১৮ নভেম্বর ২০১৯ ১৭:৫৬:৪৬
logo
logo banner
HeadLine
যুবলীগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রবিবার, বৈঠকে থাকছেন না ওমর ফারুক চৌধুরী * পাপ পুণ্যের দানবে অসহায় মানুষ * র্যা গিংয়ের শিকার হলে নালিশ করুন, বিচার হবে : আইনমন্ত্রী * চট্টগ্রামে তিন মেট্রোরেল নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ * আরও দু'টি মেট্রোরেল রাজধানীতে * এক বাঙালিসহ অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন ৩ জন * বাংলাদেশ এখন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনারও রোল মডেল : প্রধানমন্ত্রী * ছাত্র রাজনীতি কিংবা ছাত্রলীগ নয়, টার্গেট সরকার * হঠাৎ চারদিকে কেমন যেন অস্বস্তি * ইউনিয়ন পর্যন্ত নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী * রসায়নে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী * দেশের স্বার্থ শেখ হাসিনা বিক্রি করবে, এটা হতে পারে না * পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী * অসাম্প্রদায়িক পরিবেশ অটুট থাকবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর * হাসিনা-মোদী বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত ৭ চুক্তি, ৩ প্রকল্প উদ্বোধন * পারস্পরিক স্বার্থে কাজ করতে ভারত-বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহবান * আঞ্চলিক অর্থনীতির কেন্দ্র হতে পারে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী * উন্নয়নের উইপোকা দমনে প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত * কোনো অন্যায় হলে তার ব্যবস্থা আমিই নেবো, সেটা যে-ই হোক - প্রধানমন্ত্রী * রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেনাবাহিনীকে * রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্ব সম্প্রদায়কে ব্যবস্থা নিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী * 'রাজহংস' উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা * মানুষের সেবা করার ব্রত নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি - প্রধানমন্ত্রী * জনগণের আস্থায় যেন ফাটল না ধরে, সজাগ থাকতে হবে * কাল রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী * এসএমই খাতে ঋণ ও অন্যান্য সুবিধা বাড়ছে * আওয়ামীলীগে শুদ্ধি অভিযান, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী দুই শতাধিক নেতাকে পাঠানো হচ্ছে শোকজ * আমরা কৃষিকেও গুরুত্ব দেই, আবার শিল্পকেও গুরুত্ব দেই - শেখ হাসিনা * বেপরোয়া রোহিঙ্গারা, প্রশাসনিক এ্যাকশন শুরু * স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত অর্থ সরকারী কোষাগারে জমা দিতে হবে *
     03,2019 Tuesday at 14:25:12 Share

বেপরোয়া রোহিঙ্গারা, প্রশাসনিক এ্যাকশন শুরু

বেপরোয়া রোহিঙ্গারা, প্রশাসনিক এ্যাকশন শুরু

জনকণ্ঠ :: মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ অঞ্চলের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে আছে। দীর্ঘ দুই বছর সময়ে ওরা হয়ে উঠেছে বেপরোয়া। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতা ও কিছু এনজিওর ইন্ধনে এ রোহিঙ্গারা এখন সবকিছুতে ফ্রি স্টাইল। পাশাপাশি রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে সরকারী পর্যায়ে কর্মরত বহু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট নানা অভিযোগ রয়েছে। আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সামগ্রিক বিষয় নিয়ে অনেকে যথাযথ দায়িত্ব যেমন পালন করছিলেন না, তেমনি বিভিন্নভাবে অনেকের অবৈধ সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যে অবৈধ উপায়ে অর্থ কামানোর অভিযোগও রয়েছে। সরকার নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের অনৈতিক সুবিধা দেয়ার বিপরীতে যেমন অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন, তেমনি অসাধু এনজিওদের কাছ থেকেও অনুরূপ আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এ ধরনের এন্তার অভিযোগের পর এখন শুরু হয়েছে প্রশাসনিক এ্যাকশান। সোমবার সরকারী আদেশে ওএসডি হয়েছেন কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও পুনর্বাসন (আরআরসি) কমিশনার আবুল কালাম (সরকারের অতিরিক্ত সচিব)। তাকে ওএসডির পাশাপাশি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। বদলি করা হয়েছে ৭ ক্যাম্প ইনচার্জকে (সিআইসি)। আরআরসি এবং ক্যাম্প ইনচার্জদের ওএসডি ও বদলি আদেশের বিপরীতে কোন ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়নি। তবে এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে রোহিঙ্গা ইস্যুতে নানা পর্যায়ে নানাভাবে যারা বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক এ্যাকশন শুরু হয়েছে।


