি গ্রামকে পরিকল্পিতভাবে সাজাতে হবে। শুধু উপজেলা নয়, বরং ইউনিয়ন ওয়ার্ড এবং গ্রাম পর্যন্ত নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। আর সে লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি এলাকায় নাগরিক সুবিধা যেন নিশ্চিত করা যায়, সরকার সে পরিকল্পনা নিয়েছে।


টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ সংলগ্ন এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন সম্পর্কিত উপস্থাপন করা হয় অনুষ্ঠানে।


শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফসলের জমি যাতে নষ্ট না হয় সেভাবে কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন।


তার পথ অনুসরণ করে পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।


“শুধু ইট-সুরকির স্থাপনা নির্মাণ নয় বরং প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।”


এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নদীতে অপ্রয়োজনীয় সেতু এবং বিলের পাশে সাগরপারের মতো উঁচু বাঁধ নির্মাণ না করার পরামর্শ দেন।


নিজের নির্বাচনী এলাকা টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার উন্নয়নে এলজিইডির বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন নির্মাণ প্রকল্পের খবর নেন প্রধানমন্ত্রী।


স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খলিলুর রহমান পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে বিস্তারিত তুলে ধরেন।


প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা, মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।


স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প দ্বিতীয় পর্যায়ের অধীনে টুঙ্গিপাড়ায় ভূমি অধিগ্রহণসহ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


এর অধীনে ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ২৮১টি পৌরসভায় ৩৪৬৫ কোটি টাকা বেশি ব্যয়ে বিভিন্ন কাজ করা হবে।


মূল কাজের মধ্যে রয়েছে- সড়ক উন্নয়ন, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ, ড্রেন নির্মাণ এবং ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, খাল খনন, পাড় বাঁধানো, পুকুর সংস্কার, সৌন্দর্যবর্ধন, বৃক্ষরোপণ।


 (জনকণ্ঠ অনলাইন)।

User Comments

  • আরো