২৯ মে ২০২০ ৪:৭:৪১
logo
logo banner
HeadLine
এ পর্যন্ত ৬ কোটি মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়েছে সরকার * সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল, বৃষ্টিপাত থাকতে পারে আরও ৩ দিন * ২৮ মে : দেশে আজ শনাক্ত আরও ২০২৯, মৃত ১৫ * ১৫ শর্তে ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত চলাচল সীমিত করে অফিস ও গণপরিবহন চালু * চট্টগ্রাম সিটিতে ১২টি করোনা টেস্টিং বুথ বসানোর উদ্যোগ মেয়রের * ২৭ মে : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ২১৫ * ২৭ মে : দেশে আজ শনাক্ত আরও ১৫৪১, মৃত ২২ * সহসাই অনলাইন সংবাদ পোর্টালের রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার হবে : তথ্যমন্ত্রী * চট্টগ্রামে করোনার চিকিৎসায় যুক্ত হচ্ছে বেসরকারী হাসপাতাল ইম্পেরিয়াল ও ইউএসটিসি * ২৬ মে : ল্যাব প্রধানসহ চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ৯৮ * ২৬ মে : দেশে আজ শনাক্ত আরও ১১৬৬, মৃত ২১ * বায়ুচাপের তারতম্যে, সমুদ্রবন্দরসমূহে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত * করোনা সংকটে দরিদ্রদের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহবান রাষ্ট্রপতির * যথাযোগ্য মর্যাদায় সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন * যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও ঈদ উপহার * ২৫ মে : চট্টগ্রামে শনাক্ত আরও ১৭৯ * যুক্তরাষ্ট্রে পিপিই রপ্তানি শুরু করলো বাংলাদেশ * ২৫ মে : দেশে আজ শনাক্ত আরও ১৯৭৫, মৃত ২১ * ২৪ মে : চট্টগ্রামে আরও ৬৫ জনের করোনা শনাক্ত * আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা * করোনায় মারা গেলেন এনএসআই কর্মকর্তা সন্দ্বীপের নাছির উদ্দিন * সন্দ্বীপবাসীকে পবিত্র ইদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র * ২৪ মে : দেশে আজ শনাক্ত আরও ১৫৩২, মৃত ২৮ * করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চলবে সরকারি সহায়তা, জীবন-জীবিকার স্বার্থে চালু করতে হবে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড - প্রধানমন্ত্রী * সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা * ২৩ মে : চট্টগ্রামে নতুন শনাক্ত ১৬৬ * করোনাকালীন সঙ্কটে পড়া সন্দ্বীপ পৌরসভার কর্মহীনদের বরাবরে সরকারের দেয়া ২৫০০ টাকা ছাড় শুরু * ২৩ মে : দেশে আজ শনাক্ত আরও ১৮৭৩, মৃত ২০ * বিদায় মাহে রমজান, আজ জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা * হালদায় ১৪ বছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড, ২৫ হাজার ৫৩৬ কেজি ডিম সংগ্রহ *
     09,2020 Saturday at 12:53:46 Share

করোনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের নিজস্ব স্টাইলের যুদ্ধ

করোনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের নিজস্ব স্টাইলের যুদ্ধ

ফজলুল বারী ::  বাংলাদেশের করোনা যুদ্ধ নিয়ে নানামুনির নানা মত নাকউঁচু অনেকের বিরক্তি চরমে! সরকার কিচ্ছু করেনা! কিচ্ছু পারেনা! আমিও মাঝে মাঝে কিছু এলোমেলো মন্তব্য করি কিন্তু দিন শেষে দেখি ভিন্ন এক দারুন ফাইট দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ


প্রথম থেকে একটা কথা লিখছিলাম তাহলো করোনা ভাইরাস বাংলাদেশে মহামারী হবার উপাদান-সুযোগ কম। কারন যে সব দেশে এটি মহামারী হয়েছে সে দেশগুলোর সমাজ বহুজাতিক। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশিদের মৃত্যুও বেশি বিদেশে


অথচ সে সব দেশের চিকিৎসা-আর্থিক সমস্যা অনেক বেশি উন্নত-সুসংগঠিত। কেনো জানি বাংলাদেশের কিছু মানুষের মধ্যে শুকরিয়া বোধ কম। দেশের নেগেটিভটাই এরা বেশি দেখে। মানুষের সংগ্রামটাকে এরা এপ্রিসিয়েট করতে জানেনা!