অপরদিকে, বিলম্বে হলেও মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মোবাইল ফোনের সেবা বন্ধের নির্দেশ প্রেরণ করেছে বিটিআরসি। সোমবার এই সংক্রান্ত নির্দেশ দেশের সকল মোবাইল অপারেটরদের দেয়া হয়েছে। এই সংক্রান্ত পত্রে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্প কোন ধরনের সিম বিক্রি, সিম ব্যবহার বন্ধে তাদের মোবাইল সুবিধা না দেয়া সংক্রান্ত সকল ব্যবস্থা নিশ্চিত করে বিটিআরসিকে অবহিত করতে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। এর আগে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মোবাইল সুবিধা বন্ধে বিটিআরসিকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করে। এরই আলোকে বিটিআরসি সকল মোবাইল অপারেটরদের এই সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রদান করে।


বিটিআরসি প্রদত্ত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও গুরুত্ব বিবেচনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনসুরক্ষার স্বার্থে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী যাতে মোবাইল সুবিধা না পায় তা নিশ্চিত করতে মোবাইল অপারেটরদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বিটিআরসি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা, গণমাধ্যম ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ব্যাপক হারে সিম ব্যবহার হচ্ছে।


উল্লেখ করা যেতে পারে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাতে রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযান শুরু হওয়ার পর রোহিঙ্গারা দলে দলে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় গ্রহণ করতে শুরু করে। তবে এর আগেও রোহিঙ্গারা দফায় দফায় বাংলাদেশে এসেছে। সর্বশেষ আগমনের পর পুরনো ও নতুন মিলিয়ে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লক্ষাধিক। এই বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার মাঝে রয়েছে মোবাইল ও সিম কার্ডের ছড়াছড়ি। মোবাইল অপারেটররা নিয়ম কানুনের কোন তোয়াক্কা না করে রোহিঙ্গাদের হাতে সিম প্রদান করেছে। উখিয়া-টেকনাফের বর্তমানে ৩৪ শিবিরে রোহিঙ্গারা যেমন মোবাইল ফোন বিক্রির দোকান স্থাপন করেছে তেমনি সিম কার্ড সরবরাহের ব্যবস্থাও নিশ্চিত করেছে। উখিয়া-টেকনাফের ১২ পয়েন্টে মোবাইল অপারেটরগুলোর ১২টি টাওয়ার রয়েছে। এসব টাওয়ারের ফ্রিকোয়েন্সি সীমান্তের এপার থেকে ওপারে তথা মংডু জেলার রাখাইন রাজ্যসহ বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। বেসরকারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে আশ্রিত ৭ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশী সিমের মাধ্যমে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে আসছে। এছাড়া সীমান্তের ওপারেও হাজার হাজার বাংলাদেশী সিম ব্যবহার করছে সেখানে অবস্থানরত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যরা। উখিয়া-টেকনাফে কুতুপালং, থাইনখালী, গয়ালমারার, হোয়্যাইক্ষং, কানজরপাড়া, হ্নীলা, লেদা ও টেকনাফে মোবাইল অপারেটররা টাওয়ার প্রতিষ্ঠা করেছে স্থানীয়দের মোবাইল সেবা প্রদানে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সীমান্তের ওপার থেকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যরা লাখে লাখে এ দেশে আশ্রয় নেয়ার পর এদের অধিকাংশ এ দেশীয় মোবাইল সিম ব্যবহার করছে অবাধে। অপরদিকে, বাংলাদেশে মোবাইল অপারেটরদের ফ্রিকোয়েন্সি অর্থাৎ নেটওয়ার্ক ওপারের মংডু জেলার সদর থেকে উত্তর মংডুর ঢেকিবুনিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে আছে। ফলে ওপার এবং এপারের রোহিঙ্গারা বাংলাদেশী সিম কার্ড ব্যবহার করে নিজেদের যোগাযোগ যেমন সহজ করে রেখেছে, তেমনি এই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হেন কোন অপকর্ম নেই, যা তারা করছে না।


স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, বহু এনজিও এদের ত্রাণ সহযোগিতার পাশাপাশি মোবাইল সিম কার্ড কিনে দেয়ার বিষয়েও ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে। মূলত বিভিন্ন এনজিও সংস্থার কতিপয় স্বার্থান্বেষীরা রোহিঙ্গারা যাতে এ দেশে দীর্ঘ স্থায়ীভাবে থেকে যেতে পারে সে লক্ষ্যে তৎপর রয়েছে। এনজিও ব্যুরো সংস্থা ইতোমধ্যে ৪১ এনজি’ওর সংস্থার কার্যক্রম রোহিঙ্গা শিবির থেকে গুটিয়ে ফেলার নির্দেশনা প্রদান করেছে। এছাড়া দেশীয় অস্ত্র যোগান দেয়ার দায়ে ‘মুক্তি কক্সবাজার’ নামের একটি এনজিও’কে ৬ প্রকল্প থেকে তাদের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বেসরকারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৮ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাদের হাতে রয়েছে বাংলাদেশী মোবাইল কোম্পানির সিম কার্ড। যা দিয়ে তারা সীমান্তের এপার ও ওপারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে যাচ্ছে। এই মোবাইল সিম সুবিধার সুবাদে মাদক ইয়াবা ও মানব পাচারের ঘটনা ব্যাপকভাবে বিস্তৃতি লাভ করেছিল। ইতোপূর্বে স্থানীয় প্রশাসন রোহিঙ্গাদের ব্যবহৃত মোবাইল সিম কার্ড নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও তা কার্যকর করতে পারেনি। এই বিষয়টি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। অপহরণ, ডাকাতি, খুন, মাদকপাচারসহ যে কোন অপকর্মের প্রস্তুতিতে মোবাইল সিম কার্ড ব্যবহার হয়ে আসছে।


রোহিঙ্গাদের নিয়ে ৬১ এনজিও’র সেই বক্তব্য ॥ প্রত্যাবাসন প্রশ্নে রোহিঙ্গাদের ৫ দাবি ও ৬১ এনজিও’র বক্তব্য একই সূত্রে গাঁথা। প্রত্যাবাসন প্রশ্নে মিয়ানমারের কাছে রোহিঙ্গারা যে পাঁচ দাবি জানিয়েছে, তদ্রƒপ প্রত্যাবাসনের বিপক্ষে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে প্রায় একই রকমের পাঁচ দাবি সরকারের কাছে জানিয়েছে ৬১ এনজিও। গত ২২ আগস্ট রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য সরকারের যেমন জোর প্রচেষ্টা ছিল, তেমনি ৬১ এনজিও বিবৃতি দিয়ে প্রত্যাবাসন বন্ধের তোড়জোড় ছিল। গত ২২ আগস্ট নির্ধারিত প্রত্যাবাসনের আগেরদিন ৩২ আশ্রয় ক্যাম্পে কিছু এনজিও এবং রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা প্রত্যাবাসনে রাজি না হওয়ার জন্য ব্যাপক তৎপরতা চালায়। এ সময় কিছু এনজিও কর্মকর্তারাও রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বলে এখন চাউর হচ্ছে। সূত্রে আরও জানিয়েছে, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য আগ্রহী কিনা সাক্ষাতকার নিতে যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন ৬১ এনজিও’র কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পৃথকভাবে রোহিঙ্গা নেতাদের নিয়ে রাতের বেলায় গোপনে বৈঠক করে শিবির অভ্যন্তরে।


আকস্মিক ওএসডি ও ৭ ক্যাম্প ইনচার্জ বদলি ॥ এদিকে, সোমবার আকস্মিকভাবে কক্সবাজারে নিযুক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও পুনর্বাসন (আরআরসি) কমিশনার আবুল কালামকে ওএসডি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া বদলি করা হয়েছে ৭ ক্যাম্প ইনচার্জকে। তাদের মধ্যে রয়েছেন- উখিয়ার কুতুপালং এর ৪ ও ৫ নম্বর ক্যাম্পের ইনচার্জ শামিমুল হক পাভেল (উপসচিব-১৫৮১০), টেকনাফের নয়াপাড়া ১৪ ও ১৫ নম্বর ক্যাম্পের ইনচার্জ আবদুল ওয়াহাব রাশেদ (সিনিয়র সহকারী সচিব-১৬২৩৫)। অন্য ৫ জনের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-১ অধিশাখার উপসচিব মুহাম্মদ আবদুল লতিফ কর্তৃক গত ১ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত ৭০১ এবং ৭০২ নম্বর স্মারকে এ পৃথক দু’টি বদলি প্রজ্ঞাপন জারির মাধমে এ বদলি করা হয়। শামিমুল হক পাভেলকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি রফতানি প্রকল্পের উপ-পরিচালক এবং আবদুল ওয়াহাব রাশেদকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আওতাধীন মৌলিক স্বাক্ষরতা প্রকল্পের উপ- পরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়ছে। প্রসঙ্গত, বদলিকৃত সিআইসি শামিমুল হক পাভেলের বিরুদ্ধে গত ২৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গা সমাবেশের অনুমতি দেয়ার অভিযোগসহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। এ দু’জন সিআইসি’র বদলির মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রশাসনিক এ্যাকশন শুরু হলো। রোহিঙ্গা প্রশাসনের আরও অনেক কর্মকর্তার বদলির আদেশ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে।


 

User Comments

  • আরো