২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ২১:৩২:০১
logo
logo banner
HeadLine
এসএসসি পর্যন্ত বিষয় ভিত্তিক বিভাজন না রাখার পক্ষে মত দিলেন প্রধানমন্ত্রী * পিলখানা হত্যাকান্ড : পরাজিত শত্রুর ষড়যন্ত্র * বাংলাদেশের ঢোল এখন অন্যরা পেটাচ্ছে * কেউ করোনায় আক্রান্ত নন - আইইডিসিআর * একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা * একুশে পদক হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী * চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেলেন যারা * চিকিৎসার উদ্দ্যেশে বিদেশ যেতে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন * সরকারী হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ * চসিক নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেলেন রেজাউল করিম চৌধুরী * করোনা ভাইরাস নিয়ে গুজব ছড়ানোয় ৫ জন পুলিশ হেফাজতে * করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৫৭ জনে * বাংলার চারণ কবি শাহ বাঙালি * করোনাভাইরাস ঠেকাতে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর * আগামীকাল শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা, পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ৪৭ হাজার * চাকরি না খুঁজে চাকরি দেয়ার চিন্তা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী * আজ থেকে চালু হচ্ছে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন যাত্রা * মুজিব বর্ষে তরুণ প্রজন্মের কাছে জাতির গৌরবোজ্জল ইতিহাস তুলে ধরতে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহবান * 'জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় উন্নত দেশগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে'- প্রধানমন্ত্রী * করোনা ভাইরাস :: লক্ষণ ও প্রতিকার * শিশুদের দিবাযত্ন কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণে খসড়া আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন * দেশকে সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত করে এগিয়ে নেয়ার দৃঢ় সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী * রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে মিয়ানমারকে নির্দেশ দিয়েছে আইসিজে * বসলো পদ্মাসেতুর ২২তম স্প্যান, দৃশ্যমান ৩৩০০ মিটার * হাঁচি-কাশির মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ায় * ৮২৩৮ ঋণখেলাপীর তালিকা প্রকাশ * দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে: শেখ হাসিনা * শুক্রবার টুঙ্গিপাড়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী * ইমিগ্রেশন সেবাকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে ই-পাসপোর্ট প্রদান করছি - প্রধানমন্ত্রী * উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপনসহ ৮টি প্রকল্প অনুমোদন *
     09,2020 Thursday at 10:45:35 Share

মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা মাহেন্দ্রক্ষণ কাল

মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা মাহেন্দ্রক্ষণ কাল

জনকণ্ঠ : জন্মশতবার্ষিকীর মাহেন্দ্রক্ষণ আসন্ন। ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে মুজিববর্ষের ছবি। রাত পোহালেই বাঙালীর অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মের শতবর্ষ উদ্যাপন শুরু করা হবে। শ্রেষ্ঠ এই গৌরবের উপলক্ষ সামনে রেখে এখন চলছে জোর প্রস্তুতি। বছরব্যাপী আয়োজন শেখ মুজিব নামটির ওপর নতুন করে আলো ফেলবে না শুধু, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি-সাহস যোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


উৎসবের আগে সারাদেশেই শুরু হয়ে গেছে প্রাক-উৎসব। সরকারী ও বেসরকারীভাবে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। একই উপলক্ষ সামনে রেখে ১৮ মার্চ জাতীয় সংসদে বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। বাঙালীর মহান নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা। ইউনেস্কোসহ বিদেশে বাংলাদেশী দূতাবাসগুলোও মুজিববর্ষ উদ্যাপন করবে।


মূল উৎসব শুরু হবে আগামী ১৭ মার্চ থেকে। চলবে পরের বছরের ১৭ মার্চ পর্যন্ত। মাঝখানের পুরো সময়টাকে মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বছরব্যাপী উৎসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাতিরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবের প্রতি গভীর অনুরাগ প্রকাশ করা হবে। গান, কবিতা, নৃত্যায়োজন, নাটক, সিনেমাসহ সব মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হবে বঙ্গবন্ধুর কীর্তি।


সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন সংস্থা-সংগঠন, রাজনীতিবিদ, শিল্পী-সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মীর পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। আর মুজিববর্ষ উদ্যাপনে হাতে নেয়া অযুত যতকর্মসূচীর সমন্বয়ের দায়িত্বে রয়েছে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’। সরকারীভাবে গঠিত কমিটি সারাদেশের সব উৎসব অনুষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় সাধনের কাজ করছে। বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্টজনদের নিয়ে গঠিত কমিটি দিচ্ছে নানা পরামর্শও। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে কমিটির অস্থায়ী কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে।


বুধবার সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্নস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যে যার মতো কাজে ব্যস্ত। অফিস করছিলেন প্রধান সমন্বয়ক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরীও। শুধু কাজ করছেন না, বলছিলেন, দম ফেলারও সময় নেই এখন। একে পরামর্শ দিচ্ছিলেন। ওকে ডেকে আগে বুঝিয়ে দেয়া কাজের বাস্তবায়ন কতটুকু হলো, জানার চেষ্টা করছিলেন। এরই মাঝে বিভিন্ন উপকমিটির সদস্যরা আসছিলেন। কথা বলছিলেন বিভিন্ন বিষয়ে। এভাবে কিছু সময় কার্যালয়ে বসে থেকে মনে হয়েছে, উৎসবের আগেই শুরু হয়ে গেছে উৎসব।


জাতীয় কমিটি সূত্রে জানা যায়, কাল ১০ জানুয়ারি শুক্রবার থেকে শুরু হবে ক্ষণগণনা। বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের বিশেষ দিবসে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকেল সাড়ে ৪টায়। আমন্ত্রিত অতিথি ও বিশিষ্ট নাগরিকদের উপস্থিতিতে ক্ষণগণনা কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইদিন মুজিববর্ষের লোগো উন্মোচন করবেন তিনি। জানা গেছে, এদিনের আয়োজনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে নেয়া হচ্ছে জোর প্রস্তুতি। সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হতে পারে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের প্রতীকী উপস্থাপনা। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ এটি বাস্তবায়ন করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারির মতোই একটি এয়ারক্রাফট থেকে নেমে আসবেন জাতির জনক। এ সময় তোপধ্বনি করা হবে। সেই সঙ্গে প্রতীকী অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে। আলোক প্রক্ষেপণের মাধ্যমে এ ছবিটাকে জীবন্ত করে তোলার সব চেষ্টা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাস্তবায়ন কমিটি। একই সময় ডিজিটাল ঘড়ি স্থাপন ও এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জীবন-সংগ্রাম তুলে ধরা হবে। থাকবে বিভিন্ন অডিও ভিজ্যুয়াল পরিবেশনা। কিউআর কোডের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে জন্মশতবর্ষের শুভেচ্ছা ও বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করতে পারবে কৃতজ্ঞ জাতি।


জানা যায়, একই সময় দেশের ৬৪ জেলায় স্থাপন করা হবে ডিজিটাল ঘড়ি। ঢাকার সবচেয়ে বড় ঘড়িটি স্থাপন করা হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। এছাড়া উত্তরা, হাতিরঝিল, কলাবাগান মাঠ, শাহবাগসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থান থেকে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষের ক্ষণগণনার তথ্য জানা যাবে।


জাতীয় অনুষ্ঠানমালার বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী ১৭ মার্চ


জাতীয় অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন করা হবে আগামী ১৭ মার্চ। এ উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে চোখ ধাঁধানো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। বিকেল ৪টার আয়োজনে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তৃতা করবেন। বছরব্যাপী মুজিববর্ষ উদ্যাপনের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের দুই কন্যাÑশেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার হাতে শ্রদ্ধাস্মারক তুলে দেয়া হবে। এসবের বাইরে থাকছে আকর্ষণীয় কিছু আয়োজন। ৫৫ মিনিটের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লেজার শোর প্রস্তুতি চলছে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উদ্যোগে ফ্লাইপাস্ট অনুষ্ঠিত হবে। শত শিল্পীর পরিবেশনায় থাকবে যন্ত্রসঙ্গীত। বাংলা এবং ইংরেজীতে গাওয়া হবে থিম সং। অবশ্য এখন পর্যন্ত থিম সং চূড়ান্ত করা হয়নি বলে জানিয়েছে বাস্তবায়ন কমিটি।


১৮ মার্চ সংসদের বিশেষ অধিবেশন


একই উপলক্ষ্য সামনে রেখে পরদিন ১৮ মার্চ জাতীয় সংসদে বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।