ইতালি ফেরত যে প্রবাসীদের মাধ্যমে রোগটি দেশে আসে, যে লোকটি দেশের সিস্টেমকে গালিগালাজ করছিলেন, একদিন তার ফেসবুক আইডিতে গিয়ে চমকে উঠেছি। তিনি আওয়ামী লীগের লোক। এলাকায় দিব্যি ত্রান তৎপরতা চালাচ্ছেন! এরমানে তার সমাজও তাকে গ্রহন করে নিয়েছে! এটিইতো বাংলাদেশ


গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর, মাদারীপুরের শিবচরে যারা রোগটির পারিবারিক-সামাজিক সংক্রমন ঘটিয়েছিলেন তারাও পরে প্রশাসনকে সহায়তা করায় সে এলাকাগুলোর সংক্রমন আর বাড়েনি


নারায়নগঞ্জের প্রথম সংক্রমন আসে উমরাহ হজ থেকে। মিরপুরের টোলারবাগে আক্রান্ত হন নিরীহ মুসল্লি। নারায়নগঞ্জের মেয়র আইভি নিজে একজন ডাক্তার। তাঁর এলাকার সমস্যা বুঝে কার্ফু চাচ্ছিলেন। কিন্তু ডিসি সাহেব যেন মনে করলেন কার্ফু দিলে বুঝি তার চাকুরি নথিতে দাগ পড়ে যাবে!


 আমলাতন্ত্র তার কথা শুনে ভুল করলো। নারায়নগঞ্জের করোনা মূলত ছড়িয়ে গেলো সবখানে! এসব নিয়ে এখন আর ঘাটাঘাটিতে সময় নষ্ট না করে বাংলাদেশের যুদ্ধটাকে সমর্থন করতে হবে। অবিরাম থেমে থাকার দেশ বাংলাদেশ নয়


আমরা যেভাবে ফেরি ভর্তি মানুষের ভীতিকর যাতায়াত দেখেছি, অন্য অনেক দেশ হলে এতোক্ষনে পথেঘাটে লাশ আর লাশ দেখতেন। কেনো হয়নি জানেন? এমনওতো হতে পরে বাংলাদেশের মানুষ সারা বছর যা খেয়ে-যতকিছু সামাল দিয়ে লড়াকু টিকে আছেন, জাতিইতো এক ধরনের এন্টিবডি জাতি!


 মদ কেনার কাড়াকাড়ি নিয়ে ভারতে অনেক মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। বাংলাদেশের সে সমস্যা নেই


একজন গার্মেন্টস মালিকের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। আমাকে বললেন আপনারাতো শুধু আমাদের গালিগালাজ করলেন, কিন্তু আমাদের এই সৈনিকগুলোর যুদ্ধ দেখলেননা! তাঁর কথা এসব গার্মেন্টস শ্রমিক যদি নিজের আগ্রহে এভাবে কাজ না করতো তাদের কেউ জোর করে কাজ করাতে পারতোনা


এই গার্মেন্টস শ্রমিকদের সিংহভাগ বয়সে তরুন। বেশিরভাগ কারখানায় নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকায় অন্য অনেক সেক্টরের চেয়ে এখানকার শ্রমিকরা তুলনামূলক স্বাস্থ্য সচেতন


এরা যখন প্রথম কাজে আসে তখন তাদের বলা হতো এখানে অনেক পরিশ্রম, হয়তো তোমাদের জন্ডিসও হবে। কিন্তু প্রথম তিন মাস যারা সামাল দিয়ে ফেলবে তারা এখানে ভালো থাকবে


গার্মেন্টস সেক্টরের মেয়ে শ্রমিকদের বেশিরভাগ বিয়ের পর আর কাজ করেনা। ছেলে শ্রমিদের অনেকে বছর কয়েক পর অন্য পেশায় চলে যায়। মোটামুটি যতোক্ষন ভালো পরিশ্রম করতে পারে ততোক্ষনই সিংহভাগ এখানে থাকে। এই ফাইটারদের খুব কমসংখ্যককে এখন পর্যন্ত কাবু করতে পেরেছে করোনা


গার্মেন্টস শ্রমিকরা বস্তির ঘরে গাদাগাদি থাকেন নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তা করেছি। কিন্তু এই করোনা সময় আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে সত্য প্রকাশিত করলোতাদের চেয়ে ব্যারাকে অস্বাস্থ্যকর দিন কাটে বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের!


বাংলাদেশের নানা পেশার লোকজন সুরক্ষা সামগ্রী সহ নানাকিছুর জন্যে হা-হুতাশ, প্রতিবাদ করলো, কিন্তু পুলিশ কিছু বললোনা। কারন তার চাকরিবিধিটি এমন, প্রতিবাদের কথা বলে লোকজন সেটিকে বিদ্রোহ শোনে!


অতএব বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা আজ করোনায় সবচেয়ে আক্রান্ত। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যু পুলিশের। কিন্তু এরপরও এই করোনা যুদ্ধে বাংলাদেশের পুলিশের যুদ্ধ এরমাঝে দেশের মানুষজনের মনে দাগ কেটেছে


সবাই

User Comments

  • আরো