১৭ জানুয়ারি ২০২০ ২০:৩৬:০০
logo
logo banner
HeadLine
আরও ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে * ২৫ জানুয়ারী থেকে সব কোচিং সেন্টার এক মাস বন্ধ * আইটি খাতের আয় পোশাক খাতকে ছাড়িয়ে যাবে : জয় * বসলো ২১তম স্প্যান, দৃশ্যমান ৩১৫০ মিটার * মুজিববর্ষ উপলক্ষে ১ কোটি গাছের চারা বিতরণ করবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয় * আবুধাবি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী * প্রধানমন্ত্রী আবুধাবি যাচ্ছেন আজ * জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন : বিজয়ের পরিপূর্ণতা অর্জন * মুজিববর্ষ : কাউন্টডাউন শুরু বাঙালী জাতি ও স্বাধীনতা নতুন করে আবিষ্কার করবে * ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের তাৎপর্য * মুজিব জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী * বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে আজ মসজিদে মসজিদে দোয়া * বঙ্গবন্ধুর দেশে ফেরার দিনই মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা শুরু, প্রতীকী উপস্থাপনা * সত্য মিথ্যা যাচাই ছাড়া ইন্টারনেটে কিছু শেয়ার করবেন না * বস্ত্র রপ্তানী বৃদ্ধির লক্ষ্যে পণ্যের বহুমুখীকরণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর * মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ প্রক্রিয়া চলছে - বিজিবি * মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা মাহেন্দ্রক্ষণ কাল * বর্তমান সরকারের ১ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ * আত্মপ্রত্যয়ী বাংলাদেশ : 'তলাবিহীন ঝুড়ি' এখন উন্নয়নের বিস্ময় * 'পুলিশকে জনতারই হতে হবে' - প্রধানমন্ত্রী * সহযোগিতা চেয়ে পুলিশের কাছে কেউ যেন বিড়ম্বনায় না পড়ে ॥ রাষ্ট্রপতি * পুলিশ ভীতি যেন জনমনে না থাকে: প্রধানমন্ত্রী * পুলিশকে আধুনিক ও জনবান্ধব করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি - প্রধানমন্ত্রী * ছাত্রলীগের পূর্নাঙ্গ দায়িত্ব পেলেন জায়-লেখক * ছাত্রলীগের সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ * আরও সাফল্যের আশা : দল ও সরকার আলাদা করলেন প্রধানমন্ত্রী * আসছে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ, সম্ভাবনা রয়েছে বৃষ্টির * বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা সমার্থক * বই উৎসব : বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে ৩৫ কোটি বই * ফিরে দেখা ২০১৯ : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় *
     07,2019 Monday at 19:27:12 Share

অসাম্প্রদায়িক পরিবেশ অটুট থাকবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর

অসাম্প্রদায়িক পরিবেশ অটুট থাকবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় যার যার ধর্মপালন করার যে পরিবেশ দেশে সৃষ্টি হয়েছে তা বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা দেখতে গিয়ে তিনি বলেন, “এই যে অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে যার যার ধর্মপালন করার চমৎকার পরিবেশ সৃষ্টি করতে পেরেছি, এই পরিবেশটাও যেন চিরদিন অব্যাহত থাকে, আর সকলের জীবনমান যেন উন্নত হয়।


“বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার। বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে এক হয়ে আমরা পথ চলি।”


প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সব সময় বলি ধর্ম যার যার, উৎসব সকলের। আমাদের উৎসবগুলো সবাই আমরা এক হয়ে উদযাপন করি। এটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একটা অর্জন যে আমরা অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে চলতে শিখেছি।”


দুর্গোৎসবের নবমীতে প্রধানমন্ত্রী রামকৃষ্ণ মিশনে পৌঁছলে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান মঠ ও মিশন প্রধান স্বামী পূর্ণাত্মানন্দসহ মিশনের কর্মকর্তারা। স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ তার লেখা বই প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন।


প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার লড়াই করার কথা তুলে ধরেন।


শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ, যে মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার ডাকে সাড়া দিয়ে এদেশে সকল ধর্মের মানুষ, অর্থাৎ হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকল ধর্ম এক হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে বুকের রক্ত বিলিয়ে দিয়ে এই বাংলাদেশ স্বাধীন করেছে।


“কাজেই সেই স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা সব সময় চেয়েছি- প্রতিটি ধর্মের মানুষ তার নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে, সম্মানের সাথে পালন করতে পারবে সেই পরিবেশটা সৃষ্টি করা এবং আমরা তা করতে পেরেছি। অন্তত এইটুকু বলতে পারি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে তখন সেই সুন্দর পরিবেশটা সৃষ্টি হয়।”


প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রত্যেকে প্রত্যেকের ধর্মকে আমরা সম্মান করি এবং আমরা চাই আমাদের দেশে শান্তি ফিরে আসুক। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক, দুর্নীতি এই ধরনের যেসকল ব্যাধি সমাজকে নষ্ট করে, দেশকে নষ্ট করে, পরিবারকে নষ্ট করে, পরিবারের জীবনকে অতিষ্ট করে সেই ধরনের অবস্থা যেন না থাকে।


“বাংলাদেশে শান্তি বজায় থাকবে, সমৃদ্ধি ও উন্নতি হবে এবং অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে সেটাই আমরা চাই।”


প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে ‘সদ্ভাব’ থাকার কথা তুলে ধরে সম্প্রতি তার ভারত সফরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তিনি।


“গত পরশুদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীসহ আমরা যৌথভাবে রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্রাবাস এবং একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উদ্বোধন করেছি, যেখানে হিন্দু, সনাতন ধর্মালম্বী শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারবে।”


শেখ হাসিনা বলেন, “আরেকটি উৎসব আমরা করছি সেটা হল পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ সকলে এক সঙ্গে সেই দিনটি আমরা উদযাপন করি। আমরা সরকারের পক্ষ থেকেও বৈশাখি উৎসব ভাতা দিচ্ছি।”


পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে মন্তব্য করে তাদেরকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।


শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও নিরাপদ পরিবেশে দূর্গোৎসব পালন এবং দেশে পূজামণ্ডপের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান স্বামী পূর্ণাত্মানন্দ।


স্থানীয় সাংসদ কাজী ফিরোজ রশীদ ও আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


প্রধানমন্ত্রী সেখান থেকে পরে ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনে যান। bdnews24.com

User Comments

  • জাতীয়