আসছেন বিদেশী রাষ্ট্র এবং সরকারপ্রধানরাও


মুজিববর্ষ উদ্যাপনের বিভিন্ন পর্যায়ে বাংলাদেশে আসবেন বিদেশী রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এ তালিকায় রয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। আসছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ। বন্ধুরাষ্ট্র ভারত থেকে অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অতিথি। আসার ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আসছেন দেশটির সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের ঘনিষ্ঠজন প্রণব মুখার্জি ও কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী। জন্মোৎসবে যোগ দেবেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ জায়েদ আল নাহিয়ান। এছাড়া জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন মুজিববর্ষ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে নিশ্চিত করেছে মন্ত্রণালয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, বিশ্বনেতারা সবাই একই সময়ে উপস্থিত থাকবেন না। তাদের কয়েকজন ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। অন্যরা আলাদা আলাদা সময়ে উৎসবে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।


ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা ও কলকাতা বইমেলায় বঙ্গবন্ধু


বই নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আয়োজন ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা। জার্মানির এ আয়োজনে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হবে বঙ্গবন্ধুকে। বাঙালী নেতার জীবন ও সংগ্রামের ওপর বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে সেখানে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে বঙ্গবন্ধু রচিত গ্রন্থের অনুবাদ প্রকাশ করা হবে। অনুবাদগ্রন্থ পাওয়া যাবে মেলায়। জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও মেলায় উপস্থিত থাকতে পারেন। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলার প্রধান আয়োজক এ সংক্রান্ত আমন্ত্রণ নিয়ে বাংলাদেশে আসবেন। একইভাবে কলকাতা বইমেলা উৎসর্গ করা হবে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে। এর আগে বাংলাদেশকে থিম কান্ট্রি করা হলেও বঙ্গবন্ধুর নামে মেলা উৎসর্গ করার সিদ্ধান্তটি আলাদা তাৎপর্যের হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


যুক্ত হবে ইউনেস্কো


জন্মশতবর্ষ উদ্যাপনের সঙ্গে যুক্ত হবে ইউনেস্কো। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে উদ্যাপন করবে মুজিববর্ষ। জানা যায়, গত বছরের ২৫ নবেম্বর প্যারিসে ইউনেস্কো সদর দফতরে সংস্থার ৪০তম সাধারণ পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। অধিবেশনে সর্বসম্মতভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে মুজিববর্ষ উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ সময় ইউনেস্কো মহাসচিব অড্রে অজুলে ও সাধারণ পরিষদের সভাপতি আল্টে সেনজিজারসহ বিভিন্ন কমিটি এবং কমিশনের চেয়ারপার্সনরা উপস্থিত ছিলেন।


একযোগে উদ্যাপন করবে বাইরের ৭৭ মিশন


বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদ্যাপন করবে বিদেশে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশী দূতাবাসগুলোও। বাংলাদেশের ৭৭টি মিশন ২৬১টি অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সে লক্ষ্যে এখন চলছে প্রস্তুতি। জানা গেছে, মুজিববর্ষ উপলক্ষে উৎসব প্রস্তুতি নিচ্ছে নিউইয়র্কে অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট। কনসাল জেনারেল সাদিয়া ফয়জুন্নেসা জানিয়েছেন, দেশাত্মবোধক গান, নৃত্য, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কনসহ নানা পরিবেশনা নিয়ে উৎসবে যোগ দেবে নিউইয়র্কে জন্ম নেয়া শতাধিক শিশু-কিশোর। তার আগে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে শুরু হবে রিহার্সাল। চলবে ১৭ মার্চের আগ পর্যন্ত। প্রবাসী সংস্কৃতিকর্মীদের সংগঠন বিপার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্দিষ্টসংখ্যক তরুণ-তরুণীকে খুঁজে নেয়া হবে। তারাই ১৪ মার্চ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে।


এছাড়াও বঙ্গবন্ধুর জীবন ও সংগ্রামনির্ভর বায়োপিক নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলেছে। মঞ্চনাটক, সঙ্গীত, কবিতাসহ শিল্প-সাহিত্যের বিভিন্ন মাধ্যমেও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নতুন করে কাজ হচ্ছে বলে জানা যায়।


জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ অনুষ্ঠান চূড়ান্ত করা হয়েছে। সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে উৎসব। আন্তর্জাতিক পরিসরেও থাকবে নানা আয়োজন। এর বাইরে স্থায়ী কিছু কার্যক্রম হাতে নেয়া হবে বলে জানান তিনি।


সমস্ত আয়োজনের মধ্য দিয়ে কৃতজ্ঞ জাতি মহান নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানবে। প্রিয় পিতার জন্মশতবর্ষ হয়ে উঠবে বাঙালীর নতুন করে জেগে ওঠার বড় উপলক্ষÑ এমনটিই আশা করছেন আয়োজকরা।


 

User Comments

  • জাতীয